| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সেলিম জাহাঙ্গীর
সেলিম জাহাঙ্গীর যে দ্যাশে নাই জীন মরণরে আমার মন ছুটেছে সেই দ্যাশে গুরু লওনা আমায় তোমার সে দ্যাশে
ইসলামের ইতিহাস রক্তের ইতিহাস। খেলাফত মাওলাইয়াতকে ধ্বংস করার জন্য যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল তাহাই ইসলামের ইতিহাসকে রক্তের ইতিহাসে পরিনত করেছে। উমাইয়া এবং আব্বাসীয় রাজতন্ত্রের যুগে কোরআন তাফসীরের সকল পরিবর্তন ঘটেছে তাহার সংশোধন করে নেয়া তেমন কঠিন কাজ নয়। স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ মন নিয়া জ্ঞানী ওয়াকিবহাল ব্যক্তিগণ হতে প্রকৃত ত্ফসীর উদ্ধার করল্ইে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে। কিন্তু মাওলাইয়েতকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নামে পার্থিব খেলাফত কোরআন প্রকাশের উপর যেই সকল অপকীর্তি করেছে তাহা বিশেষ ভাবে দ্রষ্টব্য। এক শ্রেণীর জালেম, আলেম বেশ ধরে নায়েবে রাসুল সেজে ইয়াজিদ এর মতবাদ তথা শুধু অনুষ্ঠান সর্বস্ব ধর্মকে মুহাম্মাদী ইসলাম বলে সমাজে চালাচ্ছে। তাদের দল সমাজে অনেক বেশী, যেমন ছিল কারবালায় ইয়াজিদ পন্থী মুসলমান এবং হুসাইন (রাঃ) পন্থী তথা মোহাম্মাদী ইসলাম পন্থী মুসলমান। কারবালায় ইয়াজিদের লোকসংখ্যা ৩০ হাজার। এরা সবাই কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ্জ ও যাকাত পালন করতো। ইমামতি করতো, খুৎবাহ্ দিত। ঐ ৩০ হাজার ইয়াজিদদের সৈন্যদের মধ্যে আড়াইশত কোরআনের হাফেজ ছিল, তাফসিরকারকও ছিল। অপর পক্ষে হুসাই (রাঃ) এর পক্ষে ছিল মাত্র ৭২ জন। অথচ ইমাম হুসাইন (রাঃ) তাদেরকে মুসলমান বলে স্বীকার করেননাই। তিনি তাদেরকে প্রশ্ন করেছিলেনঃ ”আলাইছা ফি মুসলিমুন?” তোমাদের মধ্যে কি একজনও মুসলমান নেই? সেনাপতি হুর তার ভাই, গোলামসহ ত্রিশ জন অনুচর নিয়ে ইমাম হুসাইন (রাঃ) এর পক্ষে এসেযোগদান করলেন। এখানেই আসল ও নকল মুসলমানের পরিচয় করিয়ে দিলেন ইমাম হুসাইন (রাঃ)। ইমাম হুসাইন (রাঃ) শহীদ হবার পর ইয়াজিদ এবং তার সহযোগিরা ইসলামের মূল শিক্ষা বর্জন করে তাদের মতবাদ তাদেরর স্বার্থের অনুকুল্যে ব্যবহার এবং প্রচার করেছিল, প্রয়োজনে হাদীস তৈরী করতো। ফতোয়া দিত তার স্বার্থ ও তারপ্রচারিত মতবাদের পক্ষে। ঐ শিক্ষাই অদ্যাবধি অধিকাংশ মানুষ দিচ্ছে এবং গ্রহণ করছে আজও অবধি। কারণ ইয়াজিদ ও তার সতীর্থরা মৃত্যুর করাল গ্রাসে পতিত হলেও তাদেরপ্রেতাত্মাগুলো সহস্র-লক্ষ ভাগে বিস্তার লাভ করে আছে মুসলিম সমাজে। শুধু বাহ্যিক আচার নিষ্ঠা নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব, যাকাত ও কলেমা ইত্যাদিই ইসলাম এ কথা ইয়াজিদ ও তার অনুসারীগণ প্রচার করছে। উমাইয়া বংশের মালিক ইবনে মারওয়ান মদীনায় গিয়ে নবীজির রওজা মোবারকে থাকতো আর সর্বদা তাসবীহ্ তাহলীল ও কোরআন তেলওয়াত করতো। কিন্তু মূলে তার উদ্দেশ্য ছিল মসজিদে নব্বীতে উমাইয়া শয়তানির বিরুদ্ধে মদীনা লোকেরা কি বলে সে দিকে নজর রাখা এবং গোপনে তা দামেস্কে উমাইয়া রাজ দরবারে পাঠিয়ে দেয়া। এর মুনাফিকীর কারণে মদীনার বার হাজার চারশত সাতানব্বই জন লোক মারা যায়। তার মধ্যে ৭০০ জন ছিলো কোরআনের হাফেজ। শধু তায় নয় অবলিলায় অনেক মেয়ে ধর্ষনের শিকার হয় ফলে এক হাজার মহিলা অবৈধ সন্তান প্রসব করেছিল। এরাই প্রবর্তন করেছিল জপ-তপ, হাজার বার, লক্ষ বার অজিফা জপ করার রীতি। তাদের দ্বারা এবং তাদের অনুসাররী মোল্লা-মৌলবীদের দ্বারা মোহাম্মাদী ইসলামের যে ক্ষতি হয়েছে তা জ্ঞানীগণ মর্মে মর্মে উপলদ্ধি করছে এবং তার কারণে আজও মুসলমানগণ বিশ্বেও অন্যাণ্য জাতীর পিছনে পড়ে আছে। আধ্যাত্মিকতাই মুহাম্মাদী ইসলামের প্রাণ বা মূল ভিত্তি ছিল।
