| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সেলিম জাহাঙ্গীর
সেলিম জাহাঙ্গীর যে দ্যাশে নাই জীন মরণরে আমার মন ছুটেছে সেই দ্যাশে গুরু লওনা আমায় তোমার সে দ্যাশে
তর্কটি অতি পুরনো। তবে অবশ্যই মৌলিক। কোরআন ও শরিয়ার সাথে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে মতনৈক্য রয়েছে তবুও প্রকৃত আসল তথ্য উদঘাটনের চেষ্ট কেউ করেননী তানয়, তবে এই তথ্য সন্ধানে কেউ বেশী অগ্রসর হয়নি নানান কারনে। এই প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে গোড়াহ্ মৌলবাদী জ্ঞানহীন আলেম ওলামাদের ভয় করেছে বেশীর ভাগ মানুষ, গবেষক, লেখক, কলামিষ্ট। এই ধরনের প্রশ্ন করার জন্য কিংবা লেখার জন্য যখন'ই কেউ এগিয়েছে একটু সাহসে ঠিক সেই কারনে অনেকেই লাঞ্চিত হয়েছেন, আঘাত প্রাপ্ত হয়েছেন। কারো কারো বাড়ী লাইব্রেরী পুড়ানো হয়েছে। অনেকের জীবনের অভিশাপ হয়েছে এসব ধরনের প্রশ্ন করার জন্য। যে যেই ধর্মের হোকনা কেন ধর্ম বিষয় নিয়ে জানতে ইচ্ছা হতেই পারে সেইটাকে খর্ব না করে বিষয়টি কে খারাপ অর্থে না দেখে গণতন্ত্রের চর্চায় মৌলিক অর্থে দাড় করিয়ে প্রকৃত সদুত্তর দেয়াই হচ্ছে স্ব স্ব ধর্মের আলেম ওলামাদের কাজ। অনেক আলেম ওলামাদের বলতে শুনেছি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সকল নবীর নবী, জানিনা কোরআন বাদ দিয়ে তারা এটা কিসের ভিত্তিতে এত জোর দিয়ে বলেন। তবে যারা ধর্মের মূল হোতা, ধারক বাহক তারা দু’ একটি কথা বলে থাকেন বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে হাদীস থেকে। অবশ্য কোরআনের পরেই সারা পৃথিবী জুড়ে মুসলিমদের কাছে স্থান করে নিয়েছে মানুষের লেখা শরীয়া সুন্নাহ্ নামে খ্যাত হাদীস গ্রন্থ গুলি। হাদীস রাইটাররা যে কোন দরবেশ, অলি, গাউসুল আযম কিংবা পীর ছিলেন না, তাদের উপর কোন আল্লাহ্ প্রদত্ত অহি হতনা তা সকলেরী জানা; সেই কারনে হাদীস সংগ্রহে ভুল হতেই পারে; আর মানুষ কোনক্রমেই ভুলের উর্দ্ধে নয়। কোরআন কেবলী অন্য আর রাসুলের মত রাসুল হিসাবে এবং সতর্ককারী হিসাবে পৃথিবীতে পাঠিয়েছে। একটু জানার চেষ্টা করি কোরআনের আলোতে।
সূরা ইমরান ৩:১৪৪ আয়াত
وَمَا مُحَمَّدٌ إِلاَّ رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِهِ الرُّسُلُ أَفَإِن مَّاتَ أَوْ قُتِلَ انقَلَبْتُمْ عَلَى أَعْقَابِكُمْ وَمَن
يَنقَلِبْ عَلَىَ عَقِبَيْهِ فَلَن يَضُرَّ اللّهَ شَيْئًا وَسَيَجْزِي اللّهُ الشَّاكِرِينَ
অর্থঃ আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুতঃ কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ, আল্লাহ তাদের সওয়াব দান করবেন।
সূলা কাহফ্ ১৮:৫৬ আয়াতঃ
وَمَا نُرْسِلُ الْمُرْسَلِينَ إِلَّا مُبَشِّرِينَ وَمُنذِرِينَ وَيُجَادِلُ الَّذِينَ كَفَرُوا بِالْبَاطِلِ لِيُدْحِضُوا بِهِ الْحَقَّ وَاتَّخَذُوا آيَاتِي وَمَا أُنذِرُوا هُزُوًا
অর্থঃ আমি রাসূলগনকে সুসংবাদ দাতা ও ভয় প্রদর্শন কারীরূপেই প্রেরণ করি এবং কাফেররাই মিথ্যা অবলম্বনে বিতর্ক করে, তা দ্বারা সত্যকে ব্যর্থ করে দেয়ার উদ্দেশে এবং তারা আমার নিদর্শনাবলীও যদ্বারা তাদেরকে ভয় প্রদর্শন করা হয়, সেগুলোকে ঠাট্টারূপে গ্রহণ করেছে।
সূরা কাহফ। ১৮:১১০ আয়াতঃ
قُلْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِّثْلُكُمْ يُوحَى إِلَيَّ أَنَّمَا إِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ فَمَن كَانَ يَرْجُو لِقَاء رَبِّهِ فَلْيَعْمَلْ عَمَلًا صَالِحًا وَلَا يُشْرِكْ بِعِبَادَةِ رَبِّهِ أَحَدًا
অর্থঃবলুনঃ আমি ও তোমাদের মতই একজন মানুষ, আমার প্রতি প্রত্যাদেশ হয় যে, তোমাদের ইলাহই একমাত্র ইলাহ। অতএব, যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সাক্ষাত কামনা করে, সে যেন, সৎকর্ম সম্পাদন করে এবং তার পালনকর্তার এবাদতে কাউকে শরীক না করে।
সূরা বনী ইসরাঈল ১৭:১০৫ আয়াতঃ
وَبِالْحَقِّ أَنزَلْنَاهُ وَبِالْحَقِّ نَزَلَ وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلاَّ مُبَشِّرًا وَنَذِيرًا
অর্থঃআমি সত্যসহ এ কোরআন নাযিল করেছি এবং সত্য সহ এটা নাযিল হয়েছে। আমি তো আপনাকে শুধু সুসংবাদাতা ও ভয়প্রদর্শক করেই প্রেরণ করেছি।
সূরা হাজ্জ্ব ২২:৪৯ আয়অতঃ
قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
অর্থঃ বলুনঃ হে লোক সকল! আমি তো তোমাদের জন্যে স্পষ্ট ভাষায় সতর্ককারী।
সূরা আল আনকাবুত ২৯:৫০ আয়াতঃ
الْآيَاتُ عِندَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُّبِينٌ
অর্থঃ বলুন, নিদর্শন তো আল্লাহর ইচ্ছাধীন। আমি তো একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র।
সূরা আল আহযাব ৩৩:৪০-৪৫ আয়াত
مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِّن رِّجَالِكُمْ وَلَكِن رَّسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا
অর্থঃমুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল, নবীদের শীল। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَمُبَشِّرًا وَنَذِيرًا
অর্থঃ হে নবী! আমি আপনাকে সাক্ষী, সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি।
সূরা ফাতির ৩৫:২৩-২৪
إِنْ أَنتَ إِلَّا نَذِيرٌ
অর্থঃ আপনি তো কেবল একজন সতর্ককারী।
إِنَّا أَرْسَلْنَاكَ بِالْحَقِّ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَإِن مِّنْ أُمَّةٍ إِلَّا خلَا فِيهَا نَذِيرٌ
অর্থঃআমি আপনাকে সত্যধর্মসহ পাঠিয়েছি সংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে। এমন কোন সম্প্রদায় নেই যাতে সতর্ককারী আসেনি।
সূরা ইয়াসীন ৩৬:৩৬ আয়াতঃ
لِتُنذِرَ قَوْمًا مَّا أُنذِرَ آبَاؤُهُمْ فَهُمْ غَافِلُونَ
