| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
ইতিহাস সাক্ষী দেয় বাঙালি সব সময় দূরদৃষ্টি সম্পন্ন এবং সমঝোতাপূর্ণ আচরণ পছন্দ করে। সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলে কখনও রাজনীতি মানবকল্যাণকে অগ্রযাত্রার সম্মুখীন করতে পারে না। আর এই কারণেই অতীতের চেয়ে অবিলম্বে হরতাল, সহিংসতা প্রত্যাহার করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী দেয়া উচিত। বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সবার মধ্যে একটা ঐক্য সৃষ্টি হতে হবে এবং ঐক্যের ভিত্তি হচ্ছে বাংলাদেশ, বাঙালী ও ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীর সম-অধিকার ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা। অনেকে বাংলাদেশের সহিংসতা ও হিংস্রতার নিন্দা করেছেন তা অত্যন্ত সাধুবাদ যোগ্য। এর পরও যারা এই পথ থেকে সরে আসছেন না তাদের কি ভুল ভাঙবে? বর্তমানে একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় যুগে আমাদের দাঁড়িয়ে যখন ইউনিয়ন থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত সর্বত্র ডিজিটাল বাংলাদেশ হচ্ছে সেই সময় এই ধরনের বর্বরোচিত ও কাপুরুষোচিত আক্রমণ আমাদের পেছনের দিকে ঠেলে দেয়ার অপচেষ্টা। স্বাধীন বাংলাদেশে এই নারকীয় ঘটনার অবসান কিভাবে ঘটবে? কেননা যারা তালেবানী স্টাইলে বিভিন্ন দুষ্কর্ম করে বেড়াচ্ছে তাদের প্রতিহত করতে হলে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পরিশ্রমই শুরু যথেষ্ট নয়, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কেউ ঠেকাতে পারবে না। যেন দুর্বিনীতদের কারণে বা হটকারী সিদ্ধান্তের কারণে সাধারণ মানুষের ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। এ ধরনের দুষ্কর্ম দিয়ে বাংলাদেশ দাবিয়ে রাখা যাবে না, এটা যেমন ঠিক, যারা এই ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা ঘটাচ্ছে এবং যাদের পরিবারে অন্ধকার নেমে আসছে তাদের অপূরণীয় ক্ষতি কীভাবে রাষ্ট্রযন্ত্র দেবে।
©somewhere in net ltd.