| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
প্রায় ১০ হাজার ৬ শ ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮ প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত পাশাপাশি দুটো ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। এর মধ্যে একটি সম্পূর্ণ নতুন এবং অপরটি বিদ্যমান মিটার গেজকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করা হবে। এজন্য সরকারের ব্যয় হবে ৬ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা। প্রকল্পটি ছাড়াও একনেকে আরো সাতটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া দেয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোতে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৬২৫কোটি ৭৯ লাখ টাকা। বাংলাদেশ রেলওয়ে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে ডুয়েল গেজের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করবে। আখাউড়া থেকে লাকসাম পর্যন্ত ৭২ কিলোমিটার দূরত্বে পাশাপাশি যে দুটো রেললাইন নির্মাণ করা হবে তার মোট দৈর্ঘ্য ১৪৪ কিলোমিটার। এছাড়া, লুপ ও সাইডিংস লাইনের জন্য আরো ৪০ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ রেললাইন তৈরি করা হবে। মোট ১৮৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ডুয়েল গেজ লাইন নির্মিত হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে অচিরেই ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ের একটি প্রধান করিডোরে পরিণত হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রতিবেশি দেশগুলোকে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে মালামাল পরিবহণ সুবিধা দিতে পারবে। এতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তারা আকৃষ্ট হবে। টঙ্গী-ভৈরববাজার এবং লাকসাম-চিনকি আস্তানা সেকশনের ডাবল লাইন নির্মাণ কাজ ২০১৫ সালে শেষ হবে। সেই সঙ্গে আখাউড়া-লাকসাম সেকশন ডাবল ডুয়েল গেজ হয়ে গেলে পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইন ডাবল ডুয়েল গেজ হয়ে যাবে। ফলে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের চাহিদা মেটানো সহজ হবে।
©somewhere in net ltd.