| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
পুলিশী রাষ্ট্র আছে বলেই বিএনপি এখনও গাড়ি পোড়াতে পারছে। কারণ, তারা যখন গাড়ি পোড়ায় তখন পুলিশ তাদের পিছন দিক থেকে ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেয়। কিন্তু যদি জনগণের পুলিশ হতো, পুলিশের ওপর শতভাগ জনগণের নেতৃত্ব থাকত তাহলে জনগণের সম্পদ নষ্ট করার সময় পুলিশ দুই দিক থেকে ঘিরে তাদের পায়ে গুলি করে সবগুলোকে কোর্টে পাঠিয়ে দিত। হাসপাতালেও পাঠাত না। জনগণের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এর ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে। ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে গণতন্ত্রের বৃহৎ দেশ আমেরিকা ও ভারতেও। আমেরিকার পুলিশ অবশ্য পায়ে গুলি করে না, সরাসরি বডি শুট করে। এমন দু’চারটে ব্যবস্থা নিলে তারা আর গাড়ি পোড়াতে সাহস পেত না। আর এ রাষ্ট্রে এখনও সামরিক কালচার আছে বলেই বেগম জিয়া জেলের বাইরে। কারণ, মানুষের মাংস পুড়িয়ে যিনি এক বছর ধরে কাবাব খেয়েছেন, যার দাঁতে মুনিরের মাংস লাগানো, যিনি আবার সেই মানুষের কাবাব খাওয়া শুরু করেছেন- তিনি কীভাবে জেলের বাইরে থাকেন? সামরিক কালচারের গণতন্ত্র ছাড়া কোন জনগণের গণতন্ত্র এ অধিকার দেয় যে, এই মানুষের কাবাব খেকো মানুষ বা ডাইনি যাই বলুন তিনি জেলের বাইরে থাকবেন? এ সামরিক কালচারের গণতন্ত্র ও পুলিশী রাষ্ট্র থেকে বের হতে হবে। নতুন বছরের প্রথম দিনে শিশু জিহাদের মৃত্যুর জন্য মাথা নত করে, তার বাবার জন্য দু’ ফোঁটা চোখের জল না হোক, অন্তত একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে-আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেষ্টা করি, দেশটা মানুষের হোক। বন্ধ হোক বেগম জিয়ার মানুষের কাবাব খাওয়ার রাজনীতি। রাজনীতি হোক মানুষের জন্য। জীবন জীবনের জন্য, তবেই গড়ে উঠবে সোনার বাংলা।
©somewhere in net ltd.