নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

সুফল মিলছে প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের

১৬ ই মার্চ, ২০১৫ বিকাল ৪:৪১


সুফল মিলছে প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের। এটি চালু হওয়ার ফলে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার বেড়েছে। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধেও ভূমিকা রাখছে। সম্প্রতি নাটোর এবং কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে এমনই চিত্র পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার মান বাড়াতে নিয়মিত স্কুল পরিদর্শন, শিক্ষকদের বেতন কাঠামোর উন্নতি, সকল স্কুলে ফিডিং কর্মসূচী চালু করা এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে বলে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, স্কুল পরিচালনা কমিটি এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। অন্যদিকে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) পরিচালিত সামাজিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন-২০১৩ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২১টি জেলার ৯৫ শিক্ষকের মতামত গ্রহণ করা হয় প্রশ্নোত্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এতে ৯০ শতাংশ শিক্ষক মনে করেন, সরকারের উপবৃত্তি প্রকল্প শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। যেহেতু সরকারীভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের সকল বই সরবরাহ করা হয়, তাই তাদের কোন বই কিনতে হয় না। শুধু খাতা-কলম কেনার জন্য এ অর্থ অনেকটাই যথেষ্ট। তবে এটি দেয়া হয় মূলত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য। সরকারের সম্পদের সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও রয়েছে। তারপরও ধীরে ধীরে হয়ত এর পরিমাণ বাড়বে। সুফল মিলছে প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রকল্পের। এটি চালু হওয়ার ফলে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার বেড়েছে। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া রোধেও ভূমিকা রাখছে। সম্প্রতি নাটোর এবং কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে এমনই চিত্র পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার মান বাড়াতে নিয়মিত স্কুল পরিদর্শন, শিক্ষকদের বেতন কাঠামোর উন্নতি, সকল স্কুলে ফিডিং কর্মসূচী চালু করা এবং স্থানীয় জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে বলে স্থানীয় জনগণ, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, স্কুল পরিচালনা কমিটি এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। অন্যদিকে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান (সুপ্র) পরিচালিত সামাজিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন-২০১৩ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২১টি জেলার ৯৫ শিক্ষকের মতামত গ্রহণ করা হয় প্রশ্নোত্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এতে ৯০ শতাংশ শিক্ষক মনে করেন, সরকারের উপবৃত্তি প্রকল্প শিক্ষার সামগ্রিক মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। যেহেতু সরকারীভাবে প্রাথমিক পর্যায়ের সকল বই সরবরাহ করা হয়, তাই তাদের কোন বই কিনতে হয় না। শুধু খাতা-কলম কেনার জন্য এ অর্থ অনেকটাই যথেষ্ট। তবে এটি দেয়া হয় মূলত অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য। সরকারের সম্পদের সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও রয়েছে। তারপরও ধীরে ধীরে হয়ত এর পরিমাণ বাড়বে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.