নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঘরের শত্রু বিভীষণ। অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিপর্যস্ত বিএনপি

১২ ই আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৩:২৪




বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নজিরবিহীন। কেন্দ্র ঘোষিত দুই সদস্যের কমিটি দিয়ে দায়সারাভাবে চলছে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির কাগজে-কলমের কার্যক্রম। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিমউদ্দিন আলমের উপস্থিতিতে জেলা বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে বিএনপির তৎকালীন সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হাবিব গ্রুপ ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি আমান উল্যাহ আমান নিহত হন। আহত হন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলীসহ সাত নেতা-কর্মী। ঘটনার দিন রাতে নিহত আমান উল্যাহ আমানের মা ফাতেমা খাতুন বাদী হয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে প্রধান আসামি করে ৫৪ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ইতিমধ্যে জেলার অধিকাংশ নেতা-কর্মী গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন। আবার অনেকে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। মামলায় এখনো গ্রেফতার আতঙ্কে বেশকিছু শীর্ষ নেতা-কর্মী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে জেলায় আরও খুন হয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ বি এম আলতাফ হোসেন, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক ভিপি আমান উল্যাহ আমান, তালা কৃষক দলের সম্পাদক ইউপি সদস্য ইনসার আলী গোলদারসহ প্রায় অর্ধ ডজন নেতা। এসব হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে দলটি। হত্যা মামলায় এক পক্ষ দলের অন্য পক্ষের নেতা-কর্মীদের দমন করতে উঠেপড়ে লেগে আছেন। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সালের ২৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কমিটি সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির কমিটি ভেঙে দিয়ে সাবেক বস্ত্রমন্ত্রী মুনসুর আলীর ছেলে রহমত উল্লাহ পলাশকে সভাপতি ও লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল আলিমকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের জেলা কমিটি ঘোষণা করে। কিন্তু দীর্ঘ ২১ মাস অতিবাহিত হলেও এ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্ভব হয়নি। বর্তমানে দুই সদস্যের কমিটি দিয়েই চলছে জেলা বিএনপির কার্যক্রম। যে কারণে দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে।



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.