নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলমের খোয়াবনামা

ডেন্টিস্ট আমি। পিটিয়ে মানুষ করি দাঁতকে ;)

মোশা

পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল, আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি, এই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।

মোশা › বিস্তারিত পোস্টঃ

জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে সামাজিক প্রতিরোধই একমাত্র উপায়

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৪:১৮

বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এই দেশে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ একইসঙ্গে বাস করে। দেশটির মানুষ যেমন ধর্মপ্রাণ তেমনি উদার। আনন্দ-উৎসবে সবাই হাত ধরাধরি করে চলে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে অসাম্প্রদায়িক চেতনার মেলবন্ধন বাংলাদেশের জন্য গৌরবজনক। এই দেশে যতো আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে তাতে সাম্প্রদায়িক চেতনা কখনোই বিস্তার লাভ করতে পারেনি। অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তিতেই বাংলাদেশের জন্ম। সে কারণে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যেও বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাথা তুলে দাঁড়ায় সকল অপশক্তির বিনাশে। এমন একটি দেশে জঙ্গিবাদের বিস্তারে নানামহল নানা অপচেষ্টা অতীতেও চালিয়েছিল বর্তমানে চালাচ্ছে। আমরা যদি কয়েক বছর পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে কি দেখব? দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায়, আদালতে, বিভিন্ন সমাবেশে গ্রেনেড ও বোমা হামলার মতো ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ হামলা আমাদেরকে শুধু বিস্মিতই করেনি, আতঙ্কিতও করেছিল। জঙ্গিবাদ মতাদর্শী বিভিন্ন সংগঠনের উত্থান একসময় পুরো জাতিকে আতঙ্কিত করলেও সময়ের ব্যবধা সে আতঙ্ক এখন আর আগের মতো তাড়িয়ে ফেরে না জনগণকে। এক্ষেত্রে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে বর্তমান সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ জনগণকে আশ্বস্ত করেছে। এজন্য দেশের রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে দেশের আপামর জনতার সাধুবাদ বর্তমান সরকার নি:সন্দেহে পেতে পারেন। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার জঙ্গিবাদ দমনে যে ঘোষণা দিয়েছেন বা যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তা বাংলাদেশকে বড় রকমের বিপদ থেকে রক্ষা করছে বলা যায়। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর টার্গেটকে তুচ্ছ করে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শুধু স্বদেশ ও জনগণের জন্য অহর্নিশ অপশক্তির সঙ্গে যে লড়াই করে চলেছেন তার নজির খুব বেশি পাওয়া যাবে না। তবে সরকারের পাশাপাশি জনগণকেও জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে জোরালোভাবে এগিয়ে আসতে হবে। মনে রাখতে হবে কোনো উগ্রপন্থাই ভালো কোনো কিছুর জন্ম দিতে পারে না। বরং সমাজে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়। সুতরাং উগ্রবাদী তথা ধর্মীয় লেবাসে যারা জঙ্গিবাদের জন্ম দিচ্ছে, লালন বা পৃষ্ঠপোষকতা করছে তাদেরকে একযোগে বয়কট করার সময় এসেছে। অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে সে বাংলাদেশ যেনো কোনো অপশক্তির নগ্ন থাবায় ক্ষতবিক্ষত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব প্রতিটি জনগণের। সেজন্য সমাজের সকল স্তর থেকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কর্মকাণ্ড শুরু করতে হবে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.