| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার। সেখান থেকে তিন কিলোমিটার পশ্চিমে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক। আয়তন তিন হাজার ৪০০ একর। ভাওয়াল গড়ের ছোট ছোট টিলা ও নীচু ভূমিসমৃদ্ধ শালবন আমলকি, বহেরা, হরিতকি, কড়ই, পলাশ, চাপালিশসহ নানা গাছগাছালি আর হরেক লতাগুল্মে ভরা। তীব্র গরমেও মনকে শীতলকরা এক মনোরম পরিবেশ। সাফারি পার্কে বাঘ, সিংহ, জিরাফ, হরিণ, বুনো মোষ, হাতি, ক্যাঙ্গারু, আলপাকা, ওয়ালাবি, স্প্রিংবক, অরিক্স ও ওয়াইল্ডবিস্টের অবাধ বিচরণ। কয়েকটি ভাগে বিভক্ত সাফারি পার্ক। ভিন্ন ভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন জীবজন্তু, পাখি ও সরিসৃপের বিচরণ। চিড়িয়াখানার মতো বন্দিদশায় নেই এখানকার পশুপাখিরা। ১ হাজার ২১৭ একর এলাকায় আলাদাভাবে উন্মুক্ত অবস্থায় বিচরণ করছে জিরাফ, বুনো মোষ, হরিণ, চিত্রল হরিণ, বাঘ, সিংহ, কালো ভাল্লুক, হাতি, ক্যাঙ্গারু, গয়াল, শম্বর, জেব্রা আর জলহস্তী। কখনও জোড়ায় জোড়ায় বা দল বেঁধে। কখনো বা একা একা। যার যেমন মর্জি। সবকিছু মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক যেন বিনোদন স্বর্গ!
২|
২৯ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৩
ছাসা ডোনার বলেছেন: আসলেই অদ্ভুদ!!!!! সাফারি পার্ক মানেই স্বর্গরাজ্য,সাফারি পার্ক যেন বিনোদন স্বর্গ!খবরটা জেনে খুব ভাল লাগতেছে।পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দ উপভোগ করার জায়গা। শুধু ভালভাবে সংরখ্ন করলেই হলো।
৩|
২৯ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৩
সাদা মনের মানুষ বলেছেন: অনেক চমৎকার যায়গা, তিন বার যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিলো
৪|
২০ শে জুন, ২০১৫ ভোর ৬:৩৩
টয়ম্যান বলেছেন: কোনদিন ও যাই নাই
এত এত বাঘ সিংহ বাপরে ! কামড় দিবো নাতো ভাঈ !
++++
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৫
প্রামানিক বলেছেন: ধন্যবাদ