| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
গ্যাসের উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়াতে দুটি আলাদা প্রকল্পে ৮৮৩ কোটি টাকার সহায়তা দিচ্ছে জাপানভিত্তিক দাতা সংস্থা জাইকা। দুটি আলাদা প্রকল্পে এ সহায়তা দিচ্ছে সংস্থাটি। এর মধ্যে ন্যাচারাল গ্যাস এনার্জি ইফিসিয়েন্সি প্রকল্পের মাধ্যমে গ্যাস লাইনে অত্যাধুনিক ৬০ হাজার প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন করা হবে। অন্যটিতে উৎপাদন বাড়াতে নরসিংদী গ্যাস ফিল্ডে কম্প্রেসার স্থাপন করা হবে। প্রকল্প দুটি অনুমোদনের জন্য মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হানিসা সভায় সভাপতিত্ব করবেন। তিতাস গ্যাস ফিল্পের লোকেশন-সি ও নরসিংদী গ্যাস ফিল্ডের ওয়েলহেড চাপ (উৎপাদন) বৃদ্ধি করতেই কম্প্রেসার স্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১৭০ ঘনফুট গ্যাস বেশি সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এ প্রকল্পে জাইকা দেবে ১৫৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে চট্টগ্রাম নগরীর আবাসিক এলাকায় গ্যাসের চুরি ও অপচয় রোধে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন করা হবে। দুধাপে এ মিটারগুলো স্থাপন করা হবে। প্রথম ধাপে ৩ হাজার আর দ্বিতীয় ধাপে ৫৭ হাজার প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হবে। এতে মোট ব্যয়ের সিংহভাগ ৭২৯ কোটি টাকা দেবে জাপানভিত্তিক সংস্থাটি। তিতাস গ্যাস ফিল্পের লোকেশন-সি ও নরসিংদী গ্যাস ফিল্ডের ওয়েলহেড চাপ বর্ধিতকরণের মাধ্যমে সরবরাহের পাইপলাইনে স্বাভাবিক চাপ ধরে রাখতে ভূমিকা রাখবে । অন্যদিকে গ্যাসের সিস্টেম লস কমাতে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হবে। এতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত হবে। প্রকল্প দুটিতে জাইকা বড় ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। তিতাস লোকেশন-সি ও নরসিংদী ফিল্ডে অবস্থিত কূপসমূহের ওয়েল হেড চাপ প্রতিবছর হ্রাস পাচ্ছে। এ জন্য স্থান দুটিতে দ্রুত কম্প্রেসার স্থাপন না করলে কূপগুলোতে উৎপাদিত গ্যাস ১ হাজার পিএসআইজি চাপে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। এ বাস্তবতায় গ্রিড লাইনের সঙ্গে সমন্বয় করে চাহিদা অনুসারে গ্যাসের সরবরাহ করতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
অন্য প্রকল্পের উদ্দেশ্য হল, চট্টগ্রাম মহানগরীর আবাসিক এলাকায় গৃহস্থালি পর্যায়ে ব্যবহৃত গ্যাসের অপচয় ও সিস্টেম লসের নামে চুরি রোধ করা।
©somewhere in net ltd.