| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
রা
বিরোধীদলের টানা অবরোধ ও হরতালে ঝিমিয়ে পড়া উত্তর জনপদের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসতে শুরু করেছে। জিম্মিদশা থেকে বেরিয়ে আসছে উত্তর জনপদের বাণিজ্যিক শহর সৈয়দপুর। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় সেই দেয়াল ভেঙ্গে এলাকার সাধারণ মানুষজন একপ্রকার জিম্মিদশা থেকে পথে নেমে পড়েছে। গণপরিবহনে মাল বোঝাই করে রাস্তায় চলছে হর-হামেশা। সৈয়দপুর থেকে ঢাকার ট্রেন ও দূরপাল্লার যানবাহন এখন অনেকটাই স্বাভাবিক নিয়মে চলাচল করছে। পাশাপাশি প্রচুর প্রাইভেট কার, ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস ছাড়াও অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীবাসও চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। আইন-শৃংখলা বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকায় বিএনপি-জামায়াত শিবিরের নাশকতাকারীরা গা ঢাকা দিয়েছে। বর্তমানে এখানে অবরোধ ও হরতালের সমর্থনে কোন পিকেটিং করতে দেখাও যাচ্ছে না। স্কুল-কলেজে ক্লাস হচ্ছে নিয়মিত। ব্যাংক-বীমা, অফিস-আদালতে কাজও হচ্ছে স্বাভাবিক নিয়মে। জিরো টলারেন্স নিয়ে আসতে বিজিবি, পুলিশ ও র্যাব কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে ডেঞ্জার পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট ও আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। পরিবহন মালিক সূত্রে জানা যায় বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত বাস ও ট্রাকের মালিকরাও যানবাহন সড়কে নামিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া প্রাণচাঞ্চল্য পেতে শুরু করেছে শিল্প, কল-কারখানাগুলো। জীবনযাত্রা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসায় হাট-বাজারে কৃষকরা এখন তাদের উত্পাদিত সবজির মূল্য পেতে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগে যে আলুর কেজি ৫/৬ টাকা ছিলো তা এখন বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। জনগণ বিএনপি সহ ২০ দলীয় জোটের এই অবৈধ অবরোধ এবং হরতালকে এখন ঘৃণার চোখে দেখছে এবং পরিত্যাগ করছে।
©somewhere in net ltd.