অর্থঃ যাতে আপনি এমন এক জাতিকে সতর্ক করেন, যাদের পূর্ব পুরুষগণকেও সতর্ক করা হয়নি। ফলে তারা গাফেল।
সূরা ছোয়াদ ৩৮:৪ আয়াতঃ
وَعَجِبُوا أَن جَاءهُم مُّنذِرٌ مِّنْهُمْ وَقَالَ الْكَافِرُونَ هَذَا سَاحِرٌ كَذَّابٌ
অর্থঃ তারা বিস্ময়বোধ করে যে, তাদেরই কাছে তাদের মধ্যে থেকে একজন সতর্ককারী আগমন করেছেন। আর কাফেররা বলে এ-তো এক মিথ্যাচারী যাদুকর।
সূরা ক্বাফ ৫০:২আয়াতঃ
بَلْ عَجِبُوا أَن جَاءهُمْ مُنذِرٌ مِّنْهُمْ فَقَالَ الْكَافِرُونَ هَذَا شَيْءٌ عَجِيبٌ
অর্থঃ বরং তারা তাদের মধ্য থেকেই একজন ভয় প্রদর্শনকারী আগমন করেছে দেখে বিস্ময় বোধ করে। অতঃপর কাফেররা বলেঃ এটা আশ্চর্যের ব্যাপার।
সূরা আয-যারিয়াত ৫১:৫১ আয়াতঃ
وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ إِنِّي لَكُم مِّنْهُ نَذِيرٌ مُّبِينٌ
অর্থঃ তোমরা আল্লাহর সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
সূরা আল মুলক ৬৭:২৬ আয়াতঃ
قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِندَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُّبِينٌ
অর্থঃবলুন, এর জ্ঞান আল্লাহ তা’আলার কাছেই আছে। আমি তো কেবল প্রকাশ্য সতর্ককারী।
সূরা হা-মীম সেজদাহ ৪১:৪৩ আয়াতঃ
مَا يُقَالُ لَكَ إِلَّا مَا قَدْ قِيلَ لِلرُّسُلِ مِن قَبْلِكَ إِنَّ رَبَّكَ لَذُو مَغْفِرَةٍ وَذُو عِقَابٍ أَلِيمٍ
অর্থঃআপনাকে তো তাই বলা হয়, যা বলা হত পূর্ববর্তী রসূলগনকে। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তার কাছে রয়েছে ক্ষমা এবং রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।
সূরা আল আহক্বাফ ৪৬:৯ আয়াতঃ
قُلْ مَا كُنتُ بِدْعًا مِّنْ الرُّسُلِ وَمَا أَدْرِي مَا يُفْعَلُ بِي وَلَا بِكُمْ إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَى إِلَيَّ وَمَا أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُّبِينٌ
অর্থঃবলুন, আমি তো কোন নতুন রসূল নই। আমি জানি না, আমার ও তোমাদের সাথে কি ব্যবহার করা হবে। আমি কেবল তারই অনুসরণ করি, যা আমার প্রতি ওহী করা হয়। আমি স্পষ্ট সতর্ক কারী বৈ নই।
সূরা নাহল ১৬:৩৫ আয়াতঃ
وَقَالَ الَّذِينَ أَشْرَكُواْ لَوْ شَاء اللّهُ مَا عَبَدْنَا مِن دُونِهِ مِن شَيْءٍ نَّحْنُ وَلا آبَاؤُنَا وَلاَ حَرَّمْنَا مِن دُونِهِ مِن شَيْءٍ كَذَلِكَ فَعَلَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَهَلْ عَلَى الرُّسُلِ إِلاَّ الْبَلاغُ الْمُبِينُ
অর্থঃমুশরিকরা বললঃ যদি আল্লাহ চাইতেন, তবে আমরা তাঁকে ছাড়া কারও এবাদত করতাম না এবং আমাদের পিতৃপুরুষেরাও করত না এবং তাঁর নির্দেশ ছাড়া কোন বস্তুই আমরা হারাম করতাম না। তাদের পূর্ববর্তীরা এমনই করেছে। রাসূলের দায়িত্ব তো শুধুমাত্র সুস্পষ্ট বাণী পৌছিয়ে দেয়া।
সূরা আল আনকাবুত ২৯:১৮ আয়াতঃ
وَإِن تُكَذِّبُوا فَقَدْ كَذَّبَ أُمَمٌ مِّن قَبْلِكُمْ وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ
অর্থঃতোমরা যদি মিথ্যাবাদী বল, তবে তোমাদের পূর্ববর্তীরাও তো মিথ্যাবাদী বলেছে। স্পষ্টভাবে পয়গাম পৌছে দেয়াই তো রসূলের দায়িত্ব।
সূরা আশ-শুরা ৪২:৭আয়াতঃ
وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِّتُنذِرَ أُمَّ الْقُرَى وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ لَا رَيْبَ فِيهِ فَرِيقٌ فِي الْجَنَّةِ وَفَرِيقٌ فِي السَّعِيرِ
অর্থঃএমনি ভাবে আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি, যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে, যাতে কোন সন্দেহ নেই। একদল জান্নাতে এবং একদল জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
আল্লাহ্ কোরআনে কেবলী সতর্ককারী হিসাবেই মুহাম্মাদ (সাঃ) কে সম্বর্ধন করেছে তা উল্লেখিত সূরা ও আয়অত থেকে জানলাম। এমন অনেক আরও আয়াত আছে এই ধরনের । অনেকই বলবে কোরআনে নাই তবে হাদীসে আছে। এখন প্রশ্ন আসতেই পারে হাদীস ছাড়া কোরআন অপূর্ণ কিতাব? নিশ্চয় নয়। আল্লাহ্ কোরআনের সূরা নমল ২৭:৭৫ আয়অতে বলেছেনঃ
وَمَا مِنْ غَائِبَةٍ فِي السَّمَاء وَالْأَرْضِ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُّبِينٍ
অর্থঃআকাশে ও পৃথিবীতে এমন কোন গোপন ভেদ নেই, যা সুস্পষ্ট কিতাবে না আছে।
মাবুদের এই আয়াত যদি আমরা বিশ্বাস করি তাহলে মানতে হবে মুহাম্মাদ কেবলী অন্য রাসুলের মত একজন সতর্ককারী মাত্র। কিন্তু হাদীস যে ভুল বলে তা নিম্নে হাদীস গুলির দিকে চোখ মেইল্লে দখা যায় হাদীসের ভুলের দৌড়।
১-চলবে ০৭,০৭,১১
হাদীস মতে মুহাম্মাদ (সাঃ) সকল নবীর নবী, কোরআন মতে নয়
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সালাম বাসার ভাই,
খুব সুন্দর কথা বলেছেন। আসলে আমরা কেন যেন কোরআন বাদ দিয়ে বেশী বেশী হাদীস নির্ভর হয়ে যাচ্ছি। আপনাকে ধন্যবাদ
২|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৪:৪১
অশান্ত তারেক বলেছেন: আমি তো কোন আলেম বা ইসলামী চিন্তাবীদ না তবে এটুকু বুঝুতে পারি যে, আল্লাহ পাক শেষ জামানায় আলেম অলামা নামধারী কিছু ফ্যাৎনা সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে আমাদে সতর্ক করে দিয়েছেন। আর সেই ফ্যাৎনা ও বাতিলের একজন সদস্য হলেন আপনি।
০৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৮:২১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আল্লাহ্ আপনাকে প্রকৃত জ্ঞান দান করুন---আমেন
৩|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৪:৪৮
ম জ বাসার বলেছেন: অশান্ত তারেক, ছালাম।
আপনার উদ্বৃতিটা কোরানের নয় বরং বোখারীদের আর পরের মন্তব্য বোখারীদের উম্মতের। কোরানের সাথে উহার কোনই সাক্ষি সমর্থন নেই! থাকলে হাজির করুণ? অন্যথায় বোখারীদের উম্মত স্বীকার করুণ?
