| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের এখন গন্তব্য হবে বাংলাদেশ। কম খরচে উৎপাদন, সাশ্রয়ী মূল্যে শ্রমশক্তি, অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা, সরকারি প্রণোদনাসহ বিভিন্ন সুযোগ কাজে লাগাতে বিদেশি উদ্যোক্তরা এ দেশকে বেছে নিচ্ছে। সম্ভাবনাময় খাতগুলো হলো- তথ্য প্রযুক্তি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পোশাক, ওষুধ, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইল ও অবকাঠামো। বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। সামনের দিনগুলোতে এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে চীন, জাপান ও কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। দেশে দক্ষ শ্রম শক্তি পাশাপাশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সহজে পণ্য বিক্রির সুযোগ আছে। এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এ দেশকে প্রাধান্য দিচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় জ্বালানি খরচ কম। তাছাড়া বিনিয়োগকারীদের জন্য রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ও অর্থনৈতিক জোন রয়েছে। বিনিয়োগে আর্কষণীয় প্রণোদনা প্যাকেজ আছে। এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় উৎপাদন ব্যয় অনেক কম। টেকসই ও কমপ্লায়েন্স শিল্প কারখানা গড়ে উঠছে। শিল্পের উন্নয়নে নতুন নীতিতে ১৩ টি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এসব সুযোগে বিনিয়োগ বাড়বে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। বিনিয়োগকারীরা কম খরচে উৎপাদনে জন্য যেসব গন্তব্যে যাচ্ছে তার চেয়ে বাংলাদেশে কম খরচে উৎপাদন হচ্ছে। এদিক থেকে অবকাঠামো উন্নয়ন হলে এ দেশে বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনা আছে। বাংলাদেশ উৎপাদন খাতের কেন্দ্র বিন্দুতে রূপান্তরিত হবে। কারণ এ দেশে থেকে রফতানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুন, ২০১৫ বিকাল ৪:২৭
চাঁদগাজী বলেছেন:
আমার একটা ছাগলের দাঁতের সমস্যা আছে।