নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কর্মক্ষেত্রের সমৃদ্ধি, কর্মীদের কর্মদক্ষতা ও উন্নতি অব্যাহত রাখার স্বার্থে সরকারের সময়োচিত ও যৌক্তিক পদক্ষেপ

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৫

একটা অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠে আসছে সরকারী কর্মক্ষেত্রে মেধাবীদের আগ্রহ কম কিংবা তারা আসছে না। এর অন্যতম কারণ কাঙ্ক্ষিত বেতন-ভাতা পাওয়া যায় না। দেখা যায়, বহুজাতিক কোম্পানি, ব্যাংক-বীমা এবং বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি মেধাবীরা বেশি আকর্ষিত হচ্ছে। এ কথা সত্য যে, সৎ জীবনের প্রতি যারা উদ্বুদ্ধ তাদের প্রচলিত বেতনে নিজেদের সামাজিক মর্যাদা বজায় রেখে চলা কষ্টকরই। তাই তাদের লক্ষ্য থাকে আকর্ষণীয় বেতনের দিকে। এখন ৮ম পে-স্কেল মেধাবীদের সরকারী চাকরিতে কতটা আগ্রহ জাগাবে তা দেখার বিষয়। আরেকটা বিষয় বলা হচ্ছে, দুর্নীতি রোধে এই বেতন বৃদ্ধি অনন্য ভূমিকা রাখবে। এ কথা সত্য, দুর্নীতি সরকারের বিভিন্ন স্তরে ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে। অবশ্য ঢালাওভাবে সব সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা ঠিক নয়। বহু সরকারী কর্মকর্তা আছেন যারা মানুষের সেবায় নিবেদিত প্রাণ। তারপরও এই বেতন বৃদ্ধি যদি সরকারী কর্মীদের দুর্নীতি থেকে ফিরিয়ে আনতে পারে, তাহলে এই মুহূর্তে এর চেয়ে ভাল উদ্যোগ আর কিছু হতে পারে না। এতে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে দেশের সাধারণ মানুষ এবং সরকার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বেতন বৃদ্ধি একজন দুর্নীতিপরায়ণ ব্যক্তিকে রাতারাতি সাধু বানিয়ে ফেলা সম্ভব, এমনটি আশা করা কতটা যুক্তিযুক্ত তাও দেখার বিষয়। মূল বেতন দ্বিগুণ করে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হওয়ায় সবাই খুশি। নবেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন চাকরিজীবীরা। এই প্রথম সরকারী কর্মীরা তাদের বেতনের শতকরা ২০ ভাগ পাচ্ছে বাংলা নববর্ষের ভাতা হিসেবে। বছরে বেতনের শতকরা হারে বেতন বাড়বে। বাড়ছে পেনশন সুবিধা। বেতন বৃদ্ধির এই বিষয়টি ইতিবাচক। কারণ ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সঙ্গতি রাখা, মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা, কর্মক্ষেত্রের ধারাবাহিক সমৃদ্ধি, কর্মীদের কর্মদক্ষতা, ক্ষমতা ও উন্নতি অব্যাহত রাখার স্বার্থে বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি অত্যন্ত সঙ্গতিপূর্ণ। এটি সরকারের সময়োচিত ও যৌক্তিক পদক্ষেপ। তারপরও সবার প্রত্যাশা সরকারের উদ্যোগটি সফল হোক, সরকারী চাকরিজীবীরা দুর্নীতিমুক্ত থেকে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে দেশসেবার দৃষ্টান্ত রাখবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.