| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
দেশবাসীর বহুল প্রত্যাশিত ও স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’ দ্রুতগতিতে ছুটে চলেছে বাস্তবায়নের দিকে। এই সেতুর নির্মাণকাজে প্রতিদিন কাজ করবেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার শ্রমিক। ইতিমধ্যে দুই শতাধিক চীনা প্রকৌশলী, কর্মকর্তা ও শ্রমিক বাংলাদেশে পদ্মা সেতুর বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। আর পদ্মা সেতুর সব ধরনের নিরাপত্তার কাজ করছে সেনাবাহিনীর ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড ২০ বেঙ্গল ব্যাটালিয়ন। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর পদ্মা সেতু নিয়ে তোড়জোড় শুরু করে। শুরু হয় ১১০০ হেক্টরেরও বেশি জমি অধিগ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের কাজ। মুন্সীগঞ্জের মাওয়া এলাকা, শরীয়তপুরের জাজিরা-কাঁঠালবাড়ী এবং মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাটসহ পদ্মার বুকে তাকালেই চোখে পড়বে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের বিশাল কর্মযজ্ঞ। চোখের সামনে ভেসে উঠবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর বাস্তব চেহারা। মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুরের লৌহজংয়ের মাওয়া ও এর আশপাশে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পদ্মা সেতু নিয়ে এ এলাকায় চলছে বিশাল পরিসরে কাজ। কোথাও রাস্তা নির্মাণ, কোথাও মাটি পরীক্ষার কাজ, কোথাও নদীর ওপর প্লাটফর্ম নির্মাণ, কোথাও পাইল নির্মাণ, কোথাও ওয়ার্কশপ নির্মাণ, আবার কোথাওবা তীর থেকে ক্রেনের সাহায্যে জাহাজে মালামাল ওঠানোর কাজ। দেখলেই বোঝা যায় পদ্মা সেতুর কাজ চলছে পুরোদমে। সব মিলিয়ে স্বপ্নের এই সেতুকে নিয়ে পদ্মায় ও এর পারে চলছে মহোৎসব। আর এই মহোৎসবের মধ্যে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে পদ্মাবাসী।
©somewhere in net ltd.