| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
আন্দোলনের নামে যারা মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে বা এখনও মারছে তারা দেশের শত্রু, জাতির শত্রু। সেই অপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিতে হবে। আন্দোলনের নামে নাশকতায় বিএনপি কেবলই ‘শক্তিক্ষয়’ করেছে। ভবিষ্যতে দলটি আর কখনও অবৈধভাবে সরকার হটানোর কথা ভাবতেও পারবে না। গত ৫ জানুয়ারি থেকে তিন মাস ধরে বিএনপির অবরোধ-হরতালে নাশকতায় খালেদা জিয়ার কী অর্জন হয়েছে সেটা দেশবাসীর জানতে বাকী নেই। অত্যন্ত জঘন্য কর্মকান্ড করেছেন তিনি। মানুষকে এভাবে প্রতিপক্ষ করে, মানুষকে এভাবে কোন রাজনৈতিক নেতা খুন করতে পারে? এটা আমরা ভাবতেও পারি না। কারণ রাজনৈতিক কর্মকান্ড হওয়া উচিত জনগণের স্বার্থে ব্যক্তি স্বার্থে নয়। জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড যারা করেছে, যারা মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে এবং প্রত্যেক এলাকায় যারা অপরাধে জড়িত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে, তাদের খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে, তাদের বিচার করতে হবে। দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্যই এ ধরনের অপরাধীদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। জ্বালাও, পোড়াও, নানা ধরনের সন্ত্রাসী, জঙ্গী কাজ করে কয়েকটি দল যেভাবে মানুষের ক্ষতি করেছে, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। কাজেই এ ধরনের ঘটনা যাতে আর কেউ ঘটাতে না পারে এবং জঙ্গীবাদী কোন কর্মকান্ড যেন বাংলাদেশে না হয়, অবশ্যই সে বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন। যারা আন্দোলনের নামে এ ন্যক্কারজনক কর্মকান্ড চালিয়েছে তাদেরকে কোন ভাবেই ক্ষমা করা উচিৎ নয়। যুদ্ধাপরাধীদের ন্যায় তাদেরকেও বিচারের কাঠগড়ায় আনা উচিৎ। রাজনীতিতো মানুষের কল্যাণের জন্য। মানুষের জন্যইতো রাজনীতি। কিন্তু যে রাজনীতিতে মানুষ পুড়িয়ে মারা হয় সেটি কী রাজনীতি? সাধারণ মানুষকে যারা টার্গেট করে পুড়িয়ে মেরেছে। বাংলার মাটিতে তাদের কি স্থান হওয়া উচিৎ?
©somewhere in net ltd.