নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আসিফ নজরুলের সমস্যা টা কি?

১৯ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:৫৫

আসিফ নজরুলের সমস্যা টা কি?
ফেয়ার নির্বাচন হলে সবাই খুসি আনন্দিত হওয়ার কথা। কেয়ামত হবে কেন?
কিন্তু উনি বলছেন ফেয়ার নির্বাচন হলে ১৬ই আগষ্ট কাবুল বিমান বন্দরের মত পরিস্থিতি মানে দেশে কেয়ামত নেমে আসবে।
মানে মানুষ উদ্ভ্রান্তের মত পালাবে
তাহলে উনারা কি বিজিত দলকে কচুকাটা করতে চা্ন?
ওনার ইচ্ছা নিরব হুমকিতে যা বুঝি, কেয়ামতের মত নৃসংশ ভয়াবহ গনহত্যা চালানো হবে যে দেশবাসিকে প্রাণ ভয়ে বিমানের চাকায় ঝুলে ঝুলে পালিয়ে যেতে হবে!
এই হুমকি নতুন না। দু বছর আগে ওনার এক সাগরেদ আলবদর ছানা শহিদুল আলমও একই (নির্বাচনের পর কেটে টুকরা টুকরা করার) হুমকি দিয়েছিলেন আল-জাজিরায়।

এমন নৃসংশ ভয়াবহ নিরব হুমকি যে প্রাণ ভয়ে বিমানের চাকায় ঝুলে ঝুলে পালিয়ে যেতে হবে!
তাহলে এত এত নির্বাচনের পর উনি এখনো জীবিত থাকেন কিভাবে?
আসিফ নজরুলরা সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরি করছে, প্রমোশন হচ্ছে, প্রকাস্য লাইভ টকশো করছে, টিভিতে প্রতিরাতে সরকারের মুন্ডুপাত করে চলছে। কেউ তাকে কিছু বলেছে, কেউ গ্রেনেড মেরেছে?


কাপুরুষরাই পালায়, খুনিরাই পালায়। মুক্তিযুদ্ধ করা বীরের জাতি কখনো পলায়ন করে না।
বাংলাদেশ থেকে পালানোর রেকর্ড একবারই ছিল, সেটা জেল হত্যার পর হত্যাকারিদের সে রাতেই পলায়ন।
সেটা খুনিদের দল ও খুনিদের চিফ ক্ষমতাসীন থাকাকালিন নিরাপদ পরিবেশ থাকা সত্তেও পলায়ন।

মুক্তিযুদ্ধ করা বীরের জাতি কখনো পলায়ন করে না। পালায় না, বরং ফিরে আসার রেকর্ড আছে।
শেখ হাসিনা যখন ফিরে আসে তার দল বিচ্ছিন্ন বিপর্যস্ত। পিতার খুনিদের চিফ ক্ষমতায়,
খুনির হাতের রক্ত তখনো শুকিয়ে যায় নি, ইতিমধ্যেই ২ হাজার সহকর্মি সামরিক অফিসারের গর্দান নিয়েছেন। কু পালটা কু এর নামে খতম করে যাচ্ছেন, সংক্ষিপ্ত বিচারের নামে একের পর এক ফাঁসিতে ঝুলাচ্ছেন, সেই কঠিন সময়টায় শেখ হাসিনা ফিরে আসেন, নেকড়ের খাচায় একাই ফিরে আসেন। ভয় পান নি।
সুতরাং আসিফ নজরুল। ভয় দেখাবেন না।

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:১৫

হাসান জাকির ৭১৭১ বলেছেন: দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে এখনো এরকম কিছু অপদার্থ টিকে আছে!! শেইম............

১৯ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:৩৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
হিপোক্রেসিতে ভরপুর।
ফেয়ার ইলেক্সান চায়, আবার তালেবানি একনায়কতন্ত্র গলা কাটা আইনও চায়।

২| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:২৭

আমি নই বলেছেন: আরে হাসান ভাই সবার কথা মনে নিতে নাই ভাই, কিছু কথা একান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতে হয়। একজন সত্যিকার দেশপ্রেমিক হিসেবে আপনি বরং টিকা চোরের ব্যাপারে কিছু লেখেন, ২৬০০ টিকা চুরি করল অথচ কিছুই হলনা!!! এটা কেমন কথা ভাই। আপনার কি মতামত এ ব্যাপারে??

১৯ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১০:১১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
যে দেশে বালিশ চুরি হয় টিকা এর আওতার বাইরে থাকবে কেন?

চুরি করল অথচ কিছুই হলনা! এটা ভুল বললেন।
২৬০০ টিকা টিকা চুরি হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ নিজস্ব তথ্যপ্রযুক্তি ব্যাবহার করে দক্ষতার সাথে চোর কে পাকড়াও করেছে।

৩| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:৫৫

এ আর ১৫ বলেছেন: বর্তমান সরকার যদি ভারতের দালাল হয় , তাহোলে তাদের যদি পালাতে হয় তখন এয়ারপোর্টে না আসলেও চলবে , বর্ডার ক্রশ করে ভারতে প্রবেশ করার লক্ষ লক্ষ রুট আছে এবং যে কোন সময়ে বর্ডার ক্রশ করে দেশে ফিরে আসতে ও পারে ।
এমন কি বিএনপি জামাতের লোকজন ও ভারতে পালিয়ে গিয়েছিল বর্ডার ক্রশ করে ।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১:১১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ফেয়ার নির্বাচন হলে সবাই ফেয়ার থাকার কথা। পরিবেশ ফেয়ার হওয়ার কথা।
দাংগা হাংগামা হবে কেন? আর মানুষ পালাবেই বা কেন?

