| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
চলমান রাজনৈতিক সহিংসতা এবং এর কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার ঘটনা দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। সহিংসতা প্রতিহত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
নির্বাচনকেন্দ্রিক যে সহিংসতার ধারা চলে এসেছে তা নিরসনে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এসব সহিংসতার বিরুদ্ধে সকল দলকে পারস্পরিক আস্থা সৃষ্টির মাধ্যমে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে। পারস্পরিক আস্থা সৃষ্টির মাধ্যমেই চলমান সহিংসতা দূর হতে পারে। খালেদা জিয়ার ছোট ছেলের মৃত্যুর সময় তিনি মানসিকভাবে কিছুটা ভেঙ্গে পড়লেও ছেলের মৃত্যুর কারণে আন্দোলন কর্মসূচী প্রত্যাহার করেননি। তবে কোকোর মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে সমবেদনা জানাতে গেলেও তাকে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। কোকোর লাশ মালয়েশিয়া থেকে ২৭ জানুয়ারি সরাসরি খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে আনা হয়। এ সময় তার লাশ ভেতরে নেয়ার জন্যও প্রধান ফটক খোলা হয়নি। পেছনের পকেট গেট দিয়ে কোকোর লাশ ভেতরে নেয়া হয়। খালেদা জিয়ার অফিসে কয়েক ঘণ্টা রাখার পর তার লাশ জানাজার জন্য বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে নেয়া হয়। এরপর তাকে সরাসরি বনানী কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়। বেগম খালেদা জিয়া এতই নিষ্ঠুর আচরণ করছেন যে তিনি তার ছেলের দাফনের সময় সেখানে তিনি যান নি। ছেলে নয় সহিংসতাই তার কাছে প্রাধান্য পেয়েছে।
©somewhere in net ltd.