নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিজিবিতে নারী সদস্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হলো

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩৪

দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিতে (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) প্রথমবারের মতো নারী সৈনিক নিয়োগের খবর আমাদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত না করে পারে না। এই উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়নের পথে আরেকটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হয়ে থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। বিজিবির ৮৮তম ব্যাচে অন্তত ৫০ জন নারী সৈনিক নিয়োগের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রথমে তাদের মেডিকেল অ্যাসিসট্যান্ট হিসেবে নেওয়া হলেও পরে তারা সীমান্ত এলাকায় মাদক, শিশু ও নারী পাচার প্রতিরোধে কাজ করবেন। বিশেষত বিভিন্ন চেকপোস্টে মাদক পাচারে জড়িত নারী চোরাচালানকারীদের তল্লাশির ক্ষেত্রে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নারী সদস্যের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। এখন প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে কোথাও কোথাও আনসারের নারী সদস্যদের সহায়তা নেওয়া হলেও নারী সদস্য নিয়োগের মধ্য দিয়ে বিজিবি স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। তবে এর মধ্য দিয়ে নারীর ক্ষমতায়নের সার্বিক চিত্রে যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, তাও কম নয়। যদিও আমরা জানি যে, দেশে নারীর ক্ষমতায়ন বা লিঙ্গ সাম্য সংক্রান্ত নীতি ও কাঠামোগত ব্যবস্থা মন্দ নয়। বিশেষত রাষ্ট্র ও সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে আমরা যেভাবে নারীর 'ক্ষমতায়ন' দৃশ্যমান করতে পেরেছি তা উন্নত বিশ্বের অনেকের জন্য বিস্ময়করও বটে। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত পেশায় নারীর অংশগ্রহণ দীর্ঘকাল বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য দেশে সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে নিরুৎসাহিত হয়েছে। কিন্তু অন্যান্য পেশার মতো এখানেও ক্রমে অর্গল ভেঙেছে নারী। আমাদের মনে আছে, গত বছর জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতেও প্রথমবারের মতো সৈনিক পদে নারীদের নিয়োগ হয়েছিল। স্বাধীনতার কয়েক বছরের মধ্যেই ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার পুলিশ বাহিনীতে সাতজন নারী কনস্টেবল নিয়োগ দিয়ে একটি নজির সৃষ্টি করেছিলেন। পরে ১৯৮৬ সাল থেকে কর্ম কমিশনের মাধ্যমে প্রথম শ্রেণীর পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেও নারীর নিয়োগ শুরু হয়। এখন পুলিশ বাহিনীতে উচ্চতর কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদে সাত হাজারের বেশি নারী পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন। সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরে নারীর অংশগ্রহণ স্বাধীনতার সময় থেকেই ছিল। সশস্ত্র অন্যান্য বাহিনীতেও পরে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। বিজিবিতে নারী সৈনিক নিয়োগের মধ্য দিয়ে সেই প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত হলো। সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে নিয়োগ পেতে যাওয়া নারী সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের আমাদের অভিবাদন।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.