নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলছে চলবে

হাসান কালবৈশাখী

আমি দুর্বার, আমি ভেঙ্গে করি সব চুরমার। আমি কালবৈশাখীর ঝড়! আমার ফেসবুকইডি www.facebook.com/norwstorm

হাসান কালবৈশাখী › বিস্তারিত পোস্টঃ

মেটিকুলাস ডিজাইনের নিজেরা নিজেরা নির্বাচন

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:৩৬

বাংলাদেশের জামাতের সমর্থন কতটুকু?
এযাবৎ পাকিস্তান আমল থেকে ৭৫ বছরের ইতিহাসেএ দেশে বর্তমানে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে কোন নির্বাচনে জামাত ৪ - ৫% এর বেশি ভোট পায়নি।
২০০৮ এর ফটো আইডি ভিত্তিক ভোটে জামাত পেয়েছিল ৪.০৭%
জামাতের জন্মস্থান পাকিস্তানেও জামাতের পপুলারিটি আরো কম।
কথিত জুলাই আন্দোলনেও অফিসিয়ালি জামাত ছিল না। আন্দোলনের মাঝে নেতার বারবার শিবির জামাতের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করা হচ্ছিল। কারন ঘৃনিত জামাত আন্দোলনে নেতৃত্বে আছে জানাজানি হলে আন্দলোন ভেস্তে যেত। তাই জামাত শিবির ছিল মেডিকুলাস ডিজাইনে গুপ্তভাবে।
বর্তমানে জামাত শিবির এমন কোন ভাল কাজ করে নি যে জামাতের ভোট বাড়বে, বরং কর্মজীবি নারীদের ঘরে আবদ্ধ করা, পেশাজীবি নারী দের বেশ্যা বলা ইত্যাদিতে জামাতের ভোট আরো কমেছে নিশ্চিত।

জামাত তো বাংলাদেশের কিছু না। জামাতের হেডকোয়ার্টার হচ্ছে পাকিস্তান।
জামাত নির্বাচন দিয়ে কি করবে? নীতিগত ভাবে জামাত নির্বাচন মানে না গণতন্ত্র মানে না।
জামাতের ম্যানফেস্টোতে গণতন্ত্রে চিহ্ন মাত্র নেই আছে আইএস আলকায়দা জঙ্গিদের মত একদলীয় সালাফি- ওহাবি ইসলামতন্ত্রের কথা ।
এরপরও কিছু শিক্ষিত নামের ছাগলরা ভাবছে জামাত জঙ্গিরা দেশের হারানো গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিবে।

মাত্র ৪% ভোটের জামাত অল্প কয়েকজন সেনাবাহিনীর লোককে হাত করে দেশটা দখল করলো।

বিশ্বাসঘাতক সেনা প্রধান।
সেনা প্রধান বিশ্বাসঘাতকতা না করলে, জামাত-শিবির কিছুই করতে পারতো না। কিছুই হতো না।
দেশ নর্মাল অবস্থায় জামাত শিবির জঙ্গিরা সবাই ভয়ে লুকিয়ে ছিল, লুঙ্গির তলে বা আন্ডারোয়েরের তলায়। ১৮ বছরের সাহস পায় নি লুঙ্গির নিচ থেকে উকি দেয়ার। শুধু অপেক্ষায় ছিল সেনাবাহিনীর।
অবশেষে আমেরিকার ডিপ্সটেটের ডলারের সাহায্যে সেনাপ্রধানকে বুক করা গেল।
সেনা প্রধানের এত জঘন্য বিশ্বাসঘাতকতা যে সম্মানিত শতাধিক নেতা কর্মি সাংবাদিক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, প্রধান বিচারপতি সহ অনেক বিচারপতি সেনা আশ্রয়ে থাকা লোকজনকে ক্যান্টনমেন্টে নিরাপদে আশ্রয়দান করে কিছুদিন পর একের পর এক নির্মভাবে মারপিট করে জঙ্গিদের হাতে তুলে দিয়েছিল এই সেনাপ্রধান।
জাহিলিয়ার যুগেও এতটা নৃসংসতা কখনো দেখা যায় নি, হাদিসে দেখা গেছে, ভুলক্রমে আশ্রয়ে থাকা চরম শত্রুকেও হত্যা করা হত না, নিরাপদ আশ্রয়ে পৌছে দেয়া হতো। কিন্তু এই জল্লাদ সেনা প্রধান করলো উল্টোটা। আনিসুল হক, দরবেশ বাবা, বিচারপতি মানিক সহ শতাধিক সম্মানিত নাগরিক কে জামাত শিবিরের পালিত জঙ্গিদের হাতে তুলে দেয়, (সুত্র ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াত) যাদের অনেককেই হত্যা করে লাস লুকিয়ে ফেলে, বাকি দের সীমান্তের কাছে নিয়ে কথিত পলায়ন নাটক তৈরি করে জেলে ঢুকায়।


