| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
বিদেশে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে স্বতন্ত্র কোম্পানি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কোম্পানি গঠনের জন্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) গঠন প্রণালী (অর্গানোগ্রাম) প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নেপাল, ভুটান এবং মিয়ানমারে জলবিদ্যুতের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ সরকার। প্রস্তাবিত হাইড্রোপাওয়ার কোম্পানি এসব দেশে যৌথ উদ্যোগে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ করবে। ইতোমধ্যে পিডিবি ও নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে ভারত ও চীনের সঙ্গে এ ধরনের পৃথক যৌথ কোম্পানি গঠন করেছে। আগে মতভেদ থাকলেও সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো আঞ্চলিক জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য সার্কভূক্ত এ দেশগুলোর মধ্যে একটি সহযোগিতা চুক্তি (ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট) স্বাক্ষর হয়েছে। মিয়ানমারে প্রায় কয়েক হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে। নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে তারা ভারত ও চীনের কাছে এসব বিদ্যুৎ বিক্রির জন্য ইতোমধ্যে চুক্তিও করে ফেলেছে। মিয়ানমারের রাখাইনে আগামী ২০১৯ সালে ৬০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। কিন্তু নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা কম থাকায় এ বিদ্যুৎ তারা রপ্তানি করবে। বর্তমানে রাখাইনের বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে মাত্র ২০ মেগাওয়াটের মতো। বাংলাদেশও এখান থেকে বিদ্যুৎ নিতে পারে বলে জানা গেছে। এছাড়া বাংলাদেশ চাইলে নতুন করে কেন্দ্রও নির্মাণ করতে পারবে। সরকারের পরিকল্পনা হলো, দেশের চাহিদা মেটাতে আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে নেপাল থেকে অন্তত ১০ হাজার মেগাওয়াট এবং ভুটান থেকে তিন হাজার মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মূল্যে আমদানি করা।

©somewhere in net ltd.