১ম পর্ব----লেখা চলবে
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:২৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
২|
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৪
নিষ্কর্মা বলেছেন:
ভাগ্য খারাপ বলে আজও আমরা এই সব জ্ঞান পাপীদের পিছনে পিছনে হাঁটছি। আমাদের কি শিক্ষা হবে না?
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আসলে আমরা যখন বাজারে যায় সব্জি কিনতে তখন বেগুন কানা, পোকা খাওয়া কিনা সেটা পরখ করি, আবার লাউটি কটি কিনা সেটা ভালো করে দেখি। কিন্তু আমরা যে ধর্মটা পেলাম বা পালন করছি সেটাও ভালো করে দেখে নিতে হবে কি সঠিক আর বেঠিক। সঠিক ভাবে জানতে হবে ইতিহাস। কেবল স্রোতের সাথে গা-ভাসিয়ে দিলে চলবে না।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
৩|
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২৬
জীবন্মৃত০১ বলেছেন: বিষয়টি নিয়ে জানার আগ্রহ ছিল অনেকদিন থেকে। আপনাকে ধন্যবাদ ইসলাম ধর্মের প্রচারের বিষয়টি ধারাবাহিকভাবে তুলে আনার প্রচেষ্টা গ্রহণের জন্য। প্রিয়তে নিলাম।
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৮
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: চেষ্টা করবো ইতিহাসটি তুলে ধরতে। তবে অনেকের এই ইতিহাস শুনে শরীরে ফোসকা পড়তে পারে বিশেষ করে ইয়াজিদ এর অনুসারীরা। এদের সংখ্যাও বর্তমানে কমনয়। দোয়া করবেন আমার জন্য।
৪|
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪০
গাজী সালাহউদ্দিন বলেছেন:
জানার আগ্রহ আছে ..বাকী পর্বের অপেক্ষায় । তবে লেখার সূত্র দেয়া প্রয়োজন ।
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: লেখার শেষে রেফারেন্স দিবো কোন কোন বই থেকে সূত্র গুলি নিলাম। ভালো থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
৫|
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৬
নভোচারী বলেছেন: ইসলাম আচার সর্বস্ব ধর্ম না। শুধু নামায রোজা করলেই যদি মুক্তি পাওয়া সম্ভব হত তাহলে কুরআনের আয়াতে আয়াতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার কথা আসত না আর নবীজি(স)ও তাঁর জীবনে মজলুমের অধিকারের ব্যাপারে সচেষ্ট হতেন না। খোলাফায়ে রাশেদিনের পর থেকে ইসলামে অনেক কিছু ইসলাম বলে চালিয়ে দেয়া হয়েছে যার থেকে প্রকৃত ইসলাম অনেক দূরে।
পরবর্তী পর্ব দেখার আগ্রহ রইল।
প্রাসঙ্গিক না। এরপরও কথাটা বলতে চাই। হাদীস বিষয়ে আপনার সাথে আমার দ্বিমতগুলো নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। আপনার চোখে পড়েনি হয়তো। বিষয়টি নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা করার ইচ্ছা ছিল। এই লিঙ্কে গেলে পাবেন। আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় আছি।
ভালো থাকবেন।
৬|
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৫৩
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: পরবর্তী পর্ব দেখার জন্য অপেক্ষা করুন ইনশআল্লাহ্ আরেক পর্ব অচিরেই দিবো। আর আপনি আমার নাম দিয়ে " ব্লগার সেলিম জাহাঙ্গীরের প্রতিঃ হাদীস অবশ্যই মানতে হবে।" শিরোনামে একটি পোস্ট দিয়েছেন কিন্তু দুঃখের বিষয় এই লিখাটি আমার নজরে পড়েনাই। অবশ্যই লিখাটি পড়ে উত্তর দিবো ইনশআল্লাহ্। ভালো থাকবেন, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
৭|
১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৫২
স্বাধীকার বলেছেন:
তাহলে কি আপনি বলতে চাচ্ছেন, মোহাম্মদ(সাঃ) এর ইসলাম বলতে শিয়াদের ইসলামকেই মানতে হবে?
