| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
সরকার গাজীপুর, টঙ্গী ও উত্তরা এলাকাকে যানজটমুক্ত করতে ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ নির্মাণে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে। চাহিদার তুলনায় রাজধানীতে নাগরিক সুবিধা বিশেষ করে কার্যকর ও নিরাপদ গণপরিবহন ব্যবস্থা একেবারেই অপ্রতুল। আবার গাজীপুর থেকে টঙ্গী ও উত্তরা পর্যন্ত যানজটও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। তাই ঢাকা নগরীর পরিবহন সমস্যা দূর করতে ২০০৫ সালে বিশ্বব্যাংক একটি সমীক্ষা পরিচালনা করে। সমীক্ষায় ৬টি করিডর চিহ্নিত করা হয়। তারমধ্যে ৩টি করিডরে ম্যাস র্যা পিড ট্রান্সজিট (এমআরটি) বা মেট্রোরেল এবং ৩টি করিডরে বাস র্যা পিড ট্রানজিট (বিআরটি) লাইন স্থাপনের মাধ্যমে পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য সুপারিশ করা হয়। এছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকও ২০১১ সালে বিআরটি স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করে গাজীপুর-এয়ারপোর্ট সড়ক সম্ভাব্য হিসেবে বিবেচনা করে। এরই অংশ হিসেবে সরকার গাজীপুর-এয়ারপোর্ট ২০ কিলোমিটার লাইন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। বিআরটি লাইন গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট স্টেশন পর্যন্ত ধরা হয়েছে। এরমধ্যে গাজীপুর থেকে জয়দেবপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত বিদ্যমান সড়ক ৪ লেন বিশিষ্ট এবং জয়দেবপুর থেকে চৌরাস্তা থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কটি ৮ লেনবিশিষ্ট হবে। গাজীপুরে ১টি বাস টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি কিছু সড়ক প্রশস্ত, সার্ভিস সড়ক ও গাজীপুরে ৩ কিলোমিটার ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হবে। বিআরটির জন্য জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিদ্যমান সড়কের দুই পাশে ডিভাইডার (সড়ক বিভাজক) দিয়ে পৃথক লেন করা হবে ২০ কিলোমিটার। বাসে ওঠানামার জন্য পথিমধ্যে ১৫টি স্টপেজ থাকবে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। যানজট নিরসনে বাস র্যা পিড ট্রানজিট (বিআরটি) বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এক ব্যবস্থা। তাই অন্যান্য দেশেও স্থাপন করা হয়েছে। তবে এটাই হবে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিআরটি। সরকারের এ পদক্ষেপের ফলে যানজট নিরসন হবে এটাই সবার প্রত্যাশা।

©somewhere in net ltd.