বিনীত।
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: বাসার ভাই খুব সুন্দর বলেছেন। ভাই কে শোনে কার কথা, আমরা না যেনে কেবল শুনে বলতে অভ্যস্ত
৪|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৫:৫৫
অশান্ত তারেক বলেছেন: সেলিম জাহাঙ্গীর, আসিফ মহিউদ্দীন এর মন্তব্যের কোন ব্যাখ্যা আপনি কোরআনের আলোকে দিতে পারবেন? দয়াল নবী (সা
কে স্বীকার না করে পৃথিবীর কেউই মুসলামন নয়। এটা বিনা দলিলে সত্য বলে মানাটাই ইমান।
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৭
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সালাম,
অশান্ত তারেক আপনার আমি আপনায় কখনো দেখি নাই তবুও বললাম আপনার মনে চেতনা আছে। আপনি পারবেন, সত্যকে জানুন এবং অন্যকে জানান। আর একটা কথা আপনি বলেছেনঃ
এটা বিনা দলিলে সত্য বলে মানাটাই ইমান।
আল্লাহ্ সূরা ইউনুস ১০:৩৬ আয়াতে বলেছেনঃ
وَمَا يَتَّبِعُ أَكْثَرُهُمْ إِلاَّ ظَنًّا إَنَّ الظَّنَّ لاَ يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا إِنَّ اللّهَ عَلَيمٌ بِمَا يَفْعَلُونَ
অর্থঃ বস্তুতঃ তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। আল্লাহ ভাল করেই জানেন, তারা যা কিছু করে।
আপনাকে ধন্যবাদ
৫|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৫:৫৯
উদাসীফাহিম বলেছেন: অশান্ত তারেক বলেছেন: আমি তো কোন আলেম বা ইসলামী চিন্তাবীদ না তবে এটুকু বুঝুতে পারি যে, আল্লাহ পাক শেষ জামানায় আলেম অলামা নামধারী কিছু ফ্যাৎনা সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে আমাদে সতর্ক করে দিয়েছেন। আর সেই ফ্যাৎনা ও বাতিলের একজন সদস্য হলেন আপনি।
একমত
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: এই কথাটা কাকে বললেন কোন কমেন্টকারীকে নাকি লেখককে
৬|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:২০
ওয়াকিংবার্ড বলেছেন: উদাসীফাহিম বলেছেন: অশান্ত তারেক বলেছেন: আমি তো কোন আলেম বা ইসলামী চিন্তাবীদ না তবে এটুকু বুঝুতে পারি যে, আল্লাহ পাক শেষ জামানায় আলেম অলামা নামধারী কিছু ফ্যাৎনা সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে আমাদে সতর্ক করে দিয়েছেন। আর সেই ফ্যাৎনা ও বাতিলের একজন সদস্য হলেন আপনি।
একমত
একমত
সাথে আরো যোগ করছিঃ
আপনার মতো ফ্যাতনা 'আসিফ মহিউদ্দীন' জাতীয় ফ্যাতনা-র চাইতেও ভয়ঙ্কর, কারন ওরা তো ঘোষিত অবিশ্বাসী, বাইরের শত্রু, আর আপনার মতো শত্রু তো অলরেডী ঘরে ঢুকে গেছেন।
আল্লাহপাক আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন এসব ফ্যাতনা থেকে।
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সালাম,
ভাইজান হাতের কাছে এত সুন্দর ঝরঝরে সচ্ছ অক্ষরে কোরআন আছে, প্লিজ দয়া করে প্রতিদিন একটু চোখ মেলে পড়ুন তাহলে দেখবেন সমাজ থেকে ফেতনা ফাসাদ দূর হয়ে যাবে।
৭|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:২৫
মেলবোর্ন বলেছেন: আসিফ মহিউদ্দীন আপনার কথিত সেই ভন্ড প্রেরিত পুরুষকেই কিভাবে SIR, YOU SAID IT! এ উপস্থাপন করা হইসে তা যদি একটু সময় করে দেখতেন লিংক: http://www.ourbeacon.com/?page_id=11605
পেইজ এর শেষের দিকে পাবেন। আরো কিছু আপনাদের সেবায়
ISLAM: THE TRUE HISTORY AND FALSE BELIEFS
THE CRIMINALS OF ISLAM
ISLAM AS I UNDERSTAND
QXPiv with ARABIC TEXT (THE QUR’AN AS IT EXPLAINS ITSELF (Fourth Edition)
THUS SPEAKS THE QURAN
WHO WROTE THE QURAN?
লিংক: http://www.ourbeacon.com/?page_id=11605
কোরআনের পরেই সারা পৃথিবী জুড়ে মুসলিমদের কাছে স্থান করে নিয়েছে মানুষের লেখা শরীয়া সুন্নাহ্ নামে খ্যাত হাদীস গ্রন্থ গুলি। হাদীস রাইটাররা যে কোন দরবেশ, অলি, গাউসুল আযম কিংবা পীর ছিলেন না, তাদের উপর কোন আল্লাহ্ প্রদত্ত অহি হতনা তা সকলেরী জানা; সেই কারনে হাদীস সংগ্রহে ভুল হতেই পারে; আর মানুষ কোনক্রমেই ভুলের উর্দ্ধে নয়। ১০০% সহমত
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সালাম,
মেলবোর্ন ভাই আসিফ মহিউদ্দীন সব জান্তা হতে পারে তবে এই বিষয়টি তিনি ভুল বলেছেন। আসিফদের আল্লাহ্ সঠিখ জ্ঞান দান করুন--আমেন
ধন্যবাদ আপনাকে
৮|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৬:৫২
ম জ বাসার বলেছেন: মেলবোর্ন, ছালাম। নীচের ওয়েবসাইটটি ভিজিট পর মন্তব্য করার অনুরোধ করেছিলাম।
youngmuslimsociety.com
ভালো থাকুন।
বিনীত।
৯|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৭:২৩
মেলবোর্ন বলেছেন: @ম জ বাসার : youngmuslimsociety.com বই প্রেরনা বানি মাস খানেক আগে পড়েছিলাম গদ্য আকারে তাই বুজতে একটু অসুবিধা হয়েছিল কিন্তু মুলভাব ঠিক আছে তবে কোরআন বনাম শরিয়ত ভাল লেগাছে আর আগেই বলেছি ISLAM: THE TRUE HISTORY AND FALSE BELIEFS সাথে অনেক মিল। তবে কোরআনের আলোয় আলোকিত হওয়াই মুল কথা।
১০|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:০৩
তুহিণ বলেছেন: Because you didn't read Quaran and you don't understand Quran.
১১|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:১১
হাসান আব্দুল্লাহ বলেছেন: মানুষ কখনোই ভূলের ঊর্ধে নয়, ধন্যবাদ মনপাঘলা সাহেব.
বাংলাদেশে প্রচলিত এবং স্কুলের পাঠ্যসূচীর অনেক হাদিসই দেখি কোরআনকে কন্টাডিক করে.মহা গ্রন্ত কোরআনকে বাদ দিয়ে এভাবে হাদিসের নির্ভরশীলতা মোটেও ইসলাম সম্মত নয়,হাদিস কালেক্টর কিংবা কথিত মাযহাবের প্রতিষ্টানের মহানরাও বলেছেন --ভূল প্রমাণিত হলে সেটা থেকে সরে আসার.কিন্ত বাংলাদেশ ভারত পাকিস্হান পীর নির্ভর মুসলিমরা এটা মানতে নারাজ.আমি তাদেরই একজন..কিন্ত দুক্ক হয়. আমরা যে বিভাজনের স্বীকার তার মৌল কোথায়?