লিখতে থাকুন, আলোচনা হবে।
১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:০০
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: কারবালা যুদ্ধের কথা লিখার কারণে কি শিয়াদের কথা বলছেন আপনি? হযরত আলী, মা ফাতেমা, হাসান, হোসেন এরা কারা? এরাইতো নবীর সব চেয়ে নিকটজন। কথিত আছে নবীর পরেই যার কোরআনের উপর বিচক্ষনতা ছিলো সেই হলো আলী (রাঃ) আর সেই পরিবার শেষ করে দিয়ে ইয়াজিদ গড়েছে তার নতুন মসনদ। নবীর ধর্ম যদি ইয়াজিদ মানতো বা ধরে রাখতো তাহলে নবীর বংশের সকলকে কারবালায় হত্যার উদ্দেশ্য কি? এতে করেকি সে সোয়াব কুড়িয়েছে। না আল্লাহর নির্দেশ পালন করেছে? সে যে কি পরিমান ধর্মের ক্ষতি করেছে তা ভালো করে জানার চেষ্টা করুন ইনশআল্লাহ আপনার দৃষ্টি খুলে যাবে।
৮|
১১ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:০৭
মজলুম বলেছেন: শিয়া ছাগল গুলার উৎপাত ও বাইড়া গেছে,
যে কোন শিয়া টপিকে ডিবেট করবা?
১১ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২৯
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমার লিখার মাঝে শিয়া পাইলেন কোথায়? আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনি ইয়াজিদ এর বংশধর।
৯|
১২ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১:৫৮
স্বাধীকার বলেছেন:
মুয়াবিয়ার সাথে দিরহামের বিনিময়ে চুক্তিকারী, আরাম আয়েশে জীবনযাপনকারী, দুটি বিবি থাকার পরও আব্বাসের বউকে বিবাহ করার মানসিকতা ধারণকারী হাসান(রাঃ) এর পক্ষে ইসলামের খেলাফত পরিচালনা করা সত্যিই কঠিন ছিলো। যে সক্ষমতা হযরত আলী(রাঃ) অর্জন করতে পারেননি, মুয়াবিয়ার নিকট রাজনৈতিক কুটনীতিতে হেরে গিয়ে, আয়শা (রাঃ) বিরোধীতায় হযরত আলী (রাঃ) কেই অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। হযরত হাসান(রাঃ) ব্যক্তিত্ব খিলাফতে টিকতে পারার মতো ছিলোনা। তবে হযরত হোসেন(রাঃ) এর ব্যক্তিত্ব ছিলো খেলাফতের উপযুক্ত এবং যথার্থ। কিন্তু ততদিনে মুয়াবিয়ার শেকড় অনেক দূর পর্যন্ত প্রোথিত হয়েছিলো।
ইসলামে কেন আপনি রাজতন্ত্রের কথা বলছেন? এটা হলে তো মুহাম্মদ (সাঃ) তার জীবদ্দশাতেই ঠিক করে যাওয়ার কথা। ইনিয়ে বিনিয়ে যতই বলুন, শিয়া মতবাদকে সমর্থন দিয়ে পোস্ট দিবেন-এটাকে কি আমরা নিরপেক্ষ বলবো?
