| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
নিবিড় প্রশিক্ষণ দিয়ে ফ্রিল্যান্সার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে আউটসোর্সিং আয়ের জন্য দেশে ১৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭০ হাজার ফ্রিল্যান্সারকে প্রস্তুত করছে সরকার। সারাদেশের ৭০ হাজার ফ্রিল্যান্সারকে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলেও এর থেকে অন্তত দেড় লক্ষাধিক ফ্রিল্যান্সার সুবিধা ভোগ করবেন। প্রশিক্ষণ শুরু হবে আগামী জানুয়ারি থেকে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তা শেষ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়েও (সম্ভাবনাময় এলাকা) ফ্রিল্যান্সারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে যাতে করে সাংবাদিকরা পেশাগত জীবনে উৎকর্ষ আনতে পারেন এবং অবসর সময়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বাড়তি আয় করে জীবনমান উন্নত করতে পারেন। তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তিতে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত করতে সরকার এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সারাদেশের ৫৫ হাজার তরুণকে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই ৫৫ হাজার তরুণের কাছ থেকে আরও ৫৫ হাজার তরুণ ফ্রিল্যান্সিং বিশেষ করে আউটসোর্সিং শিখতে পারবে। এরই মধ্যে ১৫ হাজার ফ্রিল্যান্সারকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে। ২০১৩ সালে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আমাদের দেশের তরুণরা আয় করেছে ৫ কোটি ডলার। ২০১২ সালে যা ছিল ২ কোটি ডলারের মতো। দিন দিন আয়ের পরিমাণ বাড়ছে। ফ্রিল্যান্সারদের প্রশিক্ষণ দিলে হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ফ্রিল্যান্সারদের প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতে শিক্ষামন্ত্রণালয় দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি কম্পিউটার ল্যাব এবং ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। বিশ্ব বাজারে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং বিষয়ে সচেতনতা ও নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিংয়ের কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে সম্প্রসারণ করতেই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে সরকার। প্রযুক্তিভিত্তিক বৈদেশিক শ্রমবাজার হিসেবে বিশ্বে সেরা আউটসোর্সিংয়ের দেশ বলে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ। অনেক দেশই তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে আসছে ফলে তারা অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ সে পথেই এগুচ্ছে।
©somewhere in net ltd.