এজাবৎ এত নির্বাচন হয়ে গেল পর কেউ পালাইছিল?
২০০৮ ডিসেম্বরের নির্বাচনটি ছিল হাজার বছরের বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে নিখুত সবচেয়ে ফেয়ার নির্বাচন।
আপনার বা আমার জীবদ্দশায় এর চেয়ে ভাল নির্বাচন আর দেখে যেতে পারবেন বলে মনে হয় না।

সেই নির্বাচনে
বায়োমেট্রিক ইনফরমেশন সহ ভোটার আইডি কার্ড
ছবি সহ ভোটার লিষ্ট,
ইউএন্ডিপি থেকে প্রদত্ব ট্রাস্প্যারেন্ট, টাই স্ট্রাপ আধুনিক সিলগালা, ব্যালট বক্স
সকল প্রতিনিধির সামনে ভোট গুনে এককপি রিটার্নিং অফিসারের কাছে, এককপি পাবলিকের জন্য পিডিএফ আপলোড, আর এককপি ভোট কেন্দ্রের দরজায় আঠাদিয়ে লাগানো।
সব নিখুত। সবাই সন্তুষ্ট নির্বাচনের দুই দিন পর্যন্ত।
দুদিন পর পরাজিতদের গতানুগতিক অসোন্তোষ থাকলেও কেউ পালায় নি।

৪| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৩৮

রানার ব্লগ বলেছেন: ভাগের আটা কম পরলেই আসিফ নজরুল উত্তেজিত থাকে

৫| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:৫১

সাজিদ! বলেছেন: সব বুঝলাম, প্রশ্ন একটাই। অপ্রাসঙ্গিক।

তিতলী কি পারবে পরীমনির কান্না থামাতে?

১৯ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৩১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
হয়েছিলেন শ্লীলতাহানির শিকার।
সহকর্মিদের নিয়ে একটি ক্লাব/রেষ্টুরেন্টে পানাহার করছিলেন। প্রায় নির্জন রেষ্টুরেন্টে একটু দুরের টেবিলে ৪-৫ জন বসা।
সেই টেবিল থেকে হঠাত অসোভোন আমন্ত্রন। আত্নস্মমান বোধ সম্পন্ন যে কেউ এই অসভ্যতার প্রতিবাদ করবে। পরিমনির দোষ চিনতে পারেন নি যে উনি এই রেষ্টুরেন্টের মালিক।

হতভাগ্য পরিমনি কিছু ধনী মদখোরদের হাতে মারধর লাঞ্ছিত হয়ে বিচার চেয়েছিলেন।
আইনের আশ্রয় নিয়েছিলেন। এটাই তার অপরাধ
কিন্তু বোটক্লাব মালিক বিশাল ব্যাবসায়ী+রাজনৈতিক নেতা। আর ভবন মালিক নৌবাহিনি কল্যান সমিতি,
কিন্তু এত বিশাল দানবদের সাথে পেরে উঠেন নি।

পরিমণির বিরুদ্ধে এজাবৎ প্রাপ্ত অভিযোগ ৮ বোতল মদের।
যার লাইসেন্স ছিল, লেট ফি দিয়ে রিনিউ অপসান ছিল।
এ জন্য তাকে মাসের পর মাস জেলে বারবার ৩ বার রিম্যান্ড! মানে ৩ দফা রাতভর পিটানো।
র‍্যাব দিয়ে রিমান্ড, কারন র‍্যাবে সেনা কর্তা আছে, নৌবাহিনি কল্যান সমিতিও সেই কর্তারাই চালায়।

আইনত বিজিবি বা র‍্যাবের তদন্তের অধিকার নেই কারন এরা মুলত স্ট্রাইকিং ফোর্স, গোলাগুলিতে পুলিশ কুলিয়ে উঠতে না পারলে এদের ডাকবে। তদন্ত করবে পুলিশ ও পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। নট র‍্যাব বিজিবি।
আর বিচারক অভিযোগের মাত্রা অনিযায়ী সিদ্ধান্ত দিবেন মামলার মেরিট আছে কি নেই, মামলা চলবে কি চলবে না।
অবৈধ প্রভাব না থাকলে বিচারক বলতেন এটা তো কোন মামলাই হওয়ার কথা না, লেট ফি দিয়ে ১০ দিনের ভেতর রিনিউ করার অর্ডার দিয়ে ৮ বোতল মদ সহ খালাস দিতেন।


৮ বোতল বৈধ মদের জামিন হয় না। আর গুলি করে, আহত করে পালিয়ে থাকা আসামি, ১ সেকেন্ডের জন্য আদালতে হাজির না হয়েও রিমান্ড তো দুরের কথা, জামিনও না একদম বেকুসুর খালাস পায় খুনের আসামি শিকদার ব্রাদার্সরা,
বসুন্ধরার আনভীরকেও রিমান্ড দেয় না উলটো ফাইল থেকে মামলা থেকে অব্যাহতি,
সেজান জুসের হাশেমকেও ১ দিনেই ছেড়ে দেয় - রিম্যান্ড, বিচার লাগে না।