চমত্কার তথ্য নির্ভর কোরআনের উল্লেখের পর কেউ এসব পড়বে নাহ..আপনাকে ভাববে আপনী রাজাকার জামাত শিবির.সমর্থক.ইত্যাদি
দল কিংবা পীরকেই মহান ভাববে... আপনার কথা হারিযে যাবে ব্লগের নীচে,তবুউ সত্যকে বলতেই হবে.এগিইন থ্যান্কস!
০৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৮:০৫
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনার কথা শুনে ম জ বাসার ভাই এর "কোরআন বনাম শরিয়ত" গ্রন্থের একটি কথা মনে পড়লো সে তার লিখার এক জায়গায় বলেছে আমরা মুহাম্মাদ (সাঃ) উম্মত বাদ দিয়ে বুখারীদের উম্মতে পরিনত হতে চলেছি।
আপনার প্রেরনা চলার সারথী হয়ে রইলো। আপনাকে ধন্য বাদ
১২|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ১০:১৬
কান্টি টুটুল বলেছেন: [19] নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী,
[20] যিনি শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাশালী,
[21] সবার মান্যবর, সেখানকার বিশ্বাসভাজন।.......সুরা আত্ তাকভীর
তবে কোরআন শরীফ এ মুহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে শুধুমাত্র ভাল কথাই বলা হয়েছে ,উনার কোন প্রকার ত্রুটি বিচ্যুতি নাই অথবা আল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ (সাঃ) এর কোন আচরন/স্বভাব সংশোধন করতে বলেন নাই, এরকম ধারনা ঠিক না।
আল্লাহ বলেন
[10] আপনি তাকে অবজ্ঞা করলেন।
[11] কখনও এরূপ করবেন না, এটা উপদেশবানী .......সুরা আবাসা
মুহম্মদ ( স: ) এর আচরন সংশোধন এর জন্য আল্লাহ তাআলার উপদেশ।
কেবলমাত্র হযরত ইসা(আঃ) এর কোন প্রকার ত্রুটি বিচ্যুতির উল্লেখ কোরআন শরীফ এ দেখতে পাওয়া যায়না যিনি একমাত্র নিষ্পাপ রসুল হিসাবেও পরিচিত,
আল্লাহ উনাকে শান্তিতে রাখুন।
০৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৮:১২
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সালাম,
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
১৩|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৮:০৮
শাহাদাত রুয়েট বলেছেন: এতো দিনে বুঝলাম । আপনি কাদিয়ানী হাদীস না মানলে নামায পড়ার নিয়ম কোথায় পাবো? আর ভালো করে কুরআন পড়ে দেখুন আল্লাহ কত জায়গায় নাবী (সা) এর অনুসরণ করতে বলেছেন।
১০ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৮:৫০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি বলেছেনঃ
আর ভালো করে কুরআন পড়ে দেখুন আল্লাহ কত জায়গায় নাবী (সা) এর অনুসরণ করতে বলেছেন।
শাহাদাত রুয়েট আপনি রাসুল (সাঃ) কে অনুসরন করা বলতে কি বুঝেছেন? তিনার হাদীস পড়তে হবে মানতে হবে। রাসুল কখনো হাদীস লিখে নাই এবং লিখাটা তার জন্য শোভনীয় ছিলো না। মাবুদ রাসুল কে অনুসরন করা বলতে কেবলী বুঝিয়ে রাসুল যে ভাবে বলে, চলে এবং যে ভাবে বিধান দেয় তার অনুসরন কর। তো-- নবী কিভাবে চলে, কিভাবে বলে, কি বিধান দেয়? যা কোরআনে লিখা আছে ঠিক তায়। কোরআনের বাইরে তিনি কিছু বলতেন না। কারন আল্লাহ্ এর বাইরে তাকে কিছু বলতে বলেননি আসুন সূরা কাহফ ১৮:২৭ আয়াত পড়ে দেখি আল্লাহ্ রাসুল কে কি বলেছেঃ
وَاتْلُ مَا أُوحِيَ إِلَيْكَ مِن كِتَابِ رَبِّكَ لَا مُبَدِّلَ لِكَلِمَاتِهِ وَلَن تَجِدَ مِن دُونِهِ مُلْتَحَدًا
অর্থঃ আপনার প্রতি আপনার পালনকর্তার যে, কিতাব প্রত্যাদিষ্ট করা হয়েছে, তা পাঠ করুন। তাঁর বাক্য পরিবর্তন করার কেউ নাই। তাঁকে ব্যতীত আপনি কখনই কোন আশ্রয় স্থল পাবেন না।
রাসুলকে অনুসরন বলতে যদি বোখারীদের হাতে লিখা কিতাব মানা বুঝেন তাহলে ভুল করবেন। আপনাকে আরও একটি উদাহরণ দেয়। আল্লাহ্ মুহম্মাদ (সাঃ) কে বলেছে তুমি ইব্রাহীমকে অনুসরন কর। তার মানে কি রাসুল ইব্রাহীম (আঃ) কে বাদ দিয়ে এমন কিছু মানুষের হাতের লিখা অনুসর করবে?
সূরা আল ইমরান ৩:৯৫ আয়াতঃ
قُلْ صَدَقَ اللّهُ فَاتَّبِعُواْ مِلَّةَ إِبْرَاهِيمَ حَنِيفًا وَمَا كَانَ مِنَ الْمُشْرِكِينَ
অর্থঃ বল, ‘আল্লাহ সত্য বলেছেন। এখন সবাই ইব্রাহীমের ধর্মের অনুগত হয়ে যাও, যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ ভাবে সত্যধর্মের অনুসারী। তিনি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না।
আপনি ভেবে দেখুন আল্লাহ্ এই আয়াতে ইব্রাহীমকে অনুসরন (অনুগত) বলতে কি বুঝিয়েছে। সময় আছে ভালো করে কোরআন জানুন তা ছাড়া তথাকথিত আলেম ওলামাদের বয়ান শুনে নিজেকে, মানুষ কে এমন বিভ্রান্তিকর কথা বলে বিপথগামী হবেন না।
১৪|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৮:০৯
শাহাদাত রুয়েট বলেছেন: এতো দিনে বুঝলাম । আপনি কাদিয়ানী হাদীস না মানলে নামায পড়ার নিয়ম কোথায় পাবো? আর ভালো করে কুরআন পড়ে দেখুন আল্লাহ কত জায়গায় নাবী (সা) এর অনুসরণ করতে বলেছেন।
১০ ই জুলাই, ২০১১ রাত ২:৩১
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: শাহাদাত রুয়েট আপনি বলেছেন
হাদীস না মানলে নামায পড়ার নিয়ম কোথায় পাবো?
