| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
একজন শিক্ষিত মানুষ কেন, কি কারণে ‘জিয়া পরিবারের’ নেতৃত্বে রাজনীতি করে? অর্থাৎ বিএনপি করে। দীর্ঘদিন এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছি। কেবল আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতার কারণেই তারা বিএনপি করে। তাদের মধ্যে পাকিস্তান প্রেম আছে, পাকিস্তানী মিলিটারি জান্তাকে পরাভূত করে বাংলাদেশ বানানোর জ্বলন আছে, স্বাধীনতার বিরোধিতাও করতে পারছে না প্রকাশ্যে। সে কারণে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ। এই ক্ষোভ থেকেই তারা আওয়ামী লীগের বিরোধিতার আড়ালে মূলত স্বাধীনতার বিরোধিতা করার জন্য বিএনপির ছাতার নিচে আশ্রয় নিয়েছে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. মঈন খান, ড. ওসমান ফারুক, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এদের আর যাই বলা হোক অশিক্ষিত বলার কোন সুযোগ নেই। তারা শিক্ষিত নন এমন কথা তাদের চরম শত্রুও বলবে না। কিন্তু তারপরও তারা বিএনপি করছেন। যদিও বেশ কিছুদিন ধরে লো-প্রোফাইলে। আরেকটি সম্প্রদায় আছে যাদের বাপ-চাচা রাজাকার ছিল (যেমন রাজাকার চখা মিয়ার পুত্র মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর), ছেলে রাজাকারের সন্তান বলে নিজের পরিচয় দিতে লজ্জা পাচ্ছে অথচ পাকিস্তানপ্রেম আছে, তাই বিএনপি’র ছাতাই একমাত্র আশ্রয়স্থল। আরেকটি গ্রুপ আছে যাদের শিক্ষাই হলো ভারত বিরোধিতা। এরা আওয়ামী লীগকে প্রো-ভারতের জায়গায় দাঁড় করিয়ে বিএনপিই তাদের মূল ঠিকানা মনে করে সুখ পায়। আর এক শ্রেণী আছে কউমি মাদ্রাসা পড়ুয়া আলেম, তারা মনে করে পাকিস্তান মানে পাক—স্তান। এই শ্রেণী বিএনপিকে ভোট দিয়ে স্বর্গ সুখ অনুভব করে, তাদের ছেলে/মেয়েরা জামাত বিএনপির রাজনীতি করে।
©somewhere in net ltd.