| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
পরিসংখ্যান বলছে সবচাইতে মেধাবী ছাত্রছাত্রীরাই সরকারী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। যেখানে পরীক্ষা ভাল না দিয়ে পাস করার সুযোগ নেই, অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের কথা শোনারও সুযোগ নেই। । সেখানে সরকারকে বিব্র্রত করার জন্যই একটি ভিত্তিহীন দাবি নিয়ে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের আন্দোলন করা হচ্ছে। অথচ যারা চান্স পেয়েছে তারা অনেকেই কৃষক বা স্কুল শিক্ষকের সন্তান। কেউ পিতৃহীন, ঢাকায় মেসে থেকে পড়াশোনা করেছে। এদের অধিকাংশই দেশের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে আসা। আসলে যারা আন্দোলন করছে তারা দেশের দরিদ্র ও মেধাবীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। রাজপথে আন্দোলন করেই কোন অযৌক্তিক দাবি আদায় করা যায় না। মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি ও সরবরাহ প্রক্রিয়ার কোন ত্রুটি ছিল না। প্রক্রিয়ার প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে ধারণা নিয়ে জানা যায়, প্রক্রিয়ায় কোনভাবে একটি প্রশ্নপত্রও বাইরে যাবার সুয়োগ নেই। পরীক্ষায় দায়িত্ব পালনকারী মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, কলেজ কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন এমনকি প্রশ্নের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ প্রশাসন থেকে এ যাবত কোন অভিযোগ কখনই ওঠেনি। পরীক্ষার দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের কেন্দ্রে অবস্থানরত কয়েকশ’ অভিভাবক এবং সাংবাদিকদের কাছ থেকে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে ন্যূনতম কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। আসলে একটি সুবিধাবাদী দল দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্যই এ ধরণের একটি ভিত্তিহীন দাবি উত্থাপিত করছে। আমরা আশা করবো সরকার তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ ধরণের দাবীকে সমূলে উৎপাটিত করে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।
©somewhere in net ltd.