| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ই জ্যৈষ্ঠ) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কাজী নজরুল ইসলাম। চুরুলিয়া গ্রামটি আসানসোল মহকুমার জামুরিয়া থানায় অবস্থিত। পিতামহ কাজী আমিনউল্লাহর পুত্র কাজী ফকির আহমদের দ্বিতীয়া পত্নী জাহেদা খাতুনের ষষ্ঠ সন্তান তিনি। তার বাবা ছিলেন স্থানীয় এক মসজিদের ইমাম। তারা ছিলেন তিন ভাই এবং বোন। তার সহোদর তিন ভাই ও দুই বোনের নাম হল: সবার বড় কাজী সাহেবজান, কনিষ্ঠ কাজী আলী হোসেন, বোন উম্মে কুলসুম। কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল দুখু মিয়া। তিনি স্থানীয় মক্তবে (মসজিদ পরিচালিত মুসলিমদের ধর্মীয় স্কুল) কুরআন, ইসলাম ধর্ম , দর্শন এবং ইসলামী ধর্মতত্ত্ব অধ্যয়ন শুরু করেন। ১৯০৮ সালে যখন তার বাবা মারা যান তখন তার বয়স মাত্র নয় বছর। পারিবারিক অভাব অনটনের কারণে তাঁর শিক্ষা বাধাগ্রস্থ হয় এবং মাত্র দশ বছর বয়সে তাকে নেমে যেতে হয় রোজগারে। এসময় নজরুল মক্তব থেকে নিম্ন মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উক্ত মক্তবেই শিক্ষকতা শুরু করেন। একই সাথে হাজী পালোয়ানের কবরের সেবক এবং মসজিদের মুয়াজ্জিন (আযান দাতা) হিসেবে কাজ শুরু করেন। এইসব কাজের মাধ্যমে তিনি অল্প বয়সেই ইসলাম ধর্মের মৌলিক আচার অনুষ্ঠানের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হবার সুযোগ পান যা তার পরবর্তী সাহিত্যকর্মকে বিপুলভাবে প্রভাবিত করেছে। তিনিই বাংলা সাহিত্যে ইসলামী চেতনার চর্চা শুরু করেছেন বলা যায়
![]()
পাপ
সাম্যের গান গাই!-
যত পাপী তাপী সব মোর বোন, সব হয় মোর ভাই।
এ পাপ-মুলুকে পাপ করেনি করেনিক’ কে আছে পুরুষ-নারী?
আমরা ত ছার; পাপে পঙ্কিল পাপীদের কাণ্ডারী!
তেত্রিশ কোটি দেবতার পাপে স্বর্গ সে টলমল,
দেবতার পাপ-পথ দিয়া পশে স্বর্গে অসুর দল!
আদম হইতে শুরু ক’রে এই নজরুল তক্ সবে
কম-বেশী ক’রে পাপের ছুরিতে পুণ্য করেছে জবেহ্ !
বিশ্ব পাপস্থান
অর্ধেক এর ভগবান, আর অর্ধেক শয়তান্!
থর্মান্ধরা শোনো,
অন্যের পাপ গনিবার আগে নিজেদের পাপ গোনো!
পাপের পঙ্কে পুণ্য-পদ্ম, ফুলে ফুলে হেথা পাপ!
সুন্দর এই ধরা-ভরা শুধু বঞ্চনা অভিশাপ।
এদের এড়াতে না পারিয়া যত অবতার আদি কেহ
পুণ্যে দিলেন আত্মা ও প্রাণ, পাপেরে দিলেন দেহ।
বন্ধু, কহিনি মিছে,
ব্রহ্মা বিষ্ণু শিব হ’তে ধ’রে ক্রমে নেমে এস নীচে-
মানুষের কথা ছেড়ে দাও, যত ধ্যানী মুনি ঋষি যোগী
আত্মা তাঁদের ত্যাগী তপস্বী, দেহ তাঁহাদের ভোগী!
এ-দুনিয়া পাপশালা,
ধর্ম-গাধার পৃষ্ঠে এখানে শূণ্য-ছালা!
হেথা সবে সম পাপী,
আপন পাপের বাট্খারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি!
জবাবদিহির কেন এত ঘটা যদি দেবতাই হও,
টুপি প’রে টিকি রেখে সদা বল যেন তুমি পাপী নও।
পাপী নও যদি কেন এ ভড়ং, ট্রেডমার্কার ধুম?
পুলিশী পোশাক পরিয়া হ’য়েছ পাপের আসামী গুম।
বন্ধু, একটা মজার গল্প শোনো,
একদা অপাপ ফেরেশতা সব স্বর্গ-সভায় কোনো
এই আলোচনা করিতে আছিল বিধির নিয়মে দুষি,’
দিন রাত নাই এত পূজা করি, এত ক’রে তাঁরে তুষি,
তবু তিনি যেন খুশি নন্-তাঁর যত স্নেহ দয়া ঝরে
পাপ-আসক্ত কাদা ও মাটির মানুষ জাতির’ পরে!