আপনাদের মত নারী হেটার্স সেনা লাভার্সদের উলংগ সমর্থনে। চোখের সামনে প্রভাবশালীদের কাছে টাকার পাহাড়ের কাছে একটা দেশের বিচার ব্যবস্থা সম্পুর্ণ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে - আপনাদেরর চোখের সামনেই।

৬| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:০০

নূর আলম হিরণ বলেছেন: আসিফ নজরুল খুবই বিদঘুটে নোংরা মস্তিষ্কের মানুষ।

১৯ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৫৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: - true

৭| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৫:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:



আসিফ নজরুল জামাতী টাকা-পয়সা পাচ্ছে, কিন্তু আপনার থেকে দেশের অবস্হা ভালো বুঝে।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:০৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: আপনার কি মাথার সমস্যা?
কোথায় আসিফ নজরুল কোথায় আমি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যাপিঠের আইন বিষয়ক বিভাগের অধ্যাপক জনাব আসিফ নজরুল।
আমি কে? বাংলাদেশে খেটে খাওয়া সাধারন চাকুরিজীবি ছিলাম, এ দেশে একজন দিনমজুর।

৮| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১৩

ফুয়াদের বাপ বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিদ্যাপিঠের আইন বিষয়ক বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। যার হাতে শিক্ষা নিয়ে শত-হাজার আইনজীবী তৈরি হচ্ছে, তার জ্ঞান বোধ করি আম জনতার অনেক উর্দ্ধে। সে দেশ বিরোধী/আইন বিরোধী কিছু বলে থাকলে তাকে আইনি প্রক্রিয়াতে শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। সরকারের ত্রুটি সনাক্ত করে যেই লেভেলে সমালোচনা করে তাকে সুযোগ পাইলে তাকে যে কোন সরকার শায়েস্তা করতো।

২২ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:১৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ফুয়াদের বাপ বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিদ্যাপিঠের আইন বিষয়ক বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। যার হাতে শিক্ষা নিয়ে শত-হাজার আইনজীবী তৈরি হচ্ছে, তার জ্ঞান বোধ করি আম জনতার অনেক উর্দ্ধে।



এত উর্দ্ধ মানব জনাব আসিফের কাছে কিছু প্রশ্ন :

তালেবানিরা নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় এসেছে, নাকি বন্দুকের নলে ?

আপনি কি BNP কে তালেবানি দের সাথে তুলনা করলেন ?
এতে কট্টর পন্থী প্রচলিত আইন গণতন্ত্র অবিস্বাসী তালেবানের কাবুল দখল কে বাংলাদেশে BNP র ক্ষমতায় ফিরে আসার সাথে তুলনা করে BNPর মতো গণতন্ত্রে বিশ্বাসী দল কে হেয় করে দেখানো হলো?

তারমানে বাংলাদেশ এ সুস্থ নির্বাচন হলে জঙ্গিতন্ত্র ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হবে আর বিপক্ষ সবাইকে দেশ ত্যাগ করতে হবে ?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিদ্যাপিঠের আইন বিষয়ক বিভাগের এই অধ্যাপকের কি ভয়ানক উক্তি।


আর অন্যদিকে দেখলে আসিফ সাহেব যা বললেন তাতে আফগানী আম জনতাকে খাটো করে দেখালেন,
শহরবাসি একটু শিক্ষিত শ্রেনি শিল্পি খেলোয়াড় চাকুরিজীবি যারা প্রাণ ভয়ে কাবুল এয়ারপোর্ট এ গেছিল জঙ্গিদের বন্দুকের হাত থেকে বাঁচার আকুতি নিয়ে। তাদের প্রতি নিষ্ঠুর বিদ্রুপ করলেন।

আসিফ সাহেব তাত্বিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বা দেশের মোল্লাতন্ত্রে গা ভাসিয়ে আলকায়দা-তালেবানি দর্শন কে সমর্থন করতে পারেন, সেটা তার ব্যক্তিগত বাকস্বাধীনতা তাতে কোনো আপত্তি নাই।
কিন্তু উনি নিশ্চয় এই কঠিন সময়টায় আফগানিদের নিয়ে উপহাস করতে পারেন না,
বিপদগ্রস্থ নিরুপায় আফগানী জনগণের প্রাণ বাঁচানোর অকুতি কে নিয়ে বিদ্রুপাত্বক মন্তব্য করতে পারেন না।


আর আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশে উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন পার্টি নয়, যে নির্বাচনের পর তাদের তল্পিতল্পা নিয়ে পালতে হবে!!

ক্যান্টনমেন্টে বসে খুনিদের এক রাতে তৈরি করা বসিয়ে দেয়া কোন দল নয়।
সামরাজ্যবাদি দখলদার সেনাবাহিনীর তৈরি কোন দলও না।
উপনিবেশিক দখলদার শক্তির বলে আবির্ভুত কোন দলও নয়।

৯| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪১

সাইয়িদ রফিকুল হক বলেছেন: এদের সমস্যা মানসিক। মান্যবর চাঁদগাজী-সাহেব তার সম্পর্কে সত্যটাই বলেছেন:

চাঁদগাজী বলেছেন:

