| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
সরকার যখন নিজ তহবিলে পদ্মা সেতু তৈরির ঘোষণা দিয়েছে তখন থেকেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ২৬ বিলিয়ন ডলার। যা দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। পদ্মা সেতুসহ যে কোন বড় প্রকল্পে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে রিজার্ভের টাকা বিনিয়োগ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১০-২০১৪ সালে কর্মপরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি পাঁচ বছর মেয়াদী প্রথম ‘কৌশলগত পরিকল্পনা ২০১০-১৪’-এর প্রায়োগিক সাফল্যের হার শতকরা ৯৪ শতাংশ। এ কর্মপরিকল্পনার কারণেই চলতি বছর ১৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকার কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা, বর্গাচাষীদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ ঋণ সুবিধা, যার আওতায় দশ লাখ বর্গাচাষীকে প্রায় ১৮০০ কোটি টাকা অর্থায়ন, বছরে এক লাখ কোটি টাকার এসএমই ঋণ বিতরণ, যেখানে ৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তা ঋণসহ মোট আড়াই লাখ উদ্যোক্তাকে ঋণ প্রদান, ৪৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকার পরিবেশবান্ধব ঋণসহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ১০ টাকায় হিসাব খোলার মতো কাজ করা সম্ভব হয়েছে। তাছাড়া ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত হয়েছে স্কুল ব্যাংকিং, পথশিশুদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন, গ্রিন ব্যাংকিং, সিএসআর, দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য মোবাইল ব্যাংকিং ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছাতে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রবর্তন-সবই এই অভিযানেরই অংশ। এরই মধ্যে এর সুফলও পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সারাবিশ্বে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের এক ‘রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। যা সত্যিই গর্বের বিষয়।
©somewhere in net ltd.