শুনিলেন সব অন্তর্যামী, হাসিয়া সবারে ক’ন,-
মলিন ধুলার সন-ান ওরা বড় দুর্বল মন,
ফুলে ফুলে সেথা ভুলের বেদনা-নয়নে , অধরে শাপ,
চন্দনে সেথা কামনার জ্বালা, চাঁদে চুম্বন-তাপ!
সেথা কামিনীর নয়নে কাজল, শ্রেনীতে চন্দ্রহার,
চরণে লাক্ষা, ঠোটে তাম্বুল, দেখে ম’রে আছে মার!
প্রহরী সেখানে চোখা চোখ নিয়ে সুন্দর শয়তান,
বুকে বুকে সেথা বাঁকা ফুল-ধনু, চোখে চোখে ফুল-বাণ।
দেবদুত সব বলে, ‘প্রভু, মোরা দেখিব কেমন ধরা,
কেমনে সেখানে ফুল ফোটে যার শিয়রে মৃত্যু-জরা!’
কহিলেন বিভু-‘তোমাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ যে দুইজন
যাক্ পৃথিবীতে, দেখুক কি ঘোর ধরণীর প্রলোভন!’
‘হারুত’ ‘মারুত’ ফেরেশতাদের গৌরব রবি-শশী
ধরার ধুলার অংশী হইল মানবের গৃহে পশি’।
কায়ায় কায়ায় মায়া বুলে হেথা ছায়ায় ছায়ায় ফাঁদ,
কমল-দীঘিতে সাতশ’ হয়েছে এই আকাশের চাঁদ!
শব্দ গন্ধ বর্ণ হেথায় পেতেছে অরূপ-ফাঁসী,
ঘাটে ঘাটে হেথা ঘট-ভরা হাসি, মাঠে মাঠে কাঁদে বাঁশী!
দুদিনে আতশী ফেরেশতা প্রাণ- ভিজিল মাটির রসে,
শফরী-চোখের চটুল চাতুরী বুকে দাগ কেটে বসে।
ঘাঘরী ঝলকি’ গাগরী ছলকি’ নাগরী ‘জোহরা’ যায়-
স্বর্গের দূত মজিল সে-রূপে, বিকাইল রাঙা পা’য়!
অধর-আনার-রসে ডুবে গেল দোজখের নার-ভীতি,
মাটির সোরাহী মস-ানা হ’ল আঙ্গুরী খুনে তিতি’!
কোথা ভেসে গেল-সংযম-বাঁধ, বারণের বেড়া টুটে,
প্রাণ ভ’রে পিয়ে মাটির মদিরা ওষ্ঠ-পুষ্প-পুটে।
বেহেশ্তে সব ফেরেশ্তাদের বিধাতা কহেন হাসি’-
‘ হার”ত মার”তে কি ক’রেছে দেখ ধরণী সর্বনাশী!’
নয়না এখানে যাদু জানে সখা এক আঁখি-ইশারায়
লক্ষ যুগের মহা-তপস্যা কোথায় উবিয়া যায়।
সুন্দরী বসুমতী
চিরযৌবনা, দেবতা ইহার শিব নয়-কাম রতি!
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
মিতামারিয়া বলেছেন: কেউ কেউ খুব বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন
২|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫১
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: বছরের পর বছর কেটে গেলো বাংলা কবিতার।রবীন্দ্রনাথরে হাতে চাবি। কেউ এই তালা ভাঙ্গা সম্ভব বলেও ভাবতে পারলো ।হঠাৎ করেই 'বিদ্রোহী' কবিতার নিশেন উড়িয়ে হৈ হৈ করে নজরুল ইসলাম এসে পৌছলেন। সেই প্রথম রবীন্দ্রনাথের মায়াজাল ভাঙলো।
পশ্চিমাদের কাছে রবীন্দ্রনাথ সমালোচিত হলেও পরিত্যাজ্য ছিলেন না। নজরুল নতুন ইউরো চেতনারও বাইরে ছিলেন নতুন প্রজ্ঞা আর প্রকরণ কলা নিয়ে। পাশাপাশি বসবাসরত হিন্দু-মুসলিমের সাংস্কৃতিক বৈপরীত্য থাকলেও প্রকৃতি পরিচর্যায় উভয়ের চৈতন্যের পরিসর একই বলয়ে আবর্তিত হয়ে আসছে। হাজার বছরের এই সাংস্কৃতিক সহযাত্রা বাংলা কবিতায় অনেকটাই অবহেলিত হয়েছে।বিশেষ করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কবির দৃষ্টিরেখায় মুসলমানের রাজনৈতিক-সামাজিক-অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক রেখা আঁকতে পারেনি। আসলে ওই হিন্দু কবি সাহিত্যিকবর্গ সমাজে মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি মেনে নিতে পারেনি বলেই. তারা কবিতা ও অন্যান্য রচনায় জায়গা পায়নি। কিন্তু মুসলমান কবিরা সেই মধ্যযুগের সাহিত্য ধারা থেকেই হিন্দু চরিত্র ব্যবহার করে আসছেন। নজরুল ইসলামই প্রথম এই দুই সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক দিককে নতুন চেতনার আলোকে নবনির্মাণ করে চমকে দিলেন। বুদ্ধুদেব বসুরা সে কারণেই গণ্য করেন তাকে।
