| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
জামাতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি এ টি এম আজহারুল ইসলাম ভালো মানুষের মুখোশ পরে অনেক দিন দেশের মানুষকে ধোকা দিয়েছেন। এ টি এম আজহারের বিরুদ্ধে ছয়টি অভিযোগের মধ্যে গণহত্যার অভিযোগ দুটি। অভিযোগ গঠনের আদেশ অনুসারে, একাত্তরের ১৭ এপ্রিল রংপুরের ঝাড়ুয়ার বিল এলাকায় পাকিস্তানি সেনা ও সহযোগী বাহিনীর সদস্যরা নির্বিচারে গুলি করে প্রায় ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা করে। একাত্তরের ৩০ এপ্রিল রংপুর কারমাইকেল কলেজের শিক্ষক কালাচান রায়, সুনীল বরণ চক্রবর্তী, রামকৃষ্ণ অধিকারী, চিত্তরঞ্জন রায় ও কালাচান রায়ের স্ত্রী মঞ্জুশ্রী রায়কে বাসা থেকে অপহরণের পর দমদমা সেতুর কাছে নিয়ে হত্যা করা হয়। এ দুটি ঘটনায় আজহারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ গঠন করা হয়। বাকি চারটি অভিযোগে হত্যা, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, নির্যাতন প্রভৃতি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ অনুসারে, একাত্তরের ২৪ মার্চ রংপুরের আইনজীবী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলীসহ ১১ জনকে অপহরণের পর আটকে রেখে নির্যাতনের পর ৩ এপ্রিল দখিগঞ্জ শ্মশানে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ১৬ এপ্রিল রংপুরের বদরগঞ্জের ধাপপাড়ায় ১৫ নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ করা হয়। একাত্তরের নভেম্বরের মাঝামাঝি রংপুর শহরের গুপ্তপাড়ায় এক ব্যক্তিকে নির্যাতন এবং ১ ডিসেম্বর শহরের বেতপট্টি থেকে এক ব্যক্তিকে অপহরণের পর রংপুর মুসলিম হোস্টেলে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। এসব ঘটনায় আজহারুলের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন ও এসব অপরাধে সহযোগিতা করার অভিযোগ গঠন করা হয়। একাত্তরে রংপুর কারমাইকেল কলেজের ছাত্র থাকাকালে এ টি এম আজহার জামায়াতের তৎকালীন ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রসংঘের রংপুর জেলা সভাপতি হন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ছিলেন আলবদর বাহিনীর রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার। মুক্তিযুদ্ধ শেষে তিনি জামায়াতের রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৯১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমির ছিলেন। খুনি আলবদর নেতার ফাঁসি চায় দেশের জনগণ।
©somewhere in net ltd.