নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বহুদিন আগে কোন এক বারান্দায় শেষ বিকেলের আলোয় আলোকিত উড়ন্ত খোলা চুলের এক তীক্ষ্ণ হৃদয়হরনকারী দৃষ্টি সম্পন্ন তরুনীকে দেখে ভেবেছিলাম, আমি যাদুকর হব। মানুষ বশীকরণের যাদু শিখে, তাকে বশ করে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দিব সারাটি জীবন।

কাল্পনিক_ভালোবাসা

একদিন সব হাসির ময়নাতদন্ত হবে, ফরেনসিক রিপোর্টে লেখা থাকবে - সবই মিথ্যে।

কাল্পনিক_ভালোবাসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

রসবোধের \'শাক শাপান্ত\'

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৭

আমি রান্নাবান্না নিয়ে বেশ খুঁতখুঁতে। প্রধান কারন, আমি নিজে রান্না জানি এবং আমি অতি অবশ্যই ভালো মন্দ খেতে পছন্দ করি। আমার আম্মা যিনি আমাকে বিষ দিলেও আমি হাসিমুখে খাবো, সেই আম্মাকেও মাঝে মাঝে আমি যথেষ্ট সমালোচনা করি। উনার ক্ষেত্রে আমার সমালোচনা মানে, আমার কোন কিছু না খেয়ে বাটিটা ঠেলে টেবিলের অন্যদিকে পাঠিয়ে দেয়া। এর বেশি এ্যাকশনে যাইতে চাইলে ভাতে পানি ঢেলে শুধু লবন মরিচ দিয়ে খাওয়া শুরু করা। ব্যাস! বাকিটা রাজত্ব জয়ের ইতিহাস।

তবে, ছেলেরা প্রথম জীবনে মায়ের কাছে রাজত্ব করে আর দ্বিতীয় জীবনে স্ত্রীর কাছে রাজত্ব বিসর্জন করে। এই সত্য সুন্দর বনের বাঘ থেকে শুরু করে পাচিল টপকানো বিলাই সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আমার বিবাহিত, ফলে অবস্থা হচ্ছে পড়েছি মোঘলের হাতে, খেতে হবে খানা সাথে।

আমি কৌতুক করা খুবই পছন্দ করি। যারা সত্যিকার কৌতুক করতে পারেন বা জানেন, তাদেরকে আমি শ্রদ্ধা করি। তবে মাঝে মাঝে বুঝে শুনে কৌতুক করতে হয় কারন সবার রসবোধ এক হয় না। এই কৌতুক করতে গিয়ে যথেষ্ট নাজেহাল হয়েছি যেমন গত ঈদে যেখানে পানির দামে গরু পাওয়া যাচ্ছে, লোকজন ছাগল কিনতে গিয়ে একটু বাড়িয়ে গরু কিনে আনছেন, সেখানে আমার সামনের বাসার এক ভদ্রলোক প্রায় ৪০ হাজার টাকা দিয়ে একটি পাঠনাইয়া ছাগল কিনে আনলেন। উনি ছাগল পেছনে নিয়ে আমাকে ঘটনাটা বর্ণনা করলেন। আমি খুবই কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়ে মানে ছাগল কোনটা?


পরের ঘটনা কিছুটা ভয়াবহ! কিছুক্ষন পর বাসায় ঢুকতেই দেখি আম্মার চোখ মুখ লাল। ঘটনা তেমন কিছু না, সামনের বাসা থেকে অভিযোগ আসছে, আপনার ছেলের মত বেয়াদপ এই এলাকায় আর কেউ নেই।

বলুন তো, কি মুসকিলের ব্যাপার!

যাইহোক, মুল ঘটনায় আসি। পালং শাক আমার খুবই পছন্দের একটা তরকারী। এটা দিয়ে রান্না করা যে কোন আইটেমই আমার অতি প্রিয়। আম্মা মাঝে মাঝে হালকা ঝোল ঝোল করে চিংড়ি, আলু দিয়ে এই শাক রান্না করত। বিশ্বাস করেন, সেদিন অন্য যে কোন দিনের চেয়ে ভাত বেশি খাওয়া হতো।

আজকে রাতে খেতে বসে দেখি, মেন্যুতে পালং শাক। খুশিতে লাফিয়ে উঠার আগেই শাকের চেহারা দেখে হতাশ হলাম। বুঝলাম, ইহা আমার স্ত্রীর প্রাণপ্রিয় বুয়া রান্না করেছে। উনাকে নিয়ে আমার কোন সমস্যা নেই। তবে মুল সমস্যা হচ্ছে রান্না আর উনার মাঝে দুরত্ব কয়েকশ আলোকবর্ষ।

যাইহোক, খুব আন্তরিকভাবে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম, ইয়ে আগে তো কখনও বলো নি, আমাদের বুয়া সৌদি আরবে কাজ করছেন?

স্বীয় স্ত্রী আমার দিকে কিছুটা চোখ মিটমিট করে ঘটনাটা বুঝার চেষ্টা করলেন। কিছুটা বিভ্রান্ত মনে হলেও, স্বভাবসুলভ ভাবে ঝাড়ি দিয়ে বললেন, কি বল এই সব? বুয়া সৌদি আরবে থাকবে কেন?