আপনাকে একটি প্রশ্ন করি। রাসুলে মৃত্যুর তিন থেকে সাড়ে তিন শত বছর পরে শুরু হয়েছে হাদীস সংগ্রহের কাজ। তাহলে হাদীস লিখার পূর্বে এই সব মানুষ গুলি কি পড়ে নামায আদায় করতো? আসলে তারা নামাজ আদায় করতো বংশপরম্পরায় অনুসরন করে। আপনিও অনুরসন করে নামাজ আদায় করা শিখেছেন। হয়তো বাবার কাছে নয়তো মসদিজের ঈমামের পিছনে দাড়ীয়ে অনুকরন করে।
হাদীস এত একটি গুরুত্ব পূর্ণ কিতাব যদি হয়ে'ই থাকে তাহলে আল্লাহ্ তার রাসুলকে কেন লিখার কথা বললেন না তার জীবদ্দশায়। কেন হযরত ওমর, হযরত ওসমান, হযরত আবুবকর ও হযরত আলী (রাঃ) হাদীস লিখলেন না। আসলে হাদীস লিখা নিষেধ ছিলো । কোরআনের নিচের আয়াত গুলি একটু ভালো করে দেখূন তাহলে দেখবেন আপনার দিব্য দৃষ্টি খূলে গেছে। আর যদি আপনি বিপথগামী হোন বা কোরআন মতে আপনার হৃদয়ে আল্লাহ্ শীলমোহর এটে দেয় তাহলে আপনি বুঝবেন না এমনকি চোখে স্পষ্ট আয়াত গুলি দেখবেনা।
সূরা আল আনকাবুত ২৯:৪৬ আয়াতঃ
وَمَا كُنتَ تَتْلُو مِن قَبْلِهِ مِن كِتَابٍ وَلَا تَخُطُّهُ بِيَمِينِكَ إِذًا لَّارْتَابَ الْمُبْطِلُونَ
অর্থঃ আপনি তো এর পূর্বে কোন কিতাব পাঠ করেননি এবং স্বীয় দক্ষিণ হস্ত দ্বারা কোন কিতাব লিখেননি। এরূপ হলে মিথ্যাবাদীরা অবশ্যই সন্দেহ পোষণ করত।
আল্লাহ্ মুহাম্মাদ (সাঃ) কে বলছে তিনি এর পূর্বে মানে কোরআন আসার আগে কোন কিতাব পাঠ করেনী এবং নিজের হাতে কোন কিতাবও লিখেনী। যদি রাসুল স্ব হস্তে কোন কিতাব লিখতো তাহলে মুশরেকরা তার লিখা নিয়ে বিতন্ডা করতো। আচ্ছা এবার বলুনতো কেন রাসুল নিজের হাতে কিতাব লিখেনী?
সূরা ইয়াসীন ৩৬:৬৯ আয়াতঃ
وَمَا عَلَّمْنَاهُ الشِّعْرَ وَمَا يَنبَغِي لَهُ إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ وَقُرْآنٌ مُّبِينٌ
অর্থঃ আমি রসূলকে কবিতা শিক্ষা দেইনি এবং তা তার জন্যে শোভনীয়ও নয়। এটা তো এক উপদেশ ও প্রকাশ্য কোরআন।
মাবুদ বলছে সে রাসুলকে কবিতা শিক্ষা দেয় নাই বা কাব্য শিখায় নাই এবং এটা তার জন্য শোভনীয়ও নহে। কেন আল্লাহ্ এ কথা বলছেন। রাসুল কবি কিংবা কাব্য রচনা করলে কি হবে? হবে, রাসুল নিজ হাতে কিছু লিখলে মুশরেক কাফেররা তার লিখা নিয়ে বিতন্ড করতো।
সূরা আল বাক্বারাহ ২:৭৯ আয়াতঃ
فَوَيْلٌ لِّلَّذِينَ يَكْتُبُونَ الْكِتَابَ بِأَيْدِيهِمْ ثُمَّ يَقُولُونَ هَـذَا مِنْ عِندِ اللّهِ لِيَشْتَرُواْ بِهِ ثَمَناً قَلِيلاً فَوَيْلٌ لَّهُم مِّمَّا كَتَبَتْ أَيْدِيهِمْ وَوَيْلٌ لَّهُمْ مِّمَّا يَكْسِبُونَ
অর্থঃ অতএব তাদের জন্যে আফসোস! যারা নিজ হাতে গ্রন্থ লেখে এবং বলে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ-যাতে এর বিনিময়ে সামান্য অর্থ গ্রহণ করতে পারে। অতএব তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের হাতের লেখার জন্য এবং তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের উপার্জনের জন্যে।
শাহাদাত রুয়েট দেখুন আল্লাহ্ তাদের জন্য আফসোস করে বলছেন যারা নিজ হাতে (হাদীস) গ্রন্থ লিখে এবং বলে আল্লাহ্ র তরফ থেকে প্রাপ্ত। কি আপনিওতো তায় বলেন যে হাদীস আল্লাহ্ কাছে থেকে প্রাপ্ত। এগুলিও নাকি এক ধরনের ওহিহ্
সূরা আল জাসিয়া ৪৫:৫৮ আয়াতঃ
هَذَا بَصَائِرُ لِلنَّاسِ وَهُدًى وَرَحْمَةٌ لِّقَوْمِ يُوقِنُونَ
অর্থঃ একোরআন সুস্পষ্ট দলিল মানব জাতীর জন্য এবং নিশ্চিত বিশ্বাসিদের জন্য পথনির্দেশ ও অনুগ্রহ।
আপনার কি সেই বিশ্বাস আছে যে, এই কোরআন'ই হচ্ছে একমাত্র ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি। অবশ্য আপনাদের মত অনেকেই বিতন্ড করেন। যারা বিতন্ড করে মাবুদ তাদের সম্পর্কে কোরআনে সূরা হজ্জ্ব ২২:৩আয়াতে বলেছেনঃ
وَمِنَ النَّاسِ مَن يُجَادِلُ فِي اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّبِعُ كُلَّ شَيْطَانٍ مَّرِيدٍ
অর্থঃকতক মানুষ অজ্ঞানতাবশতঃ আল্লাহ সম্পর্কে বিতর্ক করে এবং প্রত্যেক অবাধ্য শয়তানের অনুসরণ করে।
সূরা আল আন-আম ৬:১৪৬ আয়াতঃ
سَيَقُولُ الَّذِينَ أَشْرَكُواْ لَوْ شَاء اللّهُ مَا أَشْرَكْنَا وَلاَ آبَاؤُنَا وَلاَ حَرَّمْنَا مِن شَيْءٍ كَذَلِكَ كَذَّبَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِم حَتَّى ذَاقُواْ بَأْسَنَا قُلْ هَلْ عِندَكُم مِّنْ عِلْمٍ فَتُخْرِجُوهُ لَنَا إِن تَتَّبِعُونَ إِلاَّ الظَّنَّ وَإِنْ أَنتُمْ إَلاَّ تَخْرُصُونَ
অর্থঃআপনি বলুনঃ তোমাদের কাছে কি কোন প্রমাণ আছে যা আমাদেরকে দেখাতে পার। তোমরা শুধুমাত্র আন্দাজের অনুসরণ কর এবং তোমরা শুধু অনুমান করে কথা বল।
সূরা ইউনুস ১০:৩৬ আয়াতঃ
وَمَا يَتَّبِعُ أَكْثَرُهُمْ إِلاَّ ظَنًّا إَنَّ الظَّنَّ لاَ يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا إِنَّ اللّهَ عَلَيمٌ بِمَا يَفْعَلُونَ
অর্থঃবস্তুতঃ তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। আল্লাহ ভাল করেই জানেন, তারা যা কিছু করে।
আল্লাহ্ বলছেন অধিকাংশ মানুষ কেবল আন্দাজের উপর অনুসরন করে; যেমন আমরা হাদীস গুলি অনুসরন করি কেবল আন্দাজের উপর। আর অনুমান বড় গুনাহ্। অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। যেমন কোরআন সত্য, সে নিজেই তার স্ব-প্রমানে অটুট। আর হাদীস তার স্ব পামানে অনেক মানুষের রেফারেন্স দিচ্ছে ফলে দূর্বল।
শাহাদাত রুয়েট আপনি অনেক সচেতন তবে বিপথগামী। কেন বলছি আপনি আল্লাহ্ এবং রাসুলকে পিথক করছেন। আসুন কোরআন জানি। কোরআনে সূরা আন নিসা ৪: ১৫০, ১৫১ আয়াতঃ
إِنَّ الَّذِينَ يَكْفُرُونَ بِاللّهِ وَرُسُلِهِ وَيُرِيدُونَ أَن يُفَرِّقُواْ بَيْنَ اللّهِ وَرُسُلِهِ وَيقُولُونَ نُؤْمِنُ بِبَعْضٍ وَنَكْفُرُ بِبَعْضٍ وَيُرِيدُونَ أَن يَتَّخِذُواْ بَيْنَ ذَلِكَ سَبِيلاً