আসিফ নজরুল জামাতী টাকা-পয়সা পাচ্ছে, কিন্তু আপনার থেকে দেশের অবস্হা ভালো বুঝে।




আসিফ নজরুল জামাতী টাকা-পয়সা পাচ্ছে, কিন্তু আপনার থেকে দেশের অবস্হা ভালো বুঝে।

১০| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫৪

সাইয়িদ রফিকুল হক বলেছেন: এদের সমস্যা মানসিক। এরা চিরদিন ভুলপথেই হাঁটবে।

এখানে, একটি কথা: আমি চাঁদগাজী-সাহেবের মন্তব্যের প্রথম অংশ সমর্থন করে দ্বিতীয় অংশ সম্পর্কে কিছু দ্বিমত লিখেছিলাম। কিন্তু আমার মন্তব্যের পুরো অংশ প্রকাশিত না হয়ে আংশিক প্রকাশিত হয়েছে। এজন্য ভুল বুঝবেন না। আমার আগের মন্তব্যটি মুছে দেওয়ার জন্য ব্লগ-কর্তৃপক্ষের কাছে ‍রিপোর্ট করেছি। আশা করি, তারা মুছে দিবেন। ধন্যবাদ ভাই।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:৩৪

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ওকে, সমস্যা নেই। ভাল থাকবেন।

১১| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৩৪

কলাবাগান১ বলেছেন: আসিফ নজরুল এর দোষ কি ....এই ব্লগেই যেভাবে তালিবান বন্দনা চলছে....

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১:৩১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
হ্যা সেটাই।
সোশাল মিডিয়াতে বিভিন্ন কমেন্ট দেখলে মনে হয় এরা মোল্লাওমরের চেয়েও এককাঠি বেশী তালেবান।
বেশিরিভাগই শিক্ষিত হিপোক্রেট।
বাংলাদেশের একাংশ সত্যই হিপোক্রেসিতে ভরপুর।

এরা ফেয়ার ইলেক্সান চায়, আবার তালেবানি কট্টর আইনও চায়।
একদিকে হেফাজত মামুনুলদের সমর্থন করে, আরেকদিকে নারীশিক্ষা নারী চাকুরি নিশ্চিত চায়।
একদিকে কট্টর আওয়ামী বিরোধিতা আরেকদিকে এক আওয়ামী যুবলীগ ব্যারিষ্টার নেতাকে অকুন্ঠ সমর্থন।
সারাক্ষন বাকশালী পুলিশের নিন্দা, পুলিশি নির্যাতনের নিন্দা, অন্যদিকে ঝুমন দাশ, পরিমনি্র উপর পুলিশি নির্যাতনের প্রসংসা। পুলিশের প্রসংসা র‍্যাবের প্রসংসা উপচে পরছে।

১২| ১৯ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১১:৩৭

আমি নই বলেছেন: চুরি করল অথচ কিছুই হলনা! এটা ভুল বললেন।
২৬০০ টিকা টিকা চুরি হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ নিজস্ব তথ্যপ্রযুক্তি ব্যাবহার করে দক্ষতার সাথে চোর কে পাকড়াও করেছে।


কি বলেন ভাই!! এত বড় ঘটনা ঘটল কবে?? কোনো পেপারেই আসলনা!!! আপনি বলতে চাচ্ছেন হুইপ সামশুল আর তার ভাই এখন কারাগারে???

৮ বোতল বৈধ মদের জামিন হয় না।
আজগুবি কথা কই পান?? নিজেই বানান?? ওনার বাসা থেকে ১৮ লিটার মদ উদ্ধার হয়েছিল, ৮লিটার কই পাইলেন?? ১০ লিটার পর্যন্ত আইগত ভাবে বৈধ।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:২৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
আপনি এখনো বোতল গুনতে ব্যাস্ত?
টিভিতে ৮ বোতল ভরা বোতল দেখেছিলাম, বাকি ৮-১০টা খালি বোতল দেখেছি। বা চোখে কম-বেশি দেখা হতে পারে।

১০ লিটার ভাবে সেটা একজনের জন্য।
লাইসেন্স থাকলে ১০০ বোতল সমস্যা না। একটা জন্মদিনের পার্টিতে কার্টন বোঝাই এক দেড়শো বোতল সাবাড় হয়ে যায়। আমন্ত্রিত অতিথিদের লাইসেন্সে সেটা বৈধতা পায়। আইন সবার জন্য সমান। সেটা ঢাকা ক্লাবের সদস্যদের জন্য যেই আইন পরিমনির জন্যও একই আইন প্রযজ্য।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:৩২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

ঢাকার উত্তরায় অবৈধভাবে টাকার বিনিময়ে করোনাভাইরাসের টিকা দেয়ার অভিযোগে একজনকে আটক করার পর মামলা দায়ের করছে পুলিশ। বিবিসি
view this link

১৩| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:০৩

সাজিদ! বলেছেন: আমার এই নিকে মাঝে মাঝে শালীনতার মধ্যে থেকে অশালীন মন্তব্য করি। তবে মোটেও আমি নারী বিদ্বেষী নই।

আসিফ ভাইয়ের সাথে পরীবাদীদের তো মিল থাকার কথা না।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:২৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: ভাই কিছু মনে নিবেন না। আপনাকে কিছু বলিনি,

দীর্ঘ কমেন্ট মনের দুঃখ্যে লিখেছি, সমাজ কে উদ্দেস্য করে।

১৪| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:৩৪

স্প্যানকড বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লে বা পড়ালে কি সে বিশেষ গোত্রের কিছু ? গোলাম আজম ঢাকা ভার্সিটির! তুখোর জনপ্রিয় ছাত্র নেতা ঢাকা ভার্সিটির ! আসিফ নজরুল পেইড দালাল ! যদিও কথাটা খারাপ তবু বলছি। উনি একতরফা ভাবেন। ভালো থাকবেন এবং সুস্থ ও নিরাপদ জীবন যাপন করুন।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ ভোর ৪:০৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
তালেবান আলকায়দা আলবদর সমর্থন থাকলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাগে না।

