| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
ক্রমেই সম্প্রসারিত হচ্ছে দেশীয় পণ্যের বাজার। আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশে উৎপাদিত পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে স্থান করে নিচ্ছে। একই সঙ্গে দেশের চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও সমাদৃত হচ্ছে দেশে তৈরি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্যসামগ্রী। গৃহস্থালি পণ্যের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন। আর অটোমোবাইল শিল্পের ওয়ালটনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রানার অটোমোবাইল। দুটি প্রতিষ্ঠানই দেশের চাহিদা পূরণ করে সম্প্রসারণ করছে কারখানা পরিসর আর সে সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে পণ্যের গুণগত মান। দেশীয় মোটরসাইকেল শিল্পের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড। কোম্পানিটি বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রফতানির উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে রানার মোটরসাইকেল কারখানায় দৈনিক ৫০০ মোটরসাইকেল উৎপাদন করা হলেও ২০১৫ সালের মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজারে উন্নীতকরণের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের পণ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রচার-প্রচারণার প্রয়োজন আছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে এ ধারণা এখনও হয়নি যে, বাংলাদেশে মোটরসাইকেল তৈরি হতে পারে। তাদের ধারণার পরিবর্তন করা সম্ভব হলে বাংলাদেশের পণ্যের বড় বাজার পাওয়া যাবে আন্তর্জাতিক বাজারে। সেসঙ্গে পণ্যের দামেও সমস্যা রয়েছে। অভ্যন্তরীণ সুযোগ-সুবিধা পণ্যের দাম নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করে। আমদানি পর্যায়ে সুযোগ-সুবিধা কমিয়ে দেশীয় পণ্যকে উৎসাহিত করলে অনেক আমদানিকারকই পণ্য উৎপাদনে আগ্রহী হবে। তখন পণ্যের গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশ সহজতর হবে।
©somewhere in net ltd.