![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মনে করি, মহামানব বুশের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী অবশিষ্ট নাই। ইতোমধ্যে স্বয়ং ঈশ্বরকে তিনি পরাস্ত করে ফেলেছেন। ঈশ্বরও কিনা পরিমরি করে স্ব-আসন রক্ষায় বুশের পশ্চাদে দৌড়াচ্ছেন। ঈশ্বরেরও অধিক যিনি- অধর্তব্য, অস্পর্শ, অগন্তব্য যিনি সেই জগদ্বিখ্যাত বুশ, যার সম্মুখে সৃষ্টিকর্তাও নিচুস্বরে কথা বলেন, সেই অধিপতি বুশ কিনা জুতা নিক্ষিপ্ত হলেন। ভাবা যায়! পৃথিবীর মহামান্য প্রেসিডেন্টকে জুতা মারলেন কোথাকার কোন এক অখ্যাত টেলিভিশন চ্যানেলের অখ্যাত সাংবাদিক। সারা দুনিয়ার মিডিয়ায় ফলাও করে সুপার পাওয়ার আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে অপমানের নিকৃষ্টতম দৃশ্য দেখানো হলো। ঘটনাটি নানা দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের দরিদ্রপীড়িত দেশেও এ নিয়ে তোলপার। ফুটপাতের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে, হোটেল, চলন্ত বাস, মসজিদ, মার্কেট সর্বত্রই আলোচনার জমানো বিষয় এ ঘটনা। অল্প শিক্ষিত মানুষের ধারণা ঘটনার স্রষ্টা ওই সাংবাদিককে ফাসি দেওয়া হবে। তাদের মতে, যেই বুশের হাত আফগানিস্তান ও ইরাকে লাখ লাখ মানুষের রক্তে লাল, সেই দানব ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেবে না। কারো কারো ধারণা, তাকে গুয়ান্তনামোবে কারাগারে পাঠানো হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করে কয়েকদিনের মধ্যেই মিডিয়ায় ওই সাংবাদিককে আল-কায়েদার সদস্য জঙ্গী বলে প্রকাশ করলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
যা হোক, প্রেসিডেন্ট বুশ এই ঘটনাকে অত্যন্ত স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন। তিনি মোটেও ঘাবড়াননি। ভয়ও পাননি। তার জীবনে এর চেয়েও তিক্ত অভিজ্ঞতা নাকি আছে। আমরা জানতে উদগ্রীব, জুতা নিক্ষিপ্ত হওয়ার চেয়েও অপমানজনক, নিকৃষ্টতর তিক্ত অভিজ্ঞতা আর কী হতে পারে? আশা করি অদূর ভবিষ্যতে বুশ তার আত্মজীবনী লিখবেন। সেখানে তিনি তার এসব অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করবেন। তখন হয়তো আমরা জানতে পারবো আর কোথায় কোথায় বুশ কী কী নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। সেখানে থুথু কিংবা মল-বর্জ্য অথবা এর চেয়েও খারাপ কিছু নিক্ষেপের ঘটনা থাকলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তখন হয়তো আমরা একটি মূল্যায়নে পৌছতে পারবো জুতা নিক্ষেপের চেয়েও সেগুলো অপমানজনক ঘটনা ছিলো কিনা। স্বাভাবিক একটি বিষয় হলো, মার্কিনিরা এ ঘটনায় বেশ কৌতুক অনুভব করছেন। কৌতুক বিষয়টা আপেক্ষিক। কার যে কীসে কৌতুকবোধ হয় বুঝা মুশকিল। তবে আমেরিকানদের মতো বাংলাদেশীরাও বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ কৌতুক হিসেবে নিয়েছে বলে মনে হয়। ইরাকিরা এ ঘটনাকে কৌতুক নয় 'সিরিয়াস' বিষয় হিসেবে নিয়েছে। হাজার হাজার ইরাকি এ ঘটনার নায়ক সাংবাদিক জেইদিকে বীর হিসেবে আখ্যা দিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছে। আগেই বলেছি এ ঘটনার নানামুখী তাৎপর্য আছে। আমাদের দেশে পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন হিসেবে শিক্ষার্থীদের কাছে এর মূল্য আছে। কারণ ইতিহাসে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। এর আগে এরকমটি ঘটেছিল বলে জানা যায় না। ভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ প্রশ্ন হতে পারে, কিংবা ভাইভা বোর্ডেও প্রশ্ন হতে পারে- কোন দেশের প্রেসিডেন্টকে জুতা মারা হয়েছিল, তার নাম কী? সঠিক উত্তরাটার পাশে টিক চিহ্ন দাও।