ইতিমধ্যে রবীন্দ্র এলোলয়িত কবিতার স্রোতের উজান বইতে শুরু নজরুলের কবিতা।এজন্য নজরুল যখন,হুগলি জেলে অনশন করছেন রবীন্দ্রনাথ লিখে পাঠালেন" অনশন ত্যাগ কর।আমাদের সাহিত্যে তোমার প্রয়োজন আছে।"
ছন্দ-প্রকরণ বৈচিত্র্যে ভরপুর নজরুলের কবিতার নন্দনতাত্বিক আলোচনা অল্প। কেন জানি কেবল তথ্য-উপাত্ত নির্ভর প্রবন্ধ রচিত হচ্ছে। নজরুলের কবিতার প্রকরণকলার সৌন্দর্য কতোটা কোথায় চূড়া ছুঁয়েছে, সেই বিচার-বিশ্লেষণ খুবই কম। প্রায় শতাধিক নজরুল সাহিত্যের গবেষক-লেখক-সম্পাদক এই বাংলাদেশে কাজ করে চলেছেন। প্রতি বছরই বাড়ছে নজরুলের সাহিত্য বিচার ।অথচ, আপনি এ রকম গবেষণা খুঁজে পাবেন না যে নজরুলের কবিতায় হিন্দু মুসলিম মিথ ঐতিহ্য কে কতোটা ব্যবহার করেছেন এবং সেই ব্যবহার কতোটা সমাজ-সংসারে অভিনন্দিত হয়েছে নাকি নিন্দিত হয়েছে।
বাংলায় নজরুলের সাহিত্যের গবেষণা, প্রবন্ধ নিবন্ধ এবং তার গান নিয়ে বেশ কিছু কাজ হয়েছে। ঢাকায় ১৯৮৫ সালে নজরুলের ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেশ কিছু গবেষণামূলক বইও বের হয়েছে।এ ছাড়াও নজরুলের সাহিত্য নিয়ে ইন্সটিটিউট বেশ কিছু সম্পাদনা গ্রন্থ প্রকাশ করেছে। নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে চলেছে নজরুল ইন্সটিটিউট পত্রিকা। নজরুলের সঙ্গীতের স্বরলিপি নিয়মিতই প্রকাশ পাচ্ছে যা নজরুল সঙ্গীতের শুদ্ধতাকে দীর্ঘমেয়াদি করতে সহায়ক হচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নজরুলের একাডেমী গত শতকের ষাটের দশক থেকেই প্রকাশনার কাজ করে আসছে। তারা প্রধানত গীতিসংকলন সুরলিপি, সমালোচনা গ্রন্থ, পত্রিকা; নজরুল একাডেমী পত্রিকা প্রকাশ করছে।
বাংলাদেশে নজরুল গবেষণা চললেও তার সাহিত্যের নন্দনতাত্বিক বিচার খুব একটা হয়নি বললেই চলে। আমার ধারণা এই কবি বাংলা কবিতার রূপই কেবল পাল্টে দেননি, চিন্তায় নতুনের নিশান তুলেছেন। নতুন যে প্রণোদনা সাহিত্যে এসেছে, সেই উত্তরাধুনিকতার বীজপত্র নজরুলের কবিতায় আমরা পাবো।
মূলত: নজরুল সাহিত্য গবেষণায় নতুন মুখ যেমন প্রয়োজন, তেমনি নতুন চিন্তার মানুষের মননের স্পর্শ। কারণ, সন, তারিখ, ব্যক্তিগত চরিত্রের রূপ খোঁজার চেয়ে তার কবিতার প্রকরণ কলা নিয়ে আলোচনা জরুরী মনে করি। আমি আশা করি নতুন পাঠক ও লেখকদের মধ্যে এই প্রণোদনা জেগে উঠবে।
আমরা নজরুলকে আরো কাছে টেনে নেবো ।যেখানে শুধু নজরুল ই থাকবেন। শুধু নজরুল।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৪
মিতামারিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার আরও কমেন্ট আশা করছি
৩|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫
প্রচ্ছদ বলেছেন: মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ, নজরুলরে নিয়া ইতরামি সহ্য হয়না। নজরুল আমার প্রাণের কবি। ইনি যা করতেছেন তা ইতরামি ছাড়া কিছু নয়। তার পোষ্টের কোন সার বস্তু আছে বলে আপনি মনে করে?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮
