| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
সর্বনাশের নেশায় মত্ত হয়ে দেশবাসীকে দেখিয়ে দেয়া হল নারকীয়তা, নাশকতা ও জঙ্গীপনার কত রূপ। এই অবস্থায়, চাইলেই চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে যে কারও প্রাণ নির্মমভাবে হরণ করা যায়। পারা যায় পুড়িয়ে দগ্ধ করতে মানুষকে। জ্বালিয়ে দেয়া যায় যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন, অগ্রগতির চাকা করে দেয়া যায় স্তব্ধ। পেট্রোলবোমা নামক সহজলভ্য মারণাস্ত্র দিয়ে বুঝিয়ে দেয়া যায় পুরো দেশবাসীকে নারকীয় যন্ত্রণায় দগ্ধ হওয়া কাকে বলে! কাকে বলে অবরোধ, হরতালের স্বরূপ। এছাড়া ৯২ দিনের কর্মসূচীতে জানিয়ে দেয়া হলো জনগণকে নাস্তানাবুদ করার সন্ত্রাস আর ভয়ের সংস্কৃতিতে আবদ্ধ করায় তারা কত পারদর্শী। ঘরবাড়ি ছেড়ে এই যে তিনি কাটিয়ে দিলেন তিনটি মাস-গুনে গেলেন লাশের সংখ্যা, সম্পদহানির পরিমাণ আর দেশবাসীকে নাকাল করার শক্তিমত্তা। তবু সরকারের পতন বা উৎখাত কোনটাই হলো না। কিন্তু হয়েছে যেন সাধ-আহ্লাদ পূরণ। দেশ ধ্বংসের আয়োজনে টানা তিন মাস নিবিষ্টচিত্তে কাজ করে যখন দেখেন তবু হয় না বিপর্যয়, সাধারণ মানুষসহ দলের নেতাকর্মীরাও অবরোধ-হরতাল পালনে নয় সক্রিয়, বিদেশীরাও সহায়তার হাত দেয় না বাড়িয়ে, প্রতিবেশী দেশও জানায় না সমর্থন। তখন তিনি ফিরে গেলেন আপন ঠিকানায়। এ সময় মানুষ হত্যার যে ঘটনা ঘটেছে, তা বাঙালীর ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে প্রতিভাত হয়ে থাকবে। ২০ দলীয় নেত্রীর এতদিনে তাহলে শুভ বুদ্ধির উদয় হলো।
©somewhere in net ltd.