| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
‘স্যার আমাকে বাঁচান, আমার আয়ের উপর সংসার চলে। আমি কাজ না করলে আমার মা-বাবা-ভাইবোন না খেয়ে থাকবে।’ অবরোধে নৃশংসতার শিকার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন অগ্নিদগ্ধ বাস হেলপার মো. মুরাদ হোসেনের (২৩) এমন আকুতির মত আরও অনেক নিরীহ বাঙ্গালীর আকুতি কি খালেদা জিয়া শুনতে পাচ্ছেন না? যশোরের খাজুরা থেকে মাগুরা পর্যন্ত লোকাল বাসে হেলপারি করতেন মুরাদ। অবরোধের কারণে রাতে বাসেই ঘুমিয়ে ছিলেন। অবরোধকারীরা পেট্রোল ঢেলে বাসে আগুন ধরিয়ে দিলে ঘুমন্ত অবস্থায় দগ্ধ হন মুরাদ। মুরাদের অবস্থা আশংকাজনক। আগুনে তার মুখমণ্ডল, হাত-পাসহ দেহের ৩৭ ভাগ পুড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি পুড়েছে শ্বাসনালী। তার বেঁচে থাকা একমাত্র আল্লাহতায়ালার উপর নির্ভর করছে। মুরাদের মত এমন অনেক পুত্রের আয়ের উপর নির্ভর করে চলে তাদের সংসার। এখন তাদের কি হবে? যারা আগুন দিয়ে নিরীহ ও অসহায় মানুষকে পুড়িয়ে মারছে তারা কি কোন মা-বাবার সন্তান নয়? আল্লাহ যেন তাদের বিচার করে।
©somewhere in net ltd.