১৫| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ ভোর ৪:৪০

আমি নই বলেছেন: হুমম বোতল সংক্রান্ত ব্যাপারে আপনার কথাও ঠিক হতে পারে (খাইনা বিধায় জানিওনা), আমি জাষ্ট পেপারে আসা পুলিশের বক্তব্য বলছিলাম।

টিকা চুরির ব্যাপারে এই সংবাদে আপনার মতামত আশা করি।
https://www.kalerkantho.com/online/national/2021/08/18/1064694

আমার করা কোনো মন্তব্যই আপনার পোষ্ট সংক্রান্ত নয়, আমি আসলে বুঝাতে চাচ্ছিলাম আসিফ নজরুলের সামান্য ফেসবুক পোষ্ট এর চাইতেও হাজার গুন বেশী গুরুত্বপুর্ন ঘটনা ঘটছে যেগুলোতে আপনার কোনো পোষ্ট/মতামত থাকেনা। এই দিক থেকে বিবেচনা করলে আপনার আর আসিফ নজরুলের মাঝে খুব বেশি তফাত নেই।

ভাল থাকবেন।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:০৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
রিপোর্ট পড়ে যা বুঝলাম, টিকা চুরি হয় নি। টাকা চুরি।
পটিয়ার বিভিন্ন বয়সী প্রায় ২৬০০ মানুষকে টিকা দেয়ার সময়ে অল্প কিছু বা বেশ কিছু বা সব মানুষকে টাকার বিনিময়ে সিরিয়াল ভেঙগে টিকা দেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলছে অভিযোগের সত্যতা এখনো পাওয়া যায় নি। তদন্ত শেষ হয় নি।

১৬| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: আসিফ নজরুল, সলিমুল্লাহ সাহেব একই পথের পথিক।

২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:৩৯

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

আসিফ নজরুল, এই একটা হারামি।
তবে এককালে এই আসিফ নজরুল ও যায়যায় দিনের সফিক রেহমান ঘোরতর ভাবে রাজাকার বিরোধী মুক্তিযুদ্ধ সমর্থক ছিল
গোলাম আজমকে ফাসি দিতে গন আদালত গঠনে সফিক রেহমানের ও যায়যায়দিনের লেখার অবদান বিশাল।
আসিফ নজরুলও গন আদালত গঠনে অন্যতম পরিশ্রমি মুখ্য সংগঠক ছিলেন।
আনফরচুনেটলি পরে কিন্তু দুজনই জামাতি অর্থের কাছে মাথা বিক্রি করে ফেলেছিলেন। একজন তো দেহ সহ মাথা বিক্রি করেছেন।

সলিমুল্লাহ সাহেব মাথা এখনো বেচেন নি। তবে দরাদরি চলছে বোঝা যায়।
সলিমুল্লাহ সাহেব কথা একটু বেশী বলেন, তবে মাঝে মাঝে আলবদরদের ছানাপোনাদের লম্ফঝম্ফ করতে পক্ষে চিপা দিয়ে একটা পিন মারেন। এটা জনপ্রিয়তা হিট বাড়ানোর জন্য। তবে ওনার নলেজ প্রচুর, অনেক লেখাপড়া করেন বোঝা যায়। আর ওয়াজিন ভাইদের মত সুবক্তা। মানুষ আকর্শিত হয়। দেখা যাক উনি কতদিন মাথা বিক্রি না করে চলতে পারেন।
ধন্যবাদ ভাইয়া।

১৭| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১:৩০

কুশন বলেছেন: আসিফ সাহেব বিরপেক্ষ লোক না। সমস্যা এইখানেই।

১৮| ২০ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৩:২৯

নূর আলম হিরণ বলেছেন: চাঁদগাজী বলেছেন, “আসিফ নজরুল দেশের অবস্থা ভালো বুঝে।” সত্য তবে সে বুঝে সেই অনুযায়ী মন্তব্য করে না, মন্তব্য করে যেভাবে দেশ ও সরকার বিরোধীরা চায়। তার এই বুঝার কোনো লাভ নেই।

১৯| ২১ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ২:৪৬

মোঃমোজাম হক বলেছেন: আওয়ামি লিগের সেকেন্ড ম্যান ওবায়দুল কাদেরও কিন্তু বলেছিল, আওয়ামীলিগ হারলে সবাইকে পালিয়ে যেতে হবে। তার বক্তব্যের বিরোধিতা কেউ করেনি। দোষ সব আসিফ স্যারদের।
২০০৮ সালের সেই বেস্ট নির্বাচনের পর ২টা নির্বাচন আপনার চোখ ফসকে বেরিয়ে গেল কেন ? :P

আওয়ামীলীগ হারলে তার অনুসারীরা যে পালিয়ে থাকে তার উৎকৃষ্ট উদাহরন হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের শামিম ওসমান এবং বরিশালেরআবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। তারা নৌকা জেতার পর দেশে ফিরে এসেছিল।আরো অনেকেই আছে এই তালিকায়