আমি মিষ্টি হেসে বললাম, নাহ মানে, রান্না দেখে মনে হচ্ছে যেখানে রান্না করা হয়েছে তার আশেপাশে কয়েক'শ কিলোমিটারের মধ্যে পানি নামে কোন বস্তু নেই। কিংবা যিনি রান্না করেছেন, তিনি বোধ করি ভুলে গেছেন আল্লাহর দুনিয়ায় পানি বলে কিছু আছে। তেলের কথা তো ভয়ে বলতে পারতেছি না।

স্ত্রী ক্রোধে ফুলছেন। আমি সেটা লক্ষ্য না করার ভান করে বললাম, এই রান্না করা শাক টিপে যদি কেউ এক ফোঁটা তেল কিংবা পানি কিংবা শাকের রসও বের করতে পারে, আমি তাঁর নামে একটা মরুদ্যান দিবো।

হঠাৎ চারিদিকে কেমন যেন একটা ফোসফোস শব্দ শুনলাম। সাথে সাথে মনে হলো, আমাজনে আগুন লাগার কারনে কোন সাপ টাপ এই দিকে চলে আসতে পারে। কিন্তু স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে ভুল ভেঙ্গে গেলো। আমি ঢোঁক গিলে বললাম, কোন সমস্যা নেই - আমি ডাল দিয়ে কাজ চালিয়ে নিবো। শাক আর ডাল মিলিয়ে খেলে পানির সমস্যা দূর হয়ে যাবে। আসলে শাকের পানি ডালে উঠে গেছে।

.........।

প্রিয় পাঠক, এইটা আসলে একটা গল্প। কল্পনার রাজ্যে বসে লিখেছি। এটাকে সত্য ধরে নিবেন না। স্ত্রীর মুখে মুখে তর্ক করে নিজের জীবনের উপর ঝুঁকি নিবেন না।সব কিছুকে কল্পিত গল্প বলে চালিয়ে দিন। ব্যাস! এটাই জীবনের সৌন্দর্য।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২৭

আনমোনা বলেছেন: ভাবীর রাগ দেখে ভাবছি........রান্নাটা আসলে কে করেছে?

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: বুয়াই রান্না করেছে।

২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪০

আরোগ্য বলেছেন: কি বললেন মডারেটর সাহেব? পালং শাক আর চিংড়ি শুনে তো জিভে পানি চলে এলো। তবে আমরা সাথে আলু দেই না। পালং শাক দিয়ে গরুর মাংসও খুব মজাদার।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: যাক! কোন তো কাজে আসলাম! আপনার জিভে জল আনতে পারলাম।
ধন্যবাদ আপনাকে।

৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



গল্পটা যদি কল্পনা জগত থেকে হয়ে থাকে, স্ত্রীও তো কল্পনার অংশ হওয়ার কথা!

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ইয়ে মানে, এই সব সৌভাগ্য কি আর আম জনতার কপালে আছে?

৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আমি লাউ পাতা দিয়ে খুব ভালো একটা রেসিপি জানি, আমি আপনাকে সহ ব্লগে রেসিপিটা দিয়ে দিবো। খাদ্য তালিকায় শাক আমার পছন্দের মাঝে প্রথম।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: অবশ্যই দিবেন। আসলে আমি যেটা বুঝি রান্না করতে পারলে যে কোন খাবারই মজা লাগে। আমার পরিচিত এক বাসা আছে, যে বাসায় আমি গরুর মাংস মুখেও দেই না। অথচ গরুর মাংস আমার সবচেয়ে প্রিয়।

৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:১০

প্রামানিক বলেছেন: কাল্পনিক ভাই, যতই কল্পনার কথা বলেন বাস্তব জীবনের কাহিনী এর চেয়ে কোন ক্রমেই কম নয়, সে আপনি আমি যেই হই। গিন্নির রান্না খারাপ বলে কোন স্বামী তার স্ত্রীর কাছ থেকে ভালো ব্যাবহার পেয়েছে বলে মনে হয় না।
ধন্যবাদ সুন্দর একটি কাহিনী উপহার দেয়ার জন্য।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা। আপনাকে ধন্যবাদ। তবে আমার স্ত্রী খারাপ রান্না করলে, আমি কখনও খারাপ ব্যবহার করি নাই। আমার কাছে মনে হয়, আহা বেচারা এত কষ্ট করে আমার জন্য রান্না করেছে! আমি চুপচাপ খেয়ে নেই। এটা ম্যাক্সিমাম জায়গায়ই আমি করি। তবে মাঝে মাঝে ব্যতিক্রম করি। সেটাই মজা।

৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:০২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার তো রেস্তারাঁ আছে। সেটি কেমন চলে?
এই বাজারে আপনার মত রাধুনীর ডিমান্ড অনেক। সাথে আছে পার্সোনালিটি । বহু রুপসী আপনাকে বানাতে চাইবে তাদের হাবি।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ওরে বাবা! কি মন্তব্য করলেন!! তা আমার রেস্তোরাঁর খবর আপনি কিভাবে জানলেন??

৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৪৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: রান্না যেমনই হোক, স্ত্রী বা বুয়া যেই রান্না করