| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থলসীমান্ত চুক্তির পর দুই দেশের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হয়েছে। এর মধ্যে ভারতে ৫১টি ও বাংলাদেশে ১১১টি। বাংলাদেশ ও ভারতের অমীমাংসিত স্থান হওয়ায় সেখানে এতদিন কোন বিদ্যুতের লাইন বসানো হয়নি। সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই এলাকা বাংলাদেশের নিজস্ব সম্পত্তি হওয়ায় ছিটমহলবাসীর জন্য সেখানে দ্রুত বিদ্যুত পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেছে সরকার। প্রথম পর্যায়ে আগামী ১১ দিনের মধ্যে ৬টি ছিটমহলে বিদ্যুত পৌঁছানো সম্ভব হবে। বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড তাদের আওতায় থাকা ওই সব ছিটমহলে বিদ্যুত সরবরাহ লাইন নির্মাণ করবে এর ফলে ১৪ হাজার ৫০০ বাড়িতে বিদ্যুত সংযোগ সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নীলফামারীর চারটি ছিটমহলের ৫.০৫৩ কিলোমিটার বিতরন লাইন নির্মাণের মাধ্যমে ২৩২ জন গ্রাহক, কুড়িগ্রাম জেলার একটিতে ০.৮৭ কিলোমিটার বিতরণের লাইন নির্মাণের মাধ্যমে ৭১ জন গ্রাহক ও পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় একটি ছিটমহলে ৫.০০ কিলোমিটার বিতরণ লাইন নির্মাণের মাধ্যমে ১৪২ জনসহ মোট ৬টি বিলুপ্ত ছিটমহলের ৪৪৮ জন গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ পাবে।

©somewhere in net ltd.