| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
রাষ্ট্রীয় ও বিশেষায়িত খাতের ব্যাংকগুলোর বিশেষ উদ্যোগে ১০ টাকা দিয়ে কৃষকের ব্যাংক হিসাব খোলার পরিমাণ বাড়ছে। চলতি বছরে অক্টোবর পর্যন্ত ৯৭ লাখ ২১ হাজার ৭২ কৃষক ব্যাংক হিসাব খুলতে সক্ষম হয়েছেন। অক্টোবর মাসে নতুন করে এক হাজার ৭০০টি হিসাব খোলা হয়েছে। কৃষকের হিসাবসহ ১০ এবং ১০০ টাকার মোট হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৪৩ লাখ ২৫ হাজার ১৬৩টি। কোন সার্ভিস চার্জ ছাড়াই এ হিসাব খোলা হয়। এ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় ও বিশেষায়িত ৭ ব্যাংকের পুঞ্জীভূত হিসাব সংখ্যা ৯৭ লাখ ২১ হাজার ৭২টি। আগের মাসে এর পরিমাণ ছিল ৯৭ লাখ ২০ হাজার ৪১২টি। জনতা ব্যাংক অক্টোবর মাসে সবচেয়ে বেশি হিসাব খুলেছে। এ ব্যাংকে মোট ১৪ লাখ ৯৫ হাজার ৪৬টি হিসাব রয়েছে। এর মধ্যে নতুন খোলা হয়েছে ৩৬৩টি। এর পরে সোনালী ব্যাংকে অক্টোবর মাসে খোলা হয়েছে ১৯০টি হিসাব। ব্যাংকটিতে পুঞ্জীভূত হিসাবের সংখ্যা ২২ লাখ ৮০ হাজার ৪৩৯টি। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে ১০ টাকায় খোলা এ্যাকাউন্টের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সেই সঙ্গে সচল হিসাবের সংখ্যাও বেশি। এ ব্যাংকের পুঞ্জীভূত হিসাবের সংখ্যা ২৫ লাখ ৩২ হাজার ৫৯৬টি। রূপালী ব্যাংকের ৫ লাখ ৩ হাজার ব্যাংক হিসাব রয়েছে। বেসিক ব্যাংকের ৬৯টি হিসাব নতুন খুলেছে। এ ব্যাংকের মোট হিসাবের সংখ্যা ৮০১টি। একইভাবে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকে ১৪ লাখ ৩০ হাজার ৮৭৩টি হিসাব রয়েছে। ২০১০ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রথম কৃষকদের জন্য ১০ টাকার বিনিময়ে হিসাব খুলতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ডের ফটোকপি এবং দুই কপি ছবি জমা দিয়ে হিসাব খুলতে পারছেন কৃষক। এ ধরনের হিসাব পরিচালনায় ব্যাংক কোন চার্জ আরোপ করতে পারবে না। এসব হিসাব থেকে স্বল্পসুদে ঋণ দেয়া এবং কৃষকের সঞ্চয়ের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ দেয়ার নির্দেশ দেয়া আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। একইভাবে স্কুল পর্যায়েও শিক্ষার্থীরাও যেন এ সুযোগ পায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেই ব্যবস্থাও করেছে। অন্যান্য এ্যাকাউন্টের মতো এসব এ্যাকাউন্টের জন্য ন্যূনতম কোন স্থিতি রাখার প্রয়োজন নেই। বাড়তি কোন চার্জও আরোপ নেই এসব ব্যাংক হিসাবে। অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা মনে করছেন, কৃষকসহ সমাজের অন্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় নিয়ে আসায় কৃষি উপকরণ ও ভাতার টাকা বিতরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে সঞ্চয়ের মনোভাব গড়ে উঠছে, যা ভবিষ্যতে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে।
©somewhere in net ltd.