অর্থ: যারা আল্লাহ ও রাছুলদের প্রত্যাখ্যান করে এবং তাঁদের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে-প্রকৃত পক্ষে ইহারাই কাফির এবং ইহাদের জন্য কঠিন লাঞ্চনাদায়ক শান্তি রয়েছে।
أُوْلَـئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ حَقًّا وَأَعْتَدْنَا لِلْكَافِرِينَ عَذَابًا مُّهِينًا
অর্থঃপ্রকৃতপক্ষে এরাই সত্য প্রত্যাখ্যাকারী। আর যারা সত্য প্রত্যাখ্যানকারী তাদের জন্য তৈরী করে রেখেছি অপমানজনক আযাব।
আসুন সত্যকে আকড়ে ধরি।সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের মাবুদ পছন্দ করেনা। কোরআনে যা নাই তা হাদীস থেকে এনে কোরআন কে ছোট করা ঠিক না। কিংবা পূণাঙ্গ কোরআন কে হাদীসের দোহায় দিয়ে অপূণাঙ্গ কিতাব বানানোর খেলা থেকে বেরিয়ে আসুন।
হাদীস লিখা যে রাসুলের নিষেধ ছিলো তা নিচের হাদীগুলি পড়লেই বোঝা যায়
হযরত আবু ছাইদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন যে, “কোর্আন ব্যতীত আমার কোন কথাই লিখিও না। আর কোর্আন ব্যতীত আমার নিকট থেকে অন্য কিছু লিখে থাকলে, তা যেন মুছে ফেলা হয়।” [ দ্র: সহিহ্ মুসলিম, আ. ফা. ভুইয়া, ১ম খ. ১ম সংস্করণ, পৃ: ৫১]
আমার কাছ থেকে তোমরা কোরআন ছাড়া আর কিছুই লিখবেনা। যদি কেউ লিখে থাকে তবে অবশ্যই তা নষ্ট করে ফেল।[সহিহ মুসলিম, ভলিউম১, পৃষ্ঠা ২১১, হাদীস নং ৫৯৪, প্রিন্টার-মতকবে আদনান, বৈরুত,১৯৬৭]
আসলে হাদীস নিয়ে বললে অনেক বলতে হবে। তবে একটি কথা না বললেই না। কোরআন মাবুদের কিতাব, এটার বিকল্প আর কিছু হতে পারে না।
আল্লার্হ কোরআনে কখনও কোন পরিবর্তন পাওয়া যাবেনা, বা দেখা যায় না। তিনি কোরআনে সূরা আহযাব ৩৩:৬৩ আয়াতে বলেছেনঃ
سُنَّةَ اللَّهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّةِ اللَّهِ تَبْدِيلًا
অর্থঃ “তুমি আল্লাহ্র বিধানে কখনও কোন পরিবর্তন পাইবা না”
আসলে আমরা আস্তিকরা মনে করি তথাকথিত আলেম ওলামাদের দেওয়া ব্যাখ্যা ঠিক,নির্ভুল। যেহেতু ধর্মকর্মের ধারক বাহক তারা এতএব তাদের কথা সরল ভাবে বিশ্বাস করা টাই সাভাবিক। ‘অনুমান’ সম্পূর্ণ নির্ভুল, নিশ্চিত সঠিক সত্য বলিয়া পরিগনিত হইতে পারে না। হাদীস কেবলী অনুমান। আসুন আমরা অনুমান নয় সুস্পষ্ট কোরআনের অনুসর করি। আল্লআহ্ যেন আমাদের সকলকে কোরআন বুঝে পড়ে তৌফিক দান করেন-----আমেন
পরিশেষে বলি আপনি আপনার প্রতিদিনের হাদীস লিখার কাজ বন্ধ করে প্রতিদিনের কোরআন লিখুন। আর দয়া করে আমার মত অধমকে আপনার লিখায় কমেন্ট করা থেকে ব্লক করে দিবেন না। প্লিজ দিব্য জ্ঞানে কোরআন জানুন।
১৫|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১০:৫৭
ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. কোরানে যা নেই তা মান্তে বলেছে কে আপনাকে? বরং কঠোরভাবে তা নিশেধ করা হয়েছে।
২. ব্যক্তি/দলের পছন্দমত বিধান রচনা করে তা রাছুলের নামে বাজারজাত করত আল্লাহর প্রতি চ্যালেঞ্জ দিবেন যে, উহা কোরানে নেই! সুতরাং বোখারীদের কেতাব দরকার! এ কেমন মুসলমানিত্ব?
৩. নবিকে অনুসরণ করার অর্থই নবির আনিত কোরান অনুসরণ করা; বোখারীদের হাদিছ অনুসরণ করা নয়।
বিনীত।
০৯ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৫
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সালাম বাসার ভাই,
আমার হয়ে আপনি শাহাদাত রুয়েট এর প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন এর জন্য ধন্যবাদ। আমার কম্পিউটারে একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে তায় শাহাদাত রুয়েট এর পশ্নের জবাব দিতে পারলাম না। তবে দিবো।
১৬|
১৮ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:১০
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন: প্রথম কথাই হল যে মুহম্মদের অনুসরণ বলতে কখনোই সব বিষয়ে তিনি যা করেছিলেন সেটাই করতে বলা হয়নি। যদি সেটা বলা হত তবে তাঁর জীবিতকালেই তাঁর প্রতিটি কাজকর্মের বিবরণ লিখে রাখার ঐশ্বরিক নির্দেশ পাওয়া যেত। অথচ বাস্তবে দেখা যায় যে মুহম্মদের নিজের কথা বা কাজের বিবরণ অনেক দুরের কথা, কোরানের আয়াতগুলিও লিখে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়নি। যারা যখন সেগুলি শুনতেন তাঁরা ইচ্ছে হলে লিখে রাখতেন, ইচ্ছে না হলে লিখতেন না।
বরং কোরানের হেফাজত আল্লার হাতে বলাতে এটাই পরিষ্কার বোঝা যায় যে আল্লার যেমন কোনো দৃশ্যমান রূপ না থাকলেও, কোনো মূর্তি বা ছবি না থাকলেও তিনি তাঁর বান্দাদের মনে সর্বদা থাকবেন তেমন ভাবেই তাঁর কথাও তাঁর বান্দাদের মনের মধ্যে অবিকৃতভাবে থাকবে। কোনো লিখিত আকারে কেতাবের মধ্যে নয়।
লিখিত কেতাব মাত্রেই আসলে মানুষের হাতে লিখিত। আর সেটায় ভুল থাকা মানে যতজনে সেইটা পড়বে তারা সকলেই ভুলই শিখবে। আল্লার বক্তব্যে বহুবার বলা হয়েছে যে মানুষে কেতাব লিখে সেটা আল্লার নামে চালিয়ে দেয়।
কিন্তু কোনো লিখিত কেতাব ছাড়াই যদি কয়েক হাজার মুসলিম একই আয়াত নির্ভুল বলতে পারে তখন আর বলা যায় না যে তারা একটাই বই থেকে জেনেছে বলেই এক কথা বলে। তাই সাক্ষ্য হিসাবে এটাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য। বড়ই আফসোস যে এইখানেই মুসলিমেরা একেবারেই ব্যর্থ। বাস্তবিক আল্লায় হেফাজত করলে আর লিখে রাখার দরকারই পড়ত না। সকলেই নির্ভুল মনে রাখত।
২৫ শে জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: সুন্দর বলেছেন। তবে আরও বিষয় গুলি পরিষ্কার করতে পারতেন
১৭|
২৫ শে জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪১
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আপনার ভাবনার জায়গায় স্যালুট।
কিন্তু সিদ্ধান্তটা কি ঠিক?
