নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার কৃষির উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখছে

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৪০


কৃষিপ্রধান বাংলাদেশের আর্থনীতিক উন্নয়নে কৃষি এবং কৃষকের উন্নয়ন সর্বাধিক গুরুত্বের দাবি রাখে। হাজার বছর ধরে চলে আসা চাষ পদ্ধতি এবং কৃষি উৎপন্ন বাজারজাতকরণের প্রচলিত প্রক্রিয়ার পরিবর্তন সম্ভব না হলে কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব সংঘটিত করা যে সম্ভব নয়, তা বলাই বাহুল্য। বিপুল জনসংখ্যার দেশ বাংলাদেশ ইতোমধ্যে খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। কিন্তু উন্নয়ন একটি দেশের জন্য তাই যথেষ্ট নয়। খাদ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন আমাদের লক্ষ্য হওয়া বাঞ্ছনীয়। যখন উন্নয়নের সব সূচক একটি ধনাত্মক স্তরে উন্নীত হয়েছে জাতির সেই শুভক্ষণে কৃষি খাতকে ঢেলে সাজিয়ে তাকে লাভজনক অবস্থায় নিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়টি তখনই সবার দৃষ্টির সম্মুখে উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে যখন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে শিগগিরই বিশ্ববাসীর স্বীকৃতি আদায় করে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের তালিকা থেকে নিজ নাম মুছে ফেলে নিজের পূর্বতন অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। এ অভিযাত্রায় দ্রুত তার গতি, সতর্ক তার অবস্থান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ভাবনা এর উৎস। বিষয়টি প্রথম উন্মোচিত হয় ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন রচনাকালে। পরিকল্পনাটা নিঃসন্দেহে তারই সুদূরপ্রসারী ভাবনার ফল। অতীত ব্যর্থতা ও প্রতিহিংসার রাজনীতির বদলে দেশে এখন শুরু হয়েছে উন্নয়নের ধারাক্রম। উন্নয়নের প্রতিটি সূচকেই সন্তোষজনক অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হয়েছে। সার্বিকভাবেই দেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। শিল্পোন্নয়নের পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রটিকেও সরকার গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরই তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার আলোকেই ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এমনকি গ্রামের স্বল্পশিক্ষিত বা নিরক্ষর লোকটিও যেন প্রযুক্তির সেবা গ্রহণ করতে পারেন, তার সার্বিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মন্ত্রীর ভূমিকা কেবলই প্রশংসার। তার দূরদর্শী কর্মসূচির কারণে ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এ প্রযুক্তি। আরামপ্রদ হয়েছে জীবন, বেড়েছে জীবনমান। আয় ও কর্মক্ষমতাও বেড়েছে। কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন বাংলাদেশকে অল্পসময়ের মধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশে সহায়তা করবে। বজায় থাকবে দেশের উন্নয়ন ধারাক্রম।


মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.