| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোশা
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।
জঙ্গিদের প্রযুক্তির সতর্ক ব্যবহার আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাদের তৎপরতা নজরদারির মধ্যে আনতে প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা আরও বাড়ানোর কাজ চলছে। ইদানিং তারা মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও খুদে বার্তা পাঠাতে অন্য প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহার করছে। ই-মেইল বা ভার্চ্যুয়াল ড্রাইভে অ্যাকাউন্ট খুলে একই আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করছে তারা। তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা ও গতিবিধির পুরোটা নজরদারির আওতায় আনার জন্য বিভিন্ন কৌশলে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এখন তারা কিছু সাংকেতিক নাম ব্যবহার করছে। যেমন পুলিশকে ‘মামা’, বোমাকে বলছে ‘মেওয়া’। যে এলাকায় গাড়ি চলাচল বেশি করে, সেখানে জঙ্গিরা গাড়ি নিয়ে ঘোরে। যেখানে ভিক্ষুকদের আনাগোনা বেশি, সেখানে ভিক্ষুক সেজে চলাফেরা করছে তারা। যেহেতু এই সময়ের ইন্টারনেটভিত্তিক তথ্য আদান-প্রদানের সব পণ্য বা সেবাতেই সাংকেতিকভাবে গোপনীয়তা রক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে (এনক্রিপশন) তাই সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ছাড়া নজরদারি বা নির্দিষ্ট তথ্য উদ্ধার করতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর। সাইবার ভিত্তিক এড়িয়ে যাওয়া কৌশল সম্পর্কে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে সমূলে এদের নিয়ন্ত্রন করা যেতে পারে। আর এটাই হবে একটি দেশের কল্যাণের চালিকাশক্তি।
©somewhere in net ltd.