চলুন ভেবে দেথি। হাদীস গ্রন্থ বা প্রণয়ন নিয়ে ভাবনা সঠিক ধরেই (যদিও ভিন্নমত আছে, যেমন ইমাম বোখারী তিনি যখনই কোন হাদীসের ব্যাপারে মনে খটকা হত, তিনি মোরাকাবা করতেন, রাসূল সাঃ কে স্মরণ করে মোরাকাবায় প্রদত্ত নির্দেশনা মত তা রাখতেন বা বাতিল করতেন) বলছি.. চলুন কোরআন মতেই ভাবি-
শুধু আক্ষরিক অর্থই নয় এর ভাবার্থ বা গবেষনাও জরুরি এটাতো অবশ্যই মানবেন। রাসূল বা মোহাম্মদ এটা নিয়ে কতদূর ভেবেছেন বা গবেষনা করেছেন জানা নেই।
তবে যেহেতু একটা সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন-যা সত্যের বহুদূরে তাতে বলা যায়; চেষ্টা বৃত্তবদ্ধ বা বাকী আছে এখনো।
রাগ করবেন না যেন- আসছি আলোচনায় ![]()
মোহাম্মদ- তাঁর জীবন, স্বরুপ, বিশ্লেষন করুন
রাসূল- এর অর্থ, ব্যখ্যা, স্বরুপ বিশ্লেষন করুন..
আমি আমার নাদান অল্প জানা থেকে একটু আলেোচনা করি দেখুন কোন কাজে আসে কিনা-
মোহাম্মদ- সেই চিরন্তন সত্য, সেই আত্মসমর্পিত সত্তা, সেই মৌলিক জ্ঞান এবং মুক্তির মার্গ, সত্য ভিন্ন অন্য কোন কিছু যাতে প্রবিষ্ট নয়, চরম এবং পরম রুপে সত্যাশ্রয়ী, সত্যে সমর্পিত সেই এক মৌলিক অবস্থা। আরবীতে মীম হা মীম দাল দিয়ে মোহাম্মদ লেখা হয়... যার মৌলিক অবস্থা নির্দেশ করে আত্ম সমর্পনকারী বা সিজদাকারী হিসেবে।
বা আপনি সিজদারত অবস্থাকে চিত্রে তুলেও সেই হাকীকতকে প্রত্যক্ষ করতে পারেন।
রাসূল - সেই অবস্থান, সত্যের আহবান, সত্যের প্রতিস্ঠা, সুসংবাদদাতা, প্রেরণাপ্রাপ্ত, সত্য বোধ এবং সত্য চেতনা লাভকারী, রিসালাতের ভার বহনকারী মৌলিক সত্ত্বা...
একটা আয়াত দেখুন.. লাক্বাদ যা আ কুম রাসুলুম মিন আনফুসিকুম....
এটার অর্থ এবং ব্যাখ্যা শুধূ এটাই নয় কোরআনেরই বহু শব্দের যর্থার্থ অর্থ এবং ব্যাখ্যা না বোঝার কারণেই আমাদের চলমান অবস্থা বিশ্বাস এবং যাপিত জীবনেও।
আনফুসিকুম-অর্থাৎ অনুতে পরমানুতে... রাসূল তোমাদের অনুতে পরমানুতে বিরাজমান ..
সৃষ্টির হেন কোন স্থান বা বস্তু নেই যা এই মৌলিকত্ব থেকে বিচ্যুত..
তবে যে বা যারা অনুভব করে, উপলদ্দি করে, সেই জ্ঞান এবং শক্তিকে ধারন করে তারাও তখন উচ্চ মর্যাদা লাভ করে।
এবং তখন দেখা যায় মোহাম্মদ - সেই আদি, সেই অন্ত, রাসূল বিনে কোন অবস্থা বা অবস্থানই নেই। সকল নবীর নবীতো ছোট্র বিষয় তার চেয়েও উধ্র্ধতর স্তরেই বিরাজমান সেই সত্ত্বা।
সেই বিস্ময়কর মৌলিক অবস্থানে জ্ঞানে বা চেতনায়, ধ্যানে না পৌছানো পর্যন্ত অবশ্য আমি কেন .. খোদ খোদাও বললে বিশ্বাস করতে মন চাইবে না।
তবে তথ্য উপাত্ত, অনুসন্ধানী, জিগীষা প্রাপ্ত মন, মুক্তি অন্বেষনকারী, জ্ঞান পিপাসু তাদের জণ্য সামান্য নিদর্শন বা ইশারা..
কোরআনেও কিন্তু বিশদ খুব বেশী নেই জ্ঞানের ইশারা দিয়ে অনুস্ধনানী মনকে আহবান করা হয়েছে- জ্ঞানীদের জ্ঞান সাধনায় প্রেরণা দেওয়া হয়েছে, খুঁজতে বলা হয়েছে। তবেই না মিলে প্রকৃত দিশা।
তবে বলুন আমাদের শেষ নবী মোহাম্মদ সাঃ শুধু নবীদেরই নবী নন বরং তারচেও অনেক উর্ধতম স্থান মাকামে মাহমুদায়, স্রস্ঠার নিকটতর থেকে নিকটতর অবস্থানে।
হে আল্লাহ, আমার অনিচ্ছা বা বোঝার ভুল হলে ক্ষমা করো। জ্ঞান দিও আমাকে পূর্নতর। আর সত্য হলে তাতে কল্যান এবং বরকত দান করো। যে বুঝতে চায় তার জন্য এবং যারা অনুসন্ধানী তাদেরও।
২৯ শে জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:১৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আপনি যে সব কথা গুলি বলছেন তা কোরআন সম্মত নয়। আপনার কথা হাদীসের কথা এইক। আপনি নিজেও এইসব কথা গুলি যুগযুগ তেকে শুনে আসছেন ঠিক আমিও। এর সত্যতা জানান চেষ্টা কেউ করেনি। মানুষের নিজ হাতের কিতাবে রাসুলের শ্রেষ্ঠ্যত্বের কথা ইচ্ছা মতকরে লিখে স্ব-ধর্মের শ্রেষ্ঠ্ত্ব প্রমানের চেষ্ট করেছে মাত্র। কিন্তু যারা নিজ হাতে কিতাব লিখে তাদের সম্পর্কে কোরআন বলেঃ
সূরা বাবারা ২:৭৯ আয়াতে বলেছেঃ
فَوَيْلٌ لِّلَّذِينَ يَكْتُبُونَ الْكِتَابَ بِأَيْدِيهِمْ ثُمَّ يَقُولُونَ هَـذَا مِنْ عِندِ اللّهِ لِيَشْتَرُواْ بِهِ ثَمَناً قَلِيلاً فَوَيْلٌ لَّهُم مِّمَّا كَتَبَتْ أَيْدِيهِمْ وَوَيْلٌ لَّهُمْ مِّمَّا يَكْسِبُونَ
অর্থঃ অতএব তাদের জন্যে আফসোস! যারা নিজ হাতে গ্রন্থ লেখে এবং বলে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ-যাতে এর বিনিময়ে সামান্য অর্থ গ্রহণ করতে পারে। অতএব তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের হাতের লেখার জন্য এবং তাদের প্রতি আক্ষেপ, তাদের উপার্জনের জন্যে।
আবার যে হাদীস নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি সেই হাদীস গুলি আজ আমাদের ধর্মে নানা দল ও উপদলে বিভক্ত করেছে। এক এক হাদীস প্রনেতা এক এক মতবাদ সৃষ্টি করেছে। কেউ বলঝে রাসুল এভাবে নামাজ পড়তো, কেউ বলছে না এভাবে নয় ওভাবে পড়তো। এই সব নানান ফেকাহহ্ সৃষ্টি করেছে হাদীস। এই সম্পর্কে কোরআনের
৫। সূরা আন-আম ৬:১৫৯ আয়াতে বলছেঃ