মিতামারিয়া বলেছেন: @ প্রচ্ছদ, এত ব্যস্ত হচ্ছেন কেন? যা লেখা আছে তা ভাল লাগলে পড়েন না হয় পড়েন না । আপনাকে কেউ তো জোর করছেনা।
সামু কিংবা নজরুল কেউই আপনার বাবার সম্পত্তি না। আপনি এত নজরুল প্রেমিক হলে এই ধরনের অসভ্য মন্তব্য না করে আহমদ আবদুল হালিম ভাইয়ের মত কিছু লিখতে পারতেণ। তাতে আমরা শিখতে পরতাম ।
আপনার কমেন্টে কেউ কিছু শিখছেনা।
৪|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬
অয়ন আরেফিন বলেছেন: লেখার শিরোনাম দেখে চমকে গেছি; কাজি নজরুল নিয়ে ভালো করে জেনে কোন লেখা পোস্ট করলে ভালো হয়; আপনি তাঁর সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানেন না, তাঁর কবিতা অনেক দূরের ব্যাপার।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
মিতামারিয়া বলেছেন: আপনারা যারা খুব বেশি জানেন বলে মনে করেন তারা দয়া করে বেশি কথা না বলে সেই জানা গুলো আমাদের জানান না কেন? অপ্রয়োজনী কথা শুধু বলতে পারেন। সামুতে নতুন নাকি??
৫|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০০
'লেনিন' বলেছেন: আশরাফুল কবিলুকাত? খাতামুনকবিয়্যিন? মুজিব যেভাবে বাঙালিদের মধ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সেইরকম?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১১
মিতামারিয়া বলেছেন: @লেনিন, আপনার কাছে এই ধরনের কমেন্ট আশা করিনি। আপনাকে ম্যাচুরড ব্লগার মনে করতাম
৬|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৬
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: অয়ন আরেফিন, প্রচ্ছদ ! আপনাদের সাথে একমত পোষন করছি । নজরুল আমার প্রানের কবি । তাই নজরুলকে নিয়ে জগাখিচুড়ি মার্কা লেখা দেখলে খুবই কষ্ট হয় ।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
মিতামারিয়া বলেছেন: আমি কোনো জগা খিচুরি লিখছিনা। আমি ধিরে ধিরে তার সম্পর্কে লেখার চেষ্টা করছি। আপনাদের যদি মনে হয় আমি লেখককে সিমিত করছি তবে আমার অনুরোধ keep in touch সামনে তো আরো লিখতে চাই।
৭|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১১
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: লেখক আমার কমেন্ট আশা করেছেন । আমি আপনাকে উপযুক্ত শ্রদ্ধা প্রদর্শণ করে বলছি দয়া করে নজরুল সম্পর্কে আরো পাঠ করুন। নজরুরকে সিমিত করবেন না । নজরুল উদার আকাশের মতো। বিশাল বিস্তার........
৮|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১২
মনির হাসান বলেছেন: কেন জানি মনে হইতেছে এই সিরিজ কারাবালার ময়দানের দিকে টার্ন করিবে ...
৯|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
প্রচ্ছদ বলেছেন: আমি শিখানের লাইগা কমেন্ট করর্তেছিনা। আপনার শিরোনামটাই ফালতু হইছে। আগে এইটা বুঝেন। এই পাব্লিক ব্লগ। এখানে লেখা পছন্দ হইলে যেমুন বাহবা দিমু তেমনি না হইলে ডলাও দিমু। তমেন্ট লইয়া এত চুলকানি থাক্লে ওপেন ব্লগে পোষ্টান ক্যান?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
মিতামারিয়া বলেছেন: ব্লগে কেন আসেন?? মানুষকে বিরক্ত করতে?? আমি শিখতে আসি। আপনার হয়তো অনেক গ্যানি হয়ে গেছেন।
নজরুলকে সর্বকালের সেরা বললে আপনার গায়ে লাগে কেন?? আপনি কার নাম শ্রেষ্ঠ আশা করেন??
