| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

২০২১ সাল নাগাদ শতভাগ লোককে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্যে আগামী ৮ অক্টোবর জাতীয় গ্রিডে সরকারি ও বেসরকারি সেক্টর থেকে ৪৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে। বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ সেক্টরের উন্নয়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চালন ও সরবরাহ লাইন সম্প্রসারণ এবং অন্যান্য সেক্টরের সক্ষমতা বাড়াতে সচেষ্ট রয়েছে। ২০২১ সাল নাগাদ দেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনই এর লক্ষ্য। বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩ হাজার ২৬৪ মেগাওয়াট থেকে ২০০৯ সাল নাগাদ ১৩ হাজার ৮৮৩ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে এর গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার এই সেক্টরের উন্নয়নের বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাওয়ার স্টেশন আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ৮ অক্টোবর থেকে আশুগঞ্জ কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্টে উৎপাদন হবে ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। ইউনাইটেড আশুগঞ্জ মোদুলার পাওয়ার প্লান্ট সরবরাহ করবে ২০০ মেগাওয়াট এবং আশুগঞ্জ মিডল্যান্ড পাওয়ার প্লান্টে উৎপাদন হবে ৫১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বর্তমানে দেশের ৭৪ শতাংশ লোক বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করছে এবং এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও গতিশীল নেতৃত্বের কারণে। সরকার ২০২১ সাল নাগাদ ২৪০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনটি বিদ্যুৎ প্লান্টের উদ্বোধন করবেন।দেশে বর্তমানে ১৩ হাজার ৪০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে এবং আরো ৪৭৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আগামী ৮ অক্টোবর থেকে জাতীয় গ্রীডে যোগ হবে।
©somewhere in net ltd.