إِنَّ الَّذِينَ فَرَّقُواْ دِينَهُمْ وَكَانُواْ شِيَعًا لَّسْتَ مِنْهُمْ فِي شَيْءٍ إِنَّمَا أَمْرُهُمْ إِلَى اللّهِ ثُمَّ يُنَبِّئُهُم بِمَا كَانُواْ يَفْعَلُونَ
অর্থঃ নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা'আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।
আমাদের কে বুঝতে হবে কোরআন আর হাদীস কখনো এক হতে পারে না। অনেকেই বলবে কোরআন আর হাদীস তো এক নয় আপনি বলছেন কেন। আমি অনেককে বলতে শুনেছি যে কোরআনে অনেক কিছু নাই তায় হাদীস দেখতে হয়! তার মানে আল্লাহ্ কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হলো যে, তার কোরআনে যা নাই হাদীসে তা আছে। কোরআন পড়লেই বোঝা যায় আল্লাহ্ কোরআনের বিধান দিয়ে ফায়সালা করতে বলছে কখনো বলেনী হাদীস দিয়ে ফায়সালা কর।
৫। সূরা মায়েদাহ ৫:৪৭ আয়াতঃ
وَلْيَحْكُمْ أَهْلُ الإِنجِيلِ بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فِيهِ وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْفَاسِقُونَ অর্থঃ যারা আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করে না, তারাই পাপাচারী।
৬। সূরা কাহফ ১৮:৫৪ আয়াতঃ
وَلَقَدْ صَرَّفْنَا فِي هَذَا الْقُرْآنِ لِلنَّاسِ مِن كُلِّ مَثَلٍ وَكَانَ الْإِنسَانُ أَكْثَرَ شَيْءٍ جَدَلًا
অর্থঃনিশ্চয় আমি এ কোরআনে মানুষকে নানাভাবে বিভিন্ন উপমার দ্বারা আমার বাণী বুঝিয়েছি। মানুষ সব বস্তু থেকে অধিক তর্কপ্রিয়।
(ক) কোরআন বাদে আমিকি হাদীস দিয়ে ফায়সালা করবো?
(খ) কোরআন বাদে আমরা কি হাদীস দিয়ে ফায়সালা করছি না?
(গ) আমরা কি তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের নামে বেশীর ভাগ'ই
হাদীসের বয়ান করছি না?
কোরআনের পাশে হাদীসকে জুড়তে গিয়ে আলেমরা অনেক মতবাদ সৃষ্টি করেছে, তর্ক সৃষ্টি করেছে। সাড়ে তিন থেকে চার শত বছর মানুষের মুখে মুখে ধরে রাখা কথা যে রুপ কথার গল্প হতে পারে যা কেবলী আন্দাজ আর অনুমানের ভিত্তি ছাড়া বিশ্বাসের কোন পথ নাই। এই সম্পর্কেও কোরআনে আল্লাহ্
৭। সূরা ইউনুস ১০:৩৬ আয়াতে বলেছেনঃ
وَمَا يَتَّبِعُ أَكْثَرُهُمْ إِلاَّ ظَنًّا إَنَّ الظَّنَّ لاَ يُغْنِي مِنَ الْحَقِّ شَيْئًا إِنَّ اللّهَ عَلَيمٌ بِمَا يَفْعَلُونَ
অর্থঃ বস্তুতঃ তাদের অধিকাংশই শুধু আন্দাজ-অনুমানের উপর চলে, অথচ আন্দাজ-অনুমান সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না। আল্লাহ ভাল করেই জানেন, তারা যা কিছু করে।
(ঘ) আমরা আজ যে হাদীস পড়ছি তা কি আন্দাজের উপর নয়?
(ঙ) হাদীস কি কখনো পৃথিবীতে লিখিত আকারে ছিলো, যে ভাবে
কোরআন ছিলো?
আল্লাহ্ বলছেন মুহম্মাদ যদি আমার নামে নিজে কিছু রচনা করতো তবে অবশ্যই তার ডান হাত পাকড়াও করে তার জীবন ধমনী কেটে ফেলতাম। তবে মুহাম্মাদ (সাঃ) কোরআনে কিছু লিখেনী। কিন্তু হাদীসের লিখা গুলিকি ধর্মে নতুন ভাবে প্রবেশ করেনি? হাদীসের লিখা ধর্মে কোরআনের আয়াতের পাশে প্রবেশ করেছে। এর পরেও মতবাদ করি পাক কালামের সাথে। আমরা কোরআন বাদে হাদীস নিয়ে নানান মতবিরোধ করছি। হাদীস লিপিবদ্ধ করা রাসুলের বারণ ছিলো নিম্নের হাদীস গুলি দেখি।
হযরত আবু ছাইদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত: রাসুলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন যে, কোরআন ব্যতীত আমার কোন কথাই লিখিও না। আর কোরআন ব্যতীত আমার নিকট থেকে অন্য কিছু লিখে থাকলে, তা যেন মুছে ফেলা হয়।” [ দ্র: সহিহ্ মুসলিম, আ. ফা. ভুইয়া, ১ম খ. ১ম সংস্করণ, পৃ: ৫১]
শরীয়তি আলেমরা কি সব মুছে ফেলেছে?
আমার কাছ থেকে তোমরা কোরান ছাড়া আর কিছুই লিখবেনা। যদি কেউ লিখে থাকে তবে অবশ্যই তা নষ্ট করে ফেল।'' -সহিহ মুসলিম, ভলিউম১, পৃষ্ঠা ২১১, হাদীস নং ৫৯৪, প্রিন্টার-মতকবে আদনান, বৈরুত,১৯৬৭।
শরীয়তি আলেমরা কি সব নষ্ট করে ফেলেছে
হাদীসটি সম্বন্ধে বিশ্বের সকলেই একমত; আবার বিশ্বের সকলেই (শরীয়ত) হাজারো ফন্দি-ফিকির, কুট-কৌশলে হাদীসটি বাতিল বলে সাব্যস্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকেন।
যে হাদীসের বলে আমরা এগুলি বরে থাকি তা নবী করীম (সাঃ) জীবদ্দশায় লিকেনী এবং তার নিকট ঘনিষ্ট খলিফারাও লিখেনী।
১। কেন লিখেনী প্রয়োজন ছিলোনা?
২। এত প্রয়োজনীয় হাদীস না লিখার কারন কি?
৩। হাদীস না লিখা কি নবীর নিষেধাঙ্গা কারন কি?
(ক) এক আল্লাহ্ (খ) এক কিবলা (গ) এক কোরআন (ঘ) এক রাসুল অথচ ধর্মে আজ নানান ফিরকাহহ্। কেন জানেন? মানুষের হাতের লিখা নানান হাদীস গ্রন্থই জন্মই দিয়েছে ধর্মে নানান ফিরকাহহ্। এটা আমাদের কাম্য নয়। আমাদের আজ একই মতে একই পথে চলার কথা ছিলো কিন্তু আজ কেউ অহাবী, কাদিয়ানী, শিয়া,ছুন্নী সহ নানান মতে চলছি।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই জুলাই, ২০১১ ভোর ৪:৪১
ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
কোরান সম্মত, মুছলিম সম্মত সত্য সুন্দর সাহসী পদক্ষেপ। কিন্তু হতাসার বিষয় শিয়া/ছুন্নীগণ মানবেই না।
বিনীত।