কই রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি বললে তো চুলকানি ওঠেনা।
১০|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২০
মিতামারিয়া বলেছেন: আমারব্লগে বিপুল বলেছেন,কাজী নজরুল ইসলাম ময়মনসিংহের কাজীর সিমলা যে বাড়ীতে থেকে তিনি লেখা পড়া করেছেন । সেই বাড়ীতে ময়মনসিংহের মানুষ হয়ে অনেক বার গিয়েছি । চলে আসুন একদিন স্বপরিবারে । দেখে যান স্বচোখে নজরুলের স্মৃতি বিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশাল । গাইড হিসাবে না হয় আমিই থাকবো । নজরুলকে নিয়ে তথ্যমূলক লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । নানা জনে নানা কথা বলবেই । লেখা চালিয়ে যান । এসব তথ্য সাইবার যুগে অনেকের জানা দরকার ।
http://mmaria.amarblog.com//posts/87485/
আমিও একমত
১১|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২১
প্রচ্ছদ বলেছেন: এইডা নিশ্চিত@মনির
উয়াচে রাখছি। সময় মতো ডলা দিমু।
১২|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
মনির হাসান বলেছেন: প্র ... ডলা দিবার হইলে দেরি করতে নাই ... কবি বলেছেনঃ"ধরো তক্তা মারো পেরেক" (কোন কবি কইছেন এইটা জিগায়োনা ... কইতারুম্না)
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
মিতামারিয়া বলেছেন: আমি বলতে পারব। এটা আমাদের পেরেক কবি মনির হোসেন এর লেখা।
১৩|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
'লেনিন' বলেছেন: @পোস্ট লেখক: আমি ম্যাচিউরড ব্লগার কিনা তার সার্টিফিকেট কারো কাছে চাইনা। তবে, আপনার পোস্টে আমি কোনোপ্রকার রেটিং দেয়া থেকে বিরত। কারণ স্পষ্টতই আপনি নিম্নরুচির প্রকাশ করেছেন একজন কবিকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ট্যাগ করে। আপনার আগের পোস্টে কমেন্টকারিদের গালাগালিও দিয়েছেন। কী মনে করেন নিজেকে?
আগের পোস্টে আমার কমেন্টের একটার রিপ্লাই দিয়ে আসুন, দেখি আপনার কি বক্তব্য আছে।
নি:সন্দেহে নজরুল আমার অন্যতম প্রিয় কবি। কিন্তু আমার দৃষ্টিতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কোনো কবি নেই। যেমন নেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কোনো বাঙালি।
একটা গল্প জানেন তো? এক গুরু আর তার শিষ্য এক দেশে গিয়ে দেখে সেখানে সবকিছুই ১টাকায় পাওয়া যায়। শিষ্য বললো, "এতো স্বর্গ গুরু! আমি এখানেই থাকবো!"। গুরু বললো, "দেখো বৎস! যেখানে কোনো কিছুর মানের তারতম্য আমলে আনা হয়না, সেখানে মানীর মর্যাদা দেয়া হয়না। আমি চললাম।"।
লেখার বিষয়বস্তু অনেক কিছু হতে পারে, আপনার স্বাধীনতা আছে যা খুশি লেখার। তবে তা যদি অসাড় এবং নিজেকে হাস্যাস্পদ করে ফেলার বিষয় হয় তাহলে আমার যুক্তিতে না লেখাই ভালো।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
মিতামারিয়া বলেছেন: আমি আপনাকে সার্টিফিকেট নিতে বলিনি। তবে আমি আপনার লেখা রেগুলার পড়ি। ভাল লাগে। আমি আপনার কাছে এই ধরনের কমেন্টই আশা করি।
আমি কোন ব্লগারকে গালি দেইনি। তবে কেউ নজরুলের কবিতা পড়ে যদি বলে এটা নজরুলের কবিতা না তবে তাকে কি বলা যায়??
আমি নজরুলকে নিয়ে কিছু লিখব বলেই লেখা শুরু করেছি। তবে সময় দরকার। আমি পড়া শোনা করছি। বিশ্লষনধর্মী লেখা তো এমনি এমনি শুরু করা যায় না। তবে এত ব্যস্ত হলে তো হয়না। আমি তো বলেছি। একটু অপেক্ষা করুন।
আপাতত টাইটেল পরিবর্তন করবনা। আমি তার সর্বশ্রেষ্ঠ হৌয়ার পেছনে যুক্তি দেখাব। আপনি কেন টাইটেল চেন্জ করব সেই যুক্তি আরও কিছুদিন পরে দেন। আপাতত আমার সাথে থাকার অনুরোধ করছি।
১৪|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
অয়ন আরেফিন বলেছেন: মনিরের সঙ্গে একমত না হয়ে উপায় থাকছে না।
১৫|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
আহমদ আবদুল হালিম বলেছেন: মিতা মারিয়া ! একজন লেখককে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়। পাঠক সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। আপনি কষ্ট পাবেন জানলে কমেন্ট করতামনা। যান এগিয়ে... আশিস রইলো।
নিচের কথাগুলো পড়ুন পাঠক সম্পর্কে জানতে পারবেন বলে মনে করি।
একজন লেখক কেন লেখেন? সেটি জানার আগ্রহ প্রকাশ করি। কিন্তু, একজন পাঠক কেন পড়েন ? তা জানতে চাই না কখনো। লেখকদের তো বাঁচিয়ে রাখেন পাঠকরাই। সেই পাঠকরা কেন পড়েন, সেটা তো খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হওয়ার কথা! জগতে তো বিনোদন উপকরণের অভাব নেই, সহজলভ্য বিনোদনও এখন ঘরে ঘরে । তবু সেসব বাদ দিয়ে বই পড়ার মতো একটা কষ্টসাধ্য কাজ কেন করেন তারা?