২২ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:২৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ওবায়দুল কাদেরের ধারনা সঠিক,
আওয়ামীলিগ হারলে সবাইকে পালিয়ে যেতে হবে। কারন পুর্ব ইতিহাস বলে বিএনপি-জামাত বিরোধি নির্মুল রাজনিতীতে বিশ্বাস করে। বিএনপির ছোটবড় রাজনীতি করা লোকজন প্রায়ই বলে ফেলে "এবার আর ভুল করা যাবে না, গুষ্টিসুদ্ধো শেষ করতে হবে"।
সোশাল মিডিয়াতেও বিএনপি পন্থিরা এরচেয়ে স্পষ্ট ভাবে মনের ভাব প্রকাশ করে। আমার খুব কাছের আত্নিয় বাসার ডাইনিং টেবিলে আমার খালা বলছিল, "ডালিম কেন যে দুটা কালসাপ বাচায় রাখছিল"
আর রিসেন্ট শহিদুল আলম ও আসিফ নজরুল তো স্পষ্ট ভাবেই বলে দিয়েছে।
বার বার এসব বক্তব্য আসার পরও কেন্দ্রিয় বিএনপি থেকে এই সকল বক্তব্য ডিনাই করে স্পষ্টভাবে কোন নিরাপত্তার আস্বাস দেয়া হয় নি। বরং বলেছে আওমীলীগের এত ভয় কিসের? চোরের মন পুলিশ পুলিশ।

১৫ই আগষ্ট বঙ্গবন্ধু সহ ৬২ জন হত্যা, এর ৩ মাস পর জেল হত্যা।
এরপর দফায় দফায় সেনা বাহিনী ও বিমানবাহিনী থকে ২০০০ সেনা ও বিমান সেনা খতম চলমান ছিল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

এরপর বার বার ১৫ই আগষ্টের হুমকি দেয়া হচ্ছিল।
নিরু-বাবলু সময় থেকেই সকল ছাত্র দলের মিটিংএ প্রথম বক্তব্য ছিল - "হাসিনা, তোমার পিতার পরিনতির কথা ভুলে যেওনা "
২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলা, সিলেটে অর্থমন্ত্রী কিবিরিয়া কামরানে উপর গ্রেনেড হামলা, শামিম ওসমানের ইন্ডোর মিটিঙ্গেও গ্রেনেড হামলা, তার পাঞ্জাবির ভেতরে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল বলে বেচে যায়।
এরপরও ১৯ বার হাসিনাকে হত্যা প্রচেষ্টা হয়েছে। সব চেষ্টায় বিফল হয়ে অথর্ব বিএনপি এখন স্বাভাবিক মৃত্যুর জন্য বা করোনামৃত্যুর জন্য আকাশের পানে তাকিয়ে আছে।

ছাত্রলীগ বা আওয়ামীলীগের মিটিংএ কখনোই এই বক্তব্য পাবেন না যে -
খালেদা/তারেক/ মির্জা ফকরুল তোমরা ভাল হয়ে যাও নতুবা জিয়ার মত পরিনতি হবে।

২২ শে আগস্ট, ২০২১ দুপুর ১২:০১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ২টা নির্বাচন নিয়ে খুব বেশী বলার নেই

২০১৪ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন করে নি, তাই বিএনপি বাদেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কারচুপির প্রশ্নই আসেনি। একতরফা নির্বাচনে কারচুপির দরকারও হয় নি। যদিও ২০১৪ নির্বাচনকে বিএনপি কারচুপিমুলক বলে থাকে।

তবে ২০১৮-১৯ নির্বাচনে বিএনপি জোটের ব্যাপক প্রস্তুতি ছিল।
মুল নেতা ড কামাল হোসেন, ও ড জাফরুল্লা রব মান্না ও ড বদরুদদোজা দের নিয়ে বিপুল শক্তিশালি মনে হচ্ছিল।
কিন্তু বিধি বাম। সম্মেলনের আগের দিন হটাত অজ্ঞাত কারনে (জামাতের নির্দেশে) ড বদরুদদোজাকে বাদ দেয়া হয়, জোটের মনবল সেই দিনেই অর্ধেক কমে যায়।
এর পর জোটের সিনিয়র নেতারা বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে বার বার জামাতে ইসলাম জোটে নেই বলে মিথ্যাচার আর লুকোচুরি করতে থাকেন, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ মাস জামাতের সংস্লিষ্টতার ব্যাপারে মিথ্যাচার করে গেছেন অকারনে।
ড কামাল শহিদ মিনারে মেজাজ হারিয়েও সত্য লুকিয়েছেন। ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন ও মেজাজ হারিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে এক মহিলা সাংবাদিককে জঘন্য গালি দেন। এরপরেও জোটের নেতারা জামাতে ইসলাম নিয়ে লুকোচুরি মিথ্যাচার চালা্তে থাকেন, নির্লজ্জ ভাবে।
অতচ প্রথম থেকেই যদি বলা হোত - "কিছু কারনে এখুনি আমাদের পলিসি চেইঞ্জ করতে পারছিনা, গতবারের মত এবারও জামাতে ইসলাম আমাদের জোটে আছে, থাকবে"। ব্যাস কাহিনী শেষ। এত মিথ্যা বলতে হয় না, এত প্রশ্নের জবাবও দিতে হয় না।