১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৫
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: শিয়া মতবাদ কিংবা সুন্নি, কাদিয়ানী,ওহাবী,সহ ২৩ ফেকাহহ্ এখন বর্তমান বিরাজ করছে; আসলে কোনটি ঠিক? বাজারে বেগুন অথবা লাউ কুমড়া কেনার সময় ভালো করে দেখে নেন সেটা পোকা লাগা কিংবা পঁচা আছে কিনা। কিন্তু আপনি যে ধর্মের যে আদর্শে বিশ্বাসী সেটাকি কখনো জাচাই করেছেন? করতে হবে জন্মগত ভাবে আমরা যা পেয়ে থাকি সেটাই খাঁটি ভেবে চলি আসলে পরখ করে দেখা উচিত।
১০|
১২ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৩৯
কামরুল হাসান শািহ বলেছেন: পরবর্তী পর্ব অপেক্ষায়
১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৬
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ধন্যবাদ, অপেক্ষায় থাকুন
১১|
১২ ই নভেম্বর, ২০১১ ভোর ৪:০৪
বেঈমান আমি বলেছেন: পড়লাম।ভালো লাগলো।নেক্সট পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:০৬
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: ধন্যবাদ, অপেক্ষায় থাকুন
১২|
১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: জাহাঙ্গীর ভাই
আমার ব্লগে একটু আসবেন কি? কিছু গুরুত্বপুর্ণ কথা ছিল - এখানে দেখুন:
Click This Link
১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ২:১৪
সেলিম জাহাঙ্গীর বলেছেন: আমি আপনার আমন্ত্রন গ্রহণ করেছি। আপনার ব্লগে প্রবেশ করে আপনার লিখাটি পড়লাম। আপনার ব্লগটি দেখে মন্তব্য অবশ্যই লিখবো। তবে ভালো লাগলো সুরাত দেখে এখন বাকি রইলো সিরাত দেখার।
১৩|
১৭ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:১৪
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আমন্ত্রন গ্রহনের জন্য। তবে আমি যে কাজটি শুরু করেছি সেটাকে প্রচলিত অর্থে ব্লগ বলা সম্ভবত উচিত হবে না। বরং আমি এটাকে দেখছি কোরআন অধ্যয়নের নতুন যুগউপযুগী পদ্ধতি হিসেবে। যদিও কাজ এখনও অনেক বাকি তবে পরিকল্পনা অনুযায়ী এই ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন থেকে যেকোন পাঠক তার জন্য প্রযোজ্য কোরআনের নির্দেশনাগুলি খুঁজে নিতে পারবে। সেই সাথে সে দেখতে পারবে তার উপর প্রযোজ্য কোরআনিক নির্দেশনার কতভাগ সে মানতে পারছে।
আমি এটাকে তৈরী করতে চাচ্ছি উম্মুক্ত প্লাটফর্ম হিসেবে। যেখানে যে কেউ নিবন্ধিত হয়ে তার পছন্দের যেকোন অনুবাদ গ্রন্থ সংযোজন করে নিতে পারবে। এখানে গ্রন্থ বাছাইএর একটা অপসন আছে - যেখান থেকে বাছাই করা যাবে কোন কোন অনুবাদ গ্রন্থ দেখতে আগ্রহী এবং কোন ক্রমানুসারে সেগুলি সাজানো থাকবে।
তবে কাজটি নি:সন্দেহে অনেক বড়। আমার একার পক্ষে এটা করা সম্ভবও নয় নিরাপদও মনে করি না। বরং আমি চাই সকলের পরামর্শ নিয়ে এটাকে এমনভাবে তৈরী করতে যা কোরআন থেকে শিক্ষা নেয়ার ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী কার্যকর হবে। আমি যা ভেবেছি সেটাই চুড়ান্ত নয় - বরং আমি চাই আপনারা পরামর্শ দিন কোথায় কি সংযোজন/বিয়োজন করা প্রয়োজন। আমি সাধ্যমত চেস্টা করব প্রয়োজনীয় অপসনগুলি সংযোজনের।
আমি আশা করি আমরা সবাই মিলে চেস্টা করলে আল্লাহর সাহায্যে কোরআন চর্চার একটা নতুন আধুনিক যুগউপযোগী পদ্ধতি তৈরী করতে পারব। আল্লাহ আমাদের সকল কল্যানকর প্রচেস্টা কবুল করুন - আমীন।
১৪|
০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২৫
রহমান পার্থ বলেছেন: এর পরের পর্ব কি আসেনি এখনো?
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৫০
নিথর শ্রাবণ শিহাব বলেছেন: ভাল একটা পোস্ট