| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
বাংলাদেশের প্রেক্ষপটে সেনাবাহিনী বর্তমানে শান্তি-সংগ্রামের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে অনন্য অবদান রেখে যাচ্ছে। শান্তিরক্ষা মিশন থেকে অর্জিত আয় বাংলাদেশের তৃতীয় আয়ের খাত। বাংলাদেশের অহংকার এই বাহিনী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বুকে শান্তি স্থাপনে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের মহান স্বাধীনতা, স্বাধীনতা পরবর্তী পূর্নগঠনে তারা দেশকে নতুন করে সাজিয়েছেন। দেশের সংকট মুহুর্তে হাল ধরেছেন। নিশ্চিত বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। আমরা দেখেছি ১৯৮৮ ঘুর্ণিঝড়, ২০০০ সালের বন্যা, সিডর, আইলা, চট্টগ্রামের পাহাড় ধ্বসসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুযোর্গে তারা বিপন্ন মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করেছেন। উদ্ধার অভিযানে বস্তুহারা মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। নির্মাণ করে দিয়েছেন তাদের বসত ভিটা। সর্বপোরি মানুষের কল্যানে নিজেদেরকে উৎসর্গ করে দিয়েছেন এই বাহিনীর লক্ষ লক্ষ সদস্য। সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসাবে কাজ করছে তারা। সেখানে কোন অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয় মানুষ সেখানে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করে। এমনকি সময়ের দাবী এসেছে এই বাহিনীর শান্তিতে নোবেল পাওয়ার। অথচ এতকিছুর পরও কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যাক্তিবর্গ এই বাহিনী নিয়ে নামামূখি ষড়যন্ত্র করছে। এই বাহিনীর অবঃসরপ্রাপ্ত সামরিক অফিসারদের জন্য সরকারের নির্দেশে জলসিড়ি আবাসন প্রকল্পের মাধ্যমে প্লট বরাদ্ধ করা হচ্ছে। কিন্তু তাতে বাদ সাধে কিছু সংখ্যক কুচক্রী মহলের।তারা এই সেনাবাহিনীকে নিয়ে অপপ্রচার চালাতে চেষ্টা করছে। জলসিড়ি আবাসন নিয়ে যে প্রচার চলছে সেটা আসলে সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভুয়া। আসলে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে সুশৃঙ্খল বাহিনীকে ব্যবহার করতে চায়। সময় আসেছে এদের প্রতিহত করার।
©somewhere in net ltd.