১। পাকিস্তান, পারভেজ মোশাররফ
২। জিম্বাবুয়ে, রবার্ট মুগাবে
৩। যুক্তরাষ্ট্র, জর্জ বুশ
৪। বাংলাদেশ, এইচ এম এরশাদ
গিনেস রেকর্ড বুক কর্তৃপক্ষের কাছেও ঘটনাটি তাৎপর্যপূর্ণ। বোধ করি, মহা ব্রহ্মাণ্ডের অনুপম ঘটনা হিসেবে ইতোমধ্যেই তারা একে স্বীকৃতি দিয়ে গিনেস বুকভুক্ত করে ফেলেছেন।
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৪
মনই বলেছেন: বটে
২| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৪
এরশাদ বাদশা বলেছেন: চোখ বন্ধ করে তিন নম্বরটায় টিক চিহ্ন দিয়ে দেব।
৩| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৭
সত্যান্বেষী বলেছেন: Click This Link
৪| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: খিক খিক খিক
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫
মনই বলেছেন: বুঝলাম না...
৫| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: বুশকে জুতা মারার ঘটনা ইতিহাসের স্মরণীয় বীরোচিত ঘটনার একটি। ইরাকে কয়েক লাখ মানুষের নৃশংস মৃত্যুর জন্য দায়ী, ইরাকের অবকাঠামো তছসছ করার জন্য দায়ী, ইরাককে একটি নরকপুরীতে পরিণত করার জন্য দায়ী হেন বুশের বিরুদ্ধে দেয়ালে পিঠ ঠেকা ইরাকীদের এই ন্যূনতম প্রতিবাদ অবশ্যই ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৩
মনই বলেছেন: একমত
৬| ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: বুশকে জুতা মারার ঘটনা ইতিহাসের স্মরণীয় বীরোচিত ঘটনার একটি। ইরাকে কয়েক লাখ মানুষের নৃশংস মৃত্যুর জন্য দায়ী, ইরাকের অবকাঠামো তছসছ করার জন্য দায়ী, ইরাককে একটি নরকপুরীতে পরিণত করার জন্য দায়ী হেন বুশের বিরুদ্ধে দেয়ালে পিঠ ঠেকা ইরাকীদের এই ন্যূনতম প্রতিবাদ অবশ্যই ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
৭| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩২
ডেরেক জিটার বলেছেন: বুশ আমেরিকার সর্বকালের শ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট। স্বৈরাচারী সাদ্দামের সমর্থক এক সাংবাদিক তাকে জুতা ছুড়লে বুশের কিছুই যায় আসে না। বুশ ইরাক যুদ্ধে জয়লাভ করেছেন এবং ইরাকের যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ হতে একশ বছর লেগে যাবে। অন্য দিকে বুশ ডালাসে তার ২ মিলিয়ন ডলারের বাড়িতে অবসর যাপন করবেন।
বুশকে যতই ঘৃণা করুক না কেন তার গায়ে আঁচড়ও লাগাতে পারে নাই এবং পারবে না।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
মনই বলেছেন: ডেরেক জিটার,
সাদ্দাম সন্দেহমুক্তভাবেই স্বৈরাচার ছিলেন। বুশকে কী বলবেন?অভিধান খুজুনতো এমন কোনো নিকৃষ্টতম শব্দ খুজে পান কিনা যা তাকে বলা যায়।
৮| ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
রাজীব বলেছেন: এরশাদের নাম কেন? সন্দেহ জনক! আপনাকে রাজাকার মনে হচ্ছ।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৭
মনই বলেছেন: রাজাকার আর এরশাদ আপন ভাই না হইলেও সৎ ভাই...একই গোয়ালের গরু।
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩২
সত্যান্বেষী বলেছেন: তথাস্তু।