| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে মনগড়া তথ্য বিভিন্নভাবে দেয়া হচ্ছে জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য। সরকার পতনের ডাক দিয়ে গত ৫ জানুয়ারি থেকে বিএনপি জোটের অবরোধের মধ্যে নাশকতার ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখলের শঙ্কা আকারে-ইঙ্গিতে প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। ইদানীং কোন কোন মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে অনুমাননির্ভর, মনগড়া তথ্য ও মন্তব্য পরিবেশিত হচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। দেশবাসী সবাই জানে, সশস্ত্র বাহিনী একটি দেশপ্রেমিক সংগঠন, যা সম্পূর্ণরূপে সংবিধান ও দেশের আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বাংলাদেশে প্রতিরক্ষা বাহিনীর রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের ইতিহাস রয়েছে। সর্বশেষ ২০০৭ সালের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি অবস্থানে অস্থিরতার মধ্যে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ হয়েছিল। তবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে অসাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা দখলের সর্বোচ্চ শাস্তির আইন আওয়ামী লীগ তার গত মেয়াদে প্রণয়ন করেছে। সুতরাং অযাচিত ভুয়া মিথ্যা খবর প্রচারণা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত।
©somewhere in net ltd.