| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
পরমাণু বিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (সিইআরএন বা সার্ন) সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকার। মৌলিক পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত সার্ন ঈশ্বর কণা বলে পরিচিত হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব প্রমাণের মাধ্যমে বিশ্বাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। মৌলিক ও কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা নিয়ে গবেষণার জন্য সার্নের রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় গবেষণাগার। এছাড়া বিজ্ঞানী ও গবেষকদের জন্য প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও তথ্য বিনিময়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির বেশ পুরনো ঐতিহ্যও রয়েছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সার্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, ছাত্র, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও গবেষণার ব্যবস্থা করে থাকে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে গবেষকরা ইন্টার্নশিপও করতে পারেন। জনগণের দোরগোড়ায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে পৌছে দেয়ার বিষয়ে সরকারের উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা ও উন্নততর কণা বিষয়ে স্বল্পমেয়াদি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। সার্নের বেলজিয়াম ও ভারতের প্রখ্যাত অধ্যাপকরা এখানে ক্লাস নেবেন। রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জনগণের সুবিধার জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতিতে সার্নের সঙ্গে এ চুক্তি আরেকটি মাইলফলক।
©somewhere in net ltd.