| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে দেশের দারিদ্র্যপীড়িত এলাকার প্রাথমিক শিক্ষার চিত্র। ২০১০ সালে প্রথম সংশোধিত আকারে দেশের ৭২ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়। এর পর থেকে আওতাভুক্ত এলাকার স্কুলে শিশুদের প্রতিদিন স্কুলে আসা, শিশু শিক্ষার্থী ঝরেপড়া রোধ, শিক্ষার হার ও গুণগত মান ঠিক রাখা, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি শতভাগ উন্নীত হয়েছে। স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে প্রতি স্কুল দিবসে ৭৫ গ্রাম ওজনবিশিষ্ট এক প্যাকেট করে উচ্চ পুষ্টিমানসমৃদ্ধ বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। বর্তমানে সরকারি অর্থায়নে ৭২ উপজেলায় প্রায় ২৫ লাখ এবং বিশ্বখাদ্য কর্মসূচির অর্থায়নে ২১ উপজেলায় ৯ লাখসহ প্রায় ৩৪ লাখ শিক্ষার্থীকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচিভুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। দেশের দারিদ্র্যপীড়িত ও প্রত্যন্ত এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেজিস্টার্ড বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশন অথবা পাঠদানের অনুমতিপ্রাপ্ত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশুকল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ইবতেদায়ি মাদরাসায় অধ্যয়নরত প্রায় ৩৩ লাখ ৯৫ হাজার শিক্ষার্থী এ প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করছে। এ প্রকল্পে সরকারি অর্থায়নে ২৪,৯০,৪১৯ জন এবং বিশ্বখাদ্য কর্মসূচির অর্থায়নে ৮,৯২,২৪৩ জন শিক্ষার্থী সুবিধা প্রহণ করবে। কর্মসূচির আওতাভুক্ত এলাকায় শিক্ষার্থী ভর্তি শতভাগ নিশ্চিত হয়েছে। উপস্থিতির হার ৫-১৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষার গুণগতমান উন্নত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। এ কর্মসূচির ফলে শিক্ষার্থীর শতভাগ ভর্তি, উপস্থিতির হার বেড়েছে ৫ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমেছে, শিক্ষার গুণগতমান উন্নত হচ্ছে। সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতেই সরকারের এ উদ্যোগ।
©somewhere in net ltd.