| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহিউদ্দিন হায়দার
শব্দে আমার আশ্রয়, লেখায় আমার মুক্তি। এখানে আমি লিখি, ভেবে দেখি, আর খুঁজি মানুষের মনের গল্প।

আগমনের দিন ছিলো অভিনন্দনের বন্যা, বিদায়ের দিন হলো অভিনন্দন ছাড়াই বিদায় সংবর্ধনা।
তিনি এলেন পরিবর্তনের নায়ক সেজে, গেলেন অভিজ্ঞতার শিক্ষা হয়ে। শুরুতে মানুষ ভেবেছিল নতুন সূর্য উঠেছে। পরে বুঝলো, আলোটা ছিলো টর্চলাইটের ব্যাটারি।
ক্ষমতায় বসেই তিনি এমন ভাব নিলেন যেন দেশটা তার ব্যক্তিগত পরীক্ষাগার। নীতি কম, নাটক বেশি। কাজ কম, কথার আতশবাজি বেশি। বাস্তবতা যখন দরজায় কড়া নাড়লো, তখন বোঝা গেলো নেতৃত্বের মঞ্চে অভিনেতা দাঁড়িয়ে আছে।
সবচেয়ে বড় বিদ্রূপ হলো, তার আগমনে মানুষ হাততালি দিয়েছিল, আর বিদায়ে হাত তুলে বলেছে, “যাও, এবার সত্যিই যাও।”
রাজনীতির এই অধ্যায় আমাদের আবার মনে করিয়ে দিলো— মুখে প্রতিশ্রুতি থাকলেই নেতা হওয়া যায় না, কারণ জনগণ শেষ পর্যন্ত ফলাফল দিয়েই রিপোর্ট কার্ড বানায়।
২|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইউনুস স্যার একা কি করবেন? আশে পাশে সব গুপ্ত !
৩|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১৮
ক্লোন রাফা বলেছেন: @ সৈ. কু এটা এনজিও কিংবা বাংক না। দরিদ্র যাদু ঘরে পাঠানোর কারিগর। বাংলাদেশ’কে দারিদ্র্যের দোজখ বিনিয়ে বিদায় নিলেন।
৪|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৭
নাহল তরকারি বলেছেন: দেশ চালাতে রাজনীতি জানতে হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬
নিমো বলেছেন: ডাস্টবিন শফিক ও দোসর নূতব্ন চাকুরি পেয়েছে। আবর্জনার নাম দ্য ডেইলি ওয়াদা। এপি থেকে ওয়াদাকে উর্ধ্বগমন নাকি অবনমন বলবো
কুকুরটা এজন্যই জা-শির পক্ষে এত ফোঁপরদালালি করতো।