নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

চীনের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের ইতিহাসে চীন থেকে সরাসরি কোনো জাহাজ সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে আসার ঘটনা এটিই প্রথম

২৩ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ২:৫৫




চীন থেকে পণ্যভর্তি জাহাজ সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে আসার উদ্দেশ্যে প্রথম জাহাজটি নানশা ছাড়বে আগামী ৪ ডিসেম্বর, চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছবে ১৬ ডিসেম্বর। এতে করে প্রতি মাসে প্রায় ২০ কোটি টাকা পরিবহন ব্যয় সাশ্রয় হবে আমদানিকারকদের। পাশাপাশি চীনের সাংহাই-চট্টগ্রাম সরাসরি রুটে পণ্য পরিবহনের কারণে সময়ও অর্ধেকে নেমে আসবে। এতে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চীন থেকে স্বল্পসময়ে কাঁচামাল এসে পৌছায় পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ১২ থেকে ১৬ দিন সময় পাবেন গার্মেন্ট মালিকরা। যথা সময়ে অর্ডার সরবরাহ বা শিপমেন্ট করার নতুন এক সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা। দেশের ইতিহাসে চীন থেকে সরাসরি কোনো কনটেইনারবাহী জাহাজ আসার ঘটনা এটিই প্রথম। নতুন এই রুট চালু হওয়ার আগে প্রতিটি ট্রিপে ২৪ থেকে ২৮ দিন সময় লাগত। এখন লাগে মাত্র ১২ থেকে ১৫ দিন। এতে প্রতি আমদানি ট্রিপে দৈনিক সর্বনিম্ন ১২ হাজার ডলার করে ১২ দিনে সাশ্রয় হচ্ছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ডলার বা ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ হিসাবে ৩টি কোম্পানির মাসে পরিবহন ব্যয় সাশ্রয় হচ্ছে প্রায় ২০ কোটি টাকা। এর আগে সব জাহাজকে চীন থেকে আমদানি পণ্য নিয়ে সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসতে হতো। ১৬ ডিসেম্বর একটি ভেসেল চট্টগ্রাম বন্দরে আসার মধ্য দিয়ে চীনের সঙ্গে সমুদ্রপথে সরাসরি যোগাযোগের এই নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এতেকরে পণ্য আমদানিতে সাশ্রয়ের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। সরকারের প্রশংসা করে বিশেষজ্ঞরা বলেন সমুদ্রপথে সরাসরি চীন থেকে পণ্য আমদানি দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে নিঃসন্দেহে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.