নির্বাচনের দুদিন আগে জামাতকে ২৫ সিট ছেড়ে দেয়ায় অনেকে হতবাক হয়ে যায়। জোটের মনবল অর্ধেক হয়ে যায়।
অজ্ঞাত কারনে মুল নেতা ড কামাল, জাফরুল্লা নির্বাচনে দাড়ান নি, এখানেইতো বিএনপি সমর্থকরা মনস্তাত্তিক ভাবে আরো পিছিয়ে পড়ে।
সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সহ কয়েকজন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব পর্যায়ের সিনিয়র নেতা নির্বাচনে দাড়ান নি, তাদের ব্যাপারটা ছিল আমাদের মত জনপ্রীয় নেতাদের ১০ কোটি টাকা দিয়ে সিট কিনতে হলে সেই নির্বাচন আমরা করবো না।
ফকরুলের মত টপ বিএনপি নেতার কাছেও টাকা চাওয়া হয়েছিল, টাকা দিতে না পেরে নির্বাচনে জিতেও সিট ছেড়ে দিয়েছিলেন মির্জা ফকরুল, পরে টাকা দেয়া লোক জিতে সংসদ সদস্য হয়েছে। সব মিলেই হতাসাজনক পরিস্থিতি, সবদিকেই বিধ্বস্ত ভগ্ন মনবল।

বিএনপি পন্থিদের ধারণা ছিল আওয়ামী লীগের গত দশ বছরে বিরক্ত হয়ে দেশের বেশিরভাগ মানুষেই আওয়ামী লীগ বিরোধী হয়ে গেছে। তাই বিএনপিকে ভোট দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ''নীরব'' ভোটার! বিএনপির আশা ছিল এই ভোটাররা ''নীরব বিপ্লব'' ঘটাবে।

বাস্তবতা হলো সেটি কখনোই ঘটবে না। ঘটা সম্ভবও নয়।
কারন আওয়ামী বিরোধীদের ভোট পেতে হলে বিএনপিকে শুধু আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ হলেই হবে না, পেশাধারি দক্ষ প্রচার জনবলে আওয়ামী লীগের সমান সমকক্ষ হতে হবে।

নির্বাচনের মাত্র ৩ দিন আগে অপ্রস্তুত নির্বাচন প্রচার শুরু করে, পোষ্টার লাগানো দূরে থাক পোষ্টার ছাপায় নি,
অযুহাত পোষ্টার ছাপাতে দেয়নি, গুমএর ভয়ে বাসায় বসে ছিল।
ভোটের আগে জোট গণসংযোগে সম্পুর্ন অনুপস্থিত ছিল। ভোটের সকালে নেতারা প্রার্থিরা ভোট দেয়া তোদুরের কথা ঘর থেকে বেরই হয় নি।
এদেশের নির্বাচনে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। বিম্পি প্রার্থিরা ভোট প্রচারনায় ১০টি টাকাও খরচ করেনি, এক কাপ চা ও না।
এজেন্ট দেয় নি, এজেন্ট দেয়ার মত অবস্থাতেই তারা ছিল না। এজেন্ট দিতে খরচ লাগে, বিনা পারিশ্রমিকে কার ঠ্যাকা পড়েছে এজেন্টগিরি করে মার খেতে?

আদতে তাদের কি পরিকল্পনা ছিল বোঝাই মুসকিল।
প্রচারের খরচ না করে হয়তো নির্বাচনে কারচুপি দেখিয়ে গন্ডগোল পাকানোই তাদের বেশি পছন্দের ছিল।

এছাড়া বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নিজেদের মধ্যে মনোমালিন্য কিংবা দ্বন্দ্ব, মতপার্থক্য এত প্রকট ছিল যে বাইরে প্রকাশ হয়ে যাচ্ছিল।
বিভ্রান্ত নেতাদের একের পর এক ফোনালাপ ফাঁস। পাকিস্তানি ফান্ড, পাকি গোয়েন্দাদের সাথে কথাবার্তা ফাস। নিজদলের কর্মিদের না পেয়ে শিবিরের কাছে হাত পাতার কথাবার্তা ফাঁশ।
বাংলাদেশে নির্বাচন করতে খরচ লাগে।
প্রতিটি দলের/প্রার্থির দলের প্রতি রুমে ১জন ও গেটে ৩ এজেন্ট থাকার কথা,
সে হিসেবে প্রতি স্কুল কেন্ত্রে কমপক্ষে ১০-১২ জন বিরোধী এজেন্ট থাকার কথা। ভোট গোনার সময়ও সব এজেন্ট থাকতে হয়, ইভিএম এর ভোটের পৃন্টেড স্লিপে এজেন্টের স্বাক্ষর লাগার কথা। অতচ ১ টা এজেন্টও দেখা যায় নি। নেই। এমনকি ভোটের রেজাল্ট জানতেও কাউকে পাওয়া যায় নি।
বিএনপি অবস্য দাবী করে এজেন্টে ছিল কিন্তু মারধর করে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
যদিও বিএনপির কোন এজেন্ট কেউ দেখেনি, কথিত তাড়িয়ে দেয়া এজেন্টের নাম, কোন বক্তব্যের ভিডিও বা ছবি কিছুই পাওয়া যায় নি। সামাজিক মাধ্যমেও দেখা যাই নি।
বর্তমান বাজারে হুমকি গনপিটুনি, মামলা মোকাবেলা করার সাহস সহ একজন এজেন্টের মজুরি ৫ হাজার টাকার বেশি হওয়া উচিত। বিএনপি এজেন্ট দেয় নি, এজেন্ট দেয়ার মত অবস্থাতেই তারা ছিল না। এজেন্ট দিতে খরচ লাগে, বিনা পারিশ্রমিকে কার ঠ্যাকা পড়েছে এজেন্টগিরি করে মার খেতে?
আওয়ামীলীগ এই অবস্থায় থাকলে এলাকার সবচে প্রভাবশালিকে এজেন্ট করে ২০হাজার খরচ করে হলেও রাখতো। প্রতি রুমে ব্যাকআপ আরো ৩ জন রাখতো।

