নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

সরকারের দারিদ্র বান্ধব নীতি ও বিচক্ষণ কর্মসূচীর কারণে আগামী পাঁচ বছরে দারিদ্রতার হার কমিয়ে আনার পদক্ষেপ সরকারের

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৯

আগামী পাঁচ বছরে দেশের দারিদ্র ১৬ দশমিক ৮ শতাংশে নামিয়ে আনতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা খসড়া তৈরি করা হচ্ছে। বর্তমান দারিদ্র (২০১৪ সাল পর্যন্ত) ২৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে কমিয়ে নিয়ে আসার এ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে। অতিদারিদ্র্যের হার বর্তমানের ১২ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। দারিদ্র নিরসনের এ লক্ষ্য পূরণে আগামী পাঁচ বছরে দেশের গড় মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। ইতোমধ্যেই দারিদ্র হ্রাসের ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে দেশ। শুধু দারিদ্র কমানোর ক্ষেত্রেই নয় ধনী-দারিদ্র্যের বৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। যে হারে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে দারিদ্র হ্রাস করতে সক্ষম হয়েছে এটি অন্যান্য দেশের কাছে উদাহরণ। গত পাঁচ বছর গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ শতাংশের ওপর। সার্বিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দুটি দেশ জার্মানি ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে কেবলমাত্র বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল অবস্থায় অব্যাহত প্রবৃদ্ধি অর্জন করে যাচ্ছে। তাই দারিদ্র কমছে এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিল্পনায় প্রবৃদ্ধির যে লক্ষ্য ধরা হয়েছে তা অর্জিত হলে দারিদ্র সাড়ে ১৬ শতাংশে নেমে আসবে। বাংলাদেশের দারিদ্র কমানোর ক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। সরকারের দারিদ্র্যবান্ধব নীতি ও বিচক্ষণ কর্মসূচীর কারণে বাংলাদেশে খাদ্যভাব এখন নেই। দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার সুলভ মূল্যে খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে নানামুখী আয়বর্ধক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। তুলনামূলকভাবে অতিদরিদ্র এলাকাসহ (উত্তরাঞ্চল, উপকূলবর্তী এলাকা ও যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চল ইত্যাদি) এলাকার খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসস্থান কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। এ কর্মসূচীর আওতায় প্রতি বছর গড়ে এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে ৮ লাখ লোকের ৮০ দিনের কর্মসংস্থান করা হয়েছে। গত পাঁচ বছরে দেশের উত্তরাঞ্চলে মঙ্গার পদধ্বনি শোনা যায়নি। চালের মূল্যের সঙ্গে তুলনা করে দেখা গেছে গত চার বছরে শ্রমিকদের মজুরি দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। একদিনের মজুরি দিয়ে একজন শ্রমিক প্রায় সাড়ে ৮ কেজি চাল কিনতে পারছে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.