কথিত জুলাই আন্দোলনেও অফিসিয়ালি জামাত ছিল না। আন্দোলনের মাঝে বারবার শিবির জামাতের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করা হয়েছিল। ছিল মেটিকুলাস ডিজাইনে গুপ্তভাবে। গুপ্তভাবে ছাত্রলীগের সাথে বিএনপির ছাত্রদলের সাথে।
জামাত চক্রান্ত করে বিশ্বাসঘাতক সেনাপ্রধান কে হাত করে এক নোবেল লরেট ইউনুসকে ভাড়া করে ক্ষমতা দখল করেছে।
এখন এই চার পার্সেন্ট ভোটের মালিক জামাত ডাকসু নির্বাচনের মত নীলক্ষেতে ব্যালট ছাপিয়ে কারচুপি করে নির্বাচনে জেতার মত স্বপ্ন দেখছে।
ভোট দিয়ে কোন লাভ হবে না।
কিসের ভোট দিবেন?
বান্ডেল পান্ডেল প্রবাসী পোস্টাল ব্যালট এসেছিল কিছু ব্যক্তিদের কাছে। ইন্ডিভিজুয়ালীও এসেছিল অগনিত সিরিয়াল নাম্বার রেফারেন্স নাম্বার বাদেই, অনেকেই দিয়েছে, বেশিরভাগই দেয় নি, না দিলেও ক্ষতি নেই, দিয়ে দেয়ার লোক রেডি আছে
ভোট দেওয়া অবস্থায় বান্ডিল বান্ডিল ব্যালট ফেরত গেছে।
দেশের ভিতরেও অগণিত পোস্টাল ব্যালটের বান্ডিল দেখা যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন প্রায় সবগুলোই জামাতি।
এটা ডাকসু নির্বাচনের মত ব্যালট সেটআপ করা নির্বাচন।
আপনি ভোট দিয়ে কোন লাভ হবে না। ওদের রেডি করা সেটআপ ব্যালট যেভাবে ডাকশু-চাকশু নির্বাচল ফলাফল হয়েছে সেভাবেই ভোটের বাক্স খোলা হবে।
কথিত গণভোট হা না রেডি করা ব্যালট তো রেডি আছেই।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৪৭

শ্রাবণধারা বলেছেন: কী সব লিখছেন! কাঠের গুঁড়ির মধ্যে থাকা বৃত্ত দেখে যেমন গাছের বয়স বোঝা যায়, আওয়ামীপন্থীদের বিভিন্ন পোস্ট দেখলে তারা কতদিন রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক থাকবে, তার একটা আন্দাজ পাওয়া যায়।

আপনার এই পোস্টটি পড়ে আমার মনে হলো, আপনারা কমপক্ষে ২০ বছর বাংলাদেশের রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক থাকবেন।

তবে আমি চাই, আপনারা পরিশুদ্ধ হয়ে, জংধরা মাথা ও কলুষিত হৃদয় পরিষ্কার করে, তার আগেই ফিরে আসুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.