| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
বাংলাদেশে প্রতি বছর বিদ্যুতের চাহিদা ১০ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্লান ২০১০ অনুযায়ী বর্তমান সরকার বাংলাদেশে আগামী ২০২১ সালে ২৪০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কক্সবাজার জেলার টেকনাফে ২০০ মেগাওয়াট সোলার পার্ক স্থাপন করবে। ‘নো ইলেক্ট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবারহ করবে। ২০ বছর মেয়াদে উৎপাদিত বিদ্যুতের জন্য মোট ৮৫৯৫ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎসের ব্যবহার বৃদ্ধি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালের মধ্যে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৫ শতাংশ অর্থাৎ ৮০০ মেগাওয়াট এবং ২০২০ সালের মধ্যে উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ অর্থাৎ দুই হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌর শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ ৫০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দেশে এ পর্যন্ত বৃহদাকার গ্রিড কানেক্টেড নবায়নযোগ্য জ্বালানী ভিত্তিক কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র নেই। ‘নো ইলেক্ট্রিসিটি, নো পেমেন্ট’ ভিত্তিক বিদ্যুৎ ক্রয় করা হবে বিধায় এখানে কোনো ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে হবে না।

©somewhere in net ltd.