বর্তমান সরকার সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা তথা প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে ইতোমধ্যে বেশকিছু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সমপ্রতি হাজার হাজার রেজিস্টার্ড প্রাইমারি স্কুল জাতীয়করণ করা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত আছে। উল্লেখ্য, সুবিধাবঞ্চিত গ্রামে নূতন নূতন প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ যে সরকার গ্রহণ করেনি তা সত্য নয়। বরং প্রকৃতপক্ষে সরকার দেশব্যাপী এই ধরনের গ্রামে ১৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করে ২০১১ সালে। সেই অনুযায়ী বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ২৭৭টি স্কুল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত ৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি ২০২টি বিদ্যালয় স্থাপনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই বিভাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৩৩০৫টি। সমপ্রতি আরও ২৫৪৬টির বেশি বেসরকারি রেজিস্টার্ড প্রাইমারি স্কুল জাতীয়করণ করা হয়েছে। তবে চাহিদা থাকায় প্রকল্পে গৃহীত নূতন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিও অবিলম্বে স্থাপন করা একান্ত দরকার। নূতন প্রাইমারি স্কুল প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা লক্ষ্য করা যায়। যেমন- ফান্ড বা তহবিলের সংকট সবচাইতে প্রকট। সরকার প্রকল্প গ্রহণ করলেও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে যথাসময়ে অর্থ ছাড় মিলেনা। বরাদ্দ অর্থ ছাড়া কাজের অগ্রগতি আশা করা যায় না। দ্বিতীয়ত বিদ্যালয় স্থাপনের জন্য জমির সংকট বিদ্যমান। এর জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণেরও কিছু দায়-দায়িত্ব রয়েছে। জমি বরাদ্দের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও এই ব্যাপারে সরকারকে তাদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন। তৃতীয়ত বিদ্যালয় স্থাপনের পর তা সফলভাবে পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগসহ অন্যান্য লজিস্টিক সাপোর্ট দেওয়া আবশ্যক। যা হোক, শুধু বরিশাল বিভাগেই নয়, সারা দেশের সুবিধাবঞ্চিত গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আরও আন্তরিকতার পরিচয় প্রদান করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৪১
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও রাজশাহী-ঢাকা রুটে বিমান উড়াল দিতে যাচ্ছে। আগামী ৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানের ফ্লাইটের উদ্বোধন করা হবে। আপাতত সপ্তাহে তিনদিন একটি করে বিমান রাজশাহী-ঢাকা রুটে চলাচল করবে। তবে যাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বিমানের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সারাদেশে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চালানোর সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে নেয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে আগামী ৯ এপ্রিল থেকে সপ্তাহের প্রতি রবি, বুধ ও শুক্রবার একটি করে বিমান চলাচল করবে। আকাশ পথের এই যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু হলে জরুরী প্রয়োজনে এটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে তেমনি দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় সড়কের উপর চাপ কম পড়বে।