নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

চরম হিংস্র ও নৃশংস না হলে বিএনপি-জামায়াত করা সম্ভব নয়

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:০১

সাতবাড়িয়ার আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দীন প্রামাণিককে একজন পাকিস্তানী সৈন্য সুবহানের নির্দেশে গুলি করে হত্যা করে। সুবহান তখন মৃত প্রামাণিকের শরীরে লাথি মারতে মারতে বলে- দ্যাখ, জয় বাংলা কেমন দ্যাখ। আদালত প্রশ্ন রাখেন- কোন ধরনের ইসলামী দলের নেতারা এমন কাজ করতে পারে? এ কারণেই উপসংহারে পৌঁছা যায় জামায়াত একটি অপরাধী সংগঠন। প্রায় সব রায়েই জামায়াতকে অপরাধী বা ক্রিমিনাল সংগঠন বলা হয়েছে। আদালত তার রাজনৈতিক নিবন্ধনও বাতিল করেছে। সেজন্য প্রশ্ন জাগছে, সরকার ক্রিমিনালদের কেন রাজনীতি করতে দিচ্ছে? এমন প্রশ্নও উঠছে, সরকারের কি কোন স্বার্থ আছে এই ক্রিমিনালদের প্রকেটশন দেয়ার? সরকারকে নানা দিক সামলাতে হয়, নানা রকম সমঝোতা করতে হয়, সে সব সবার জানা। কিন্তু তাই বলে আদালত বর্ণিত ক্রিমিনালদের কেন প্রটেকশন দিতে হবে, তা বোধগম্য নয়। এ রায়গুলো আমাদের লুপ্ত ইতিহাসের পুনরুজ্জীবন ঘটাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বীরত্বগাথা যেভাবে উঠে এসেছে নির্যাতন বা গণহত্যার বিষয়টি তেমনভাবে আসেনি। মুক্তিযুদ্ধ যে বিশ্বব্যাপী সাধারণ মানুষের সমর্থন পেয়েছিল তার অন্যতম কারণ নির্যাতন ও গণহত্যা। সেখানে বীরত্বের বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেয়া হয়নি। বংশপরম্পরায় নির্যাতন-অপমানের বিষয়টি যত মনে থাকে, বিজয়ের ততটি নয়। তবে বীরত্বের বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ার কারণ আছে। কারণ, বাঙালীর ইতিহাসে এত বড় বিজয় আর কখনও ঘটেনি। গণহত্যা-নির্যাতনের বিষয়টি চাপা পড়ে যাওয়ায় মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য হ্রাস পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধকে সাধারণ পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য ও বিতর্কিত করার জন্য বিএনপি-জামায়াত বা পাকিস্তানী বাঙালীরা একটি কৌশল অবলম্বন করে। স্বাধীনতার ঘোষণা বিতর্ক, স্বাধীনতার তারিখ নিয়ে বিতর্ক, গণহত্যা ও ধর্ষণ নিয়ে বিতর্ক, যুদ্ধাপরাধ নিয়ে বিতর্ক ইত্যাদি। গণহত্যা নিয়ে খালেদা জিয়া প্রশ্ন তুললেন, ব্রিটিশ নাগরিক বার্গম্যান প্রশ্ন তুললেন, বার্গম্যানকে সমর্থন করলেন ৪০ ব্যক্তি, কাদের মোল্লাকে সমর্থন করল পাকিস্তান, তারেক রহমান বঙ্গবন্ধুকে বললেন পাকবন্ধু, আদালত সাঈদীর মৃত্যুদন্ড হ্রাস করল, কোন এক বিচারক খালাস-ই দিলেন সাঈদীকে অপরাধ থেকে, কিছু টেলিভিশন ও পত্রিকা কিছু ব্যক্তিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে তুলে ধরতে সচেষ্ট হলেন যারা শুধু সংলাপের আহ্বান জানান কিন্তু ঐ সব বিষয়ের প্রতিবাদ জানান না।


মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.