নির্বাচন সময়টায় ভোট প্রচারনায় বিএনপি একদমই ছিলো না,
পোষ্টার লাগায় নি, লাগানোর চেষ্টাও করেনি। আসলে একটি পোষ্টারও ছাপায় নি, কথিত গুমের ভয় অযুহাতে (শুধু জোটের জামাতের পোষ্টার দেখা গেছে)
ভোটার স্লিপ বিতরনেও বিএনপি ছিলো না,
এদেশের নির্বাচনে কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। বিম্পি প্রার্থিরা প্রচারে ১০ টি টাকাও খরচ করেছে কিনা সন্দেহ ।
আমি যে এলাকায় থাকি সেখানে খোজ নিয়ে দেখেছি বিএনপি গণসংযোগে সম্পুর্ন অনুপস্থিত ছিল।

আর আওয়ামী লীগের প্রিপারেশন ছিল বছরব্যাপি ব্যায়বহুল শক্ত সুদুরপ্রসারি পরিকল্পনা।
ছিল জয়বাংলা থিম সং, সহ শত শিল্পি সেলিব্রেটি, মিডিয়া সোশাল মিডিয়াতে অর্থ খরচ করে ব্যাপক প্রচারনা নিয়ে সবকিছু নিয়ে জোড়দার ভাবে আওয়ামী লীগ।
বিম্পির তুলনায় আওয়ামী লীগ ব্যাপক পেশাধারি প্রচার জনবল অনেক বেশী থাকায়, নির্বাচনটি একচেটিয়া হয়ে গেছে। পঙ্গু সংখ্যালঘুদের যে দশা হয় বিএনপির তাই - হয়েছে।

ভোটের দিন ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আনার কাজে বিএনপি ছিলো না,
অজ্ঞাত কারনে বেশ কিছু সংখক বিম্পি প্রার্থী নিজের ভোট প্রদান করেননি। ভোটকেন্দ্রের কাছেও আসেন নি। বাসায় ছিলেন।
টিভিতে সাত সকালে ঢাকার এক ভিআইপি প্রার্থি মির্জা আব্বাস মিডিয়াতে শুদ্ধ ভাষায় বলে আমি আজ বাসায়ই আছি "আমি ভোট দিচ্ছি না"।
তাহলে তাদের তোদের মার্কায় ভোটটা দিবে কোন শালায়।
আমার মতে শুন্য ভোট পেলেও অবাক হওয়ার কথা ছিল না

আর সাধারণ মানুষ নিরব ভোটাররা এদের এসব ভ্যাজাল চায় না।
মানুষ গত ৫ বছর শান্তিতে ছিল, চোর খ্যাদাতে ডাকাত ঘরে ঢুকাতে চায় নি। হরতালও চায় না আরো ৫ বছর শান্তি চেয়েছিল।
সেটাই হয়েছে।

অর কারচুপি যে হয় নি তা বলছি না।
সাধারনত নির্বাচনে যেরুপ অনিয়ম বিশৃক্ষলা কারচুপি হয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দৃষ্টিকটু ভাবে বেশীই হয়েছে।
সেটা বিএনপি জোটের অনুপস্থিতি কারনেই হয়েছে ফিঙ্গার প্রিন্ট ভেরিফাই হয়ে ব্যালট কেড়ে সিল মারা হয়েছে, অতি উৎসাহি আওয়ামী এজেন্টের কারনে, যার প্রয়জনই ছিলনা। আরো অনেক অকারন অনিয়ম দেখা গেছে, সেটা বিনপির লোকজন থাকলে হত না। তবে সার্বিক ভাবে ভাল না হলেও একটি সন্তোসজনক ফেয়ার নির্বাচন হয়েছে।
তবে এইটুকু নিশ্চিত বলা যায় এসব অনিয়ম না হলেও আওয়ামীলীগের বিপুল বিজয় ঠ্যাকাতে পারতো না বিএনপি-জামাত।

২০| ২২ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ৩:৩০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


অধ্যাপক আসিফ নজরুল ভালো লেখক।

উনার লেখা পি,এইচ,ডি'র দিনগুলি বইটি পড়লে বুঝা যায়- উনার সিঝোফ্রেনিয়া আছে।

২২ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৭:৫৩

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
অধ্যাপক আসিফ নজরুল ভালো লেখক।
উনি যত বড় জ্ঞানী হোক।
আপনি কি তার সেই বক্তব্যের সাথে একমত?

২১| ২২ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ৮:১২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:


মজার ব্যাপার হচ্ছে- যারা হেলুসিনেশনে রোগে ভুগেন, তারা অনেক সময় অনেক কিছু আগে-ভাগেই দেখতে পান।

উনি কি দেশের দুর্নীতিবাজ আর নব্য মোশতাকদের কথা বুঝিয়েছিলেন?

২২| ২২ শে আগস্ট, ২০২১ বিকাল ৪:০৩

মোঃমোজাম হক বলেছেন: আমি ২০১৮সালের নির্বাচনে দেশে ছিলাম। আপনি কি ছিলেন নাকি পেইড লোক হিসেবে আজাইরা তক্ক করছেন? :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.