আমরা অবশ্য প্রশ্নটিকে শুধুমাত্র সাহিত্যের পাঠকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্পের অন্যান্য শাখায় নিয়ে যেতে পারি। যেমন সংগীতপ্রিয়দের কাছে জিজ্ঞেস করতে পারি, কেন গান শোনেন তারা? চিত্রকলার সমঝদার লোকটির কাছে, বিমূর্ত শিল্পের কাছে তিনি কি পান? চলচ্চিত্র ও নাটকের দর্শকদের প্রশ্ন করতে পারি- কেন তারা এসব দেখেন? কিন্তু এসব প্রশ্ন পাঠক-শ্রোতা-দর্শকদেরকে করা হয় না।
সাহিত্যের পাঠকদের দিয়েই শুরু। ওপরের প্রশ্নগুলো করলে পাঠকদের কাছ থেকে সম্ভাব্য এই উত্তর পাওয়া যেতে পারে।এটা নিশ্চিত যে, কেউ কেউ বলবেন- তারা বিনোদনের জন্য পড়েন। জানি, এই উত্তর শুনলে 'সিরিয়াস' লেখকগণ অতিশয় আহত হবেন। ভাববেন- আমার লেখা কেবল বিনোদনের জন্য পড়েন; আমার এত শ্রমের ফসল কেবল আপনার 'স্থুল' আনন্দ লাভের উপকরণ ! বিষয়টি তাই আলোচনার অবকাশ রাখে।
আমি নিজে মনে করি, সব শিল্পের রসাস্বাদন শেষ পর্যন্ত বিনোদনই। তবে এই বিনোদনের মাত্রাটি একটু ভিন্ন। জীবনে বিনোদন প্রয়োজন, অন্যান্য মৌলিক চাহিদার মতো বিনোদনও মানুষের এক মৌলিক চাহিদা। তিনি(পাঠক) যেহেতু প্রচলিত ও সহজলভ্য উপকরণগুলোতে বিনোদন পান না, তাকে তাই যেতে হয় এমন এক বা একাধিক মাধ্যমের কাছে যা তার মানসিক সুক্ষতাকে সমর্থন দেবে। সেই অর্থে এটি তার কাছে বিনোদনই বটে, তবে উচ্চস্তরের বিনোদন। যে-কোনো ধরনের বিনোদনের সঙ্গে এটাকে মেলানো যাবে না। শুধু বিনোদনই নয়, এটি ওই পাঠকের জন্য এক ধরনের আশ্রয় হিসেবেও কাজ করে।
মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই ভীষণ অসহায় প্রাণী।কিন্তু সবার উপরে............। জীবন-যাপন করতে গিয়ে নানা ধরনের দুর্যোগ তো আসেই, কিন্তু জীবনের অর্থ-অনুসন্ধান করেন যারা তাদের সামনে নানাবিধ প্রশ্ন এসে হাজির হয়। যতো প্রশ্ন আসে, ততো উত্তর মেলে না। অসহায়ত্বের সেটিও একটি কারণ। আশ্রয়ের প্রয়োজন হয়।তাই একজন পাটককে যেতে হয় বইয়ের কাছে ।
একথা সত্যি যে, সব শিল্প সমান নির্ভরতা ও প্রশান্তির আশ্রয় দেয় না। এতে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে সংগীত ও কবিতা। এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম যারা সংগীত ভালোবাসেন না।
এই মানুষগুলো গানের কাছে কী পান? আশ্রয় পান, সন্দেহ নেই! পান বিনোদনও। আর কিছু ? হয়তো আরো কিছু পান। সুরের বিমূর্ত শক্তি তাদের হৃদয়ে জ্বেলে দেয় এক আশ্চর্য হীরন্ময় প্রদীপ!
আশ্রয় দেয়ার এই কাজটি কবিতাও খুব পারঙ্গমতার সঙ্গে করতে সক্ষম হয়। কবিতার যারা পাঠক, তারা কোনো-কোনো কবিতা পড়তে পড়তে মুখস্থ করে ফেলেন। ( আমার এক বন্ধু আবদুল হক গীতাঞ্জলি পুরোটা মুখস্ত বলে দিতে পারে ) অনেকে আবার মুখস্থ না করলেও কোনো-কোনো কবিতা হাজারবার পড়ে ফেলেন। কেন এমনটি করেন তারা? একজন পাঠক কেন এক বা একাধিক কবিতার কাছে বারবার ফিরে যান? কী পান তারা কবিতার মধ্যে? যদি বলি বিনোদনের জন্যই কবিতা পড়েন পাঠকরা, তবু প্রশ্ন উঠবে একজন কবিতা-পাঠক তার চারপাশে বিনোদনের নানাবিধ রঙিন উপকরণ বাদ দিয়ে কবিতার কাছে যান কেন? যান, কারণ তার মানসগঠন আলাদা, অ-পাঠকরা যা কিছুতে আনন্দ-বিনোদন পান, তিনি/তারা তাতে পান না। তাকে আশ্রয় ও আনন্দ, বিনোদন কিংবা উচ্চতর কিছু। হয়তো কবিতাই সেই উচ্চতর মাধ্যম।
এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া কঠিন। আর কঠিন হবেই বা না কেন, কাউকে তো কোনোদিন এই কথাটি জিজ্ঞেসই করা হয়নি! এমনকি কোন পাঠক কখনো নিজেকে এ প্রশ্ন করেনি । কেন আমি পাঠ করি ?
পাঠককে তার নিজের সঙ্গে অনেক বেশি সংলগ্ন করে ফেলে। নিজের অজান্তেই পাঠক কবিতার মাঝে হারিয়ে যায় । ভাবনাজগৎ আন্দোলিত হয় । আর তাই, পাঠশেষে সে আবিষ্কার করে- সে আর আগের মানুষটি নেই, অন্যরকম হয়ে গেছে ! যেন কবিতাটি তার জীবনের মহা মূল্যবান কিছু।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
মিতামারিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ, আমি আপনার সাথে একমত। আমি কোনো পাঠককে অসম্মান করতে চাইনা। কিন্তু এটা শিক্ষিতদের ব্লগ। এখানে নোংরা কথা ভাল লাগে না।
১৬|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
প্রচ্ছদ বলেছেন: ভাইজান, দয়া কইরা এক্টু পড়াশুনা কইরা আহেন। পিলিজ। সবাইরে সব কিছু কওন যায়না।
যেমন জীবনানন্দ ভালো লেখেন। আধুনিক বাংলা শ্রেষ্ঠ আধুনিক কবিও কইতে পারেন। কিন্তু তাঁরে কোনভাবেই আপনি রোমান্টিজমের শ্রেষ্ঠ কবি কইতে পারবেন না। যার যেখানে শ্রেষ্ঠত্ব সেটাই প্রকাশ করতে হয়।
নজরুল বাংলা সাহিত্যে অন্যতম প্রধান রোমান্টিক কবি। তাঁকে সেই মার্যাদাই দিতে হইবো। বিশ্বসাহিত্যে নজরুলের যে অবদান সেটাকেই স্বীকৃতি দিতে হইবো। আজাইরা পেচাল কোন কাজের জিনিসি না।
দেখেন শুধু আমি না, অনেকেই আপনার পোষ্টের শিরোনামের সাথে দ্বিমত। আর রবীন্দ্রনাথে প্রসঙ্গ কেন আসলো বুজলামনা। আমি নির্দিষ্ট কারো নাম শ্রেষ্ঠ আশা করিনা। সাধারন অর্থে প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থানে অনন্য। কারো সাথে কারো তুলনা জলেনা। নির্দিষ্ট একজনের শ্রেষ্ঠতা ব্যক্তি পুজা মনে করি।
(এবার কিন্তুক সুশীল কমেন্ট করছি) তয় আপনেরে পর্যবেক্ষনে রাখলাম। আরো কয়েক পর্ব দেখি। নজরুল সম্পর্কে আপনার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে হইবো।
১৭|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
প্রচ্ছদ বলেছেন: আবরো বলতেছি, এইটা ওপেন ফোরাম। নিজের লেখার ডিফেন্স নিজেরেই দিতে হইবো। Survival for the fittest. খিয়ালকৈরা।
আপাতত অফগেলাম। কামলা দিতে যামু।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
মিতামারিয়া বলেছেন: ধন্যবাদ, আমি রবীন্দ্রনাথের প্রসংগ টেনেছি উদাহরন হিসাবে। আশা করি সামনে আপনাদের সুচিন্তিত এবং আন্তরিক কমেন্ট পাব।
১৮|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন: হেভি একটা লড়াই চলল মনে হয়। আমি থাকলাম দেখি কি লেখেন??
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
মিতামারিয়া বলেছেন: কোনো লড়াই নাই
১৯|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
মজার মানুষ বলেছেন: কবিতাটা আমি ও দিছিলাম। এটা না দিয়া অন্য কোনোটা দিতে পারতেন। তাইলে নেট এ নজরুলের কবিতা সংখ্যা একটা বাড়ত।
Click This Link
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
মিতামারিয়া বলেছেন: মজা পাইলাম
২০|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আপনার লেখায় নজরুল সম্পর্কে বিশ্লেষণ কম।কিছু গৎবাঁধা লাইন আর নজরুলের কাব্যগ্রন্থ থেকে কিছু কপি পেস্ট।
এখানে,আপনি কি লিখবেন সেটা আপনার স্বাধীনতার মাঝেই পড়ে।কিন্তু আপনি ভুল লিখলে বা বললে সেটা অন্য রা মেনে নেবে না।
আপনি আগের পোস্টের কমেন্টগুলোর উত্তর না দিয়ে নতুন পোস্ট দিয়েছেন।ব্লগার রা আপনার মত জানতেই কমরন্ট করে।সেটার উত্তর দেয়া আপনার দায়িত্ব।
আর,নজরুল কে লিখুন।সেজন্য কেউ কিছু বলছে না।
কিন্তু আপনি নজরুল কে সম্মান করত গিয়ে হাস্যকর করে তুলছেন।
২১|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
নীল ভোমরা বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ ও কাজী নজরুল কে নিয়ে সায়ানের গানটির কথা মনে পড়ছে!
২২|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫
সবাক বলেছেন:
প্রনব্দা আর মনির্ভাই....
আমারে মোস্তফা ইকবাল নোয়াখালীর সেরেশঠ কবি কয় ![]()
২৩|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: ইকবাল ভাই খারাপ কয়নাই
@সবাক
২৪|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
দাউদ রনি বলেছেন: খাইছে আমারে!!!!
........................
নব্য নজরুলপ্রেমীদের নিয়েএকটা কথা বলার লোভ সামলাতে পাররাম না। সাহস নিয়ে বলেই ফেলি।
........... একটা সময় ছিল যখন মাঝবয়েসী নজরুলকে মৌলবাদীরা দেখতেই পারতো না। কেউ কেউ ইমানি জোশ সামলাতে না পেরে কবিকে 'কাফের' উপাধিও দিয়েছিলেন। কবির অপরাধ তিনি হিন্দু উপাসনার জন্য প্রচুর কীর্তণ লিখেছিলেন। সেই কীর্তণের সংখ্যা এতোবেশি যে অতীতে কোনো হিন্দু কবি তার চার ভাগের একভাগও লিখেন নি। অন্য মুসলিম কবিরা তো ভুলেও এ কাজ করেননি। স্বভাবতই ইমানি জোশে বলিয়ান মুসলিমরা তাঁকে 'কাফের' এমনকি 'মুরতাদ' বলে গালি দিতেন স্বগর্বে, বুক ফুলিয়ে!
এরপরের ইতিহাস বড়ই হাস্যকর এবং স্বার্থান্বেষী। হিন্দু কবি রবীন্দ্রনাথকে কোনোভাবেই মেনে নিতে না পেরে, এবং তার বিপরীতে এমন একজনকে দাঁড় করাতে হবে যিনি মুসলিম। এরপরই মৌলবাদীরা সুর পাল্টে ফেললেন। নজরুল নাকি এখন ইসলামি রেনেঁসার কবি।
'মসজিদের পাশে আমায় কবর দিও ভাই
যেন কবর থেকে মুয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই।'
উদাহরণ হিসেবে বারবার এই একই পঙ্গতি এবং কিছু হামদ-নাত পেশ করা হয়।
............. এভাবেই আমরা দেখলাম একজন সাম্যবাদী, সত্যিকারের বিপ্লবী কবিকে সামপ্রদায়িক করার উদ্ভট সব কাণ্ডকারখানা।
..........................................................
একথাগুলো এখানে বলার কারণ নিশ্চয়ই অনেক বুঝতে পেরেছন। যারা পারেননি তাদের শুভ-বুদ্ধির উদয় হোক।
২৫|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮
হেমায়েতপুরী বলেছেন: তিনিই বাংলা সাহিত্যে ইসলামী চেতনার চর্চা শুরু করেছেন বলা যায়...
আগেও কইছি ফাউল পুস্ট।
২৬|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৭
অয়ন আরেফিন বলেছেন: দাউদ রনি@ শুধু তাই না, মাওলানা আকরম খাঁ নজরুলকে এমন গালাগালি করতেন যে, একসময় তার নামই হয়ে গিয়েছিল আক্রমন খাঁ; তাদেরই উত্তরসুরীরা এখন নজরুলকে ইসলামী রেনেসাঁর কবি বলতে অজ্ঞান এবং কবিতা না বুঝেই কবির বিচার করতে বসে নিজেকে হাস্যাস্পদ করে।
২৭|
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৯
দাউদ রনি বলেছেন: @ অয়ন,
ধন্যবাদ। উদাহরণটাতে প্রাণ দেওয়ার জন্য।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৯
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: প্রচ্ছদ ভাই আপনি এত ওত্তেজিত কেনো জানতে পারি?আপনার কথা গুলো আরো ভদ্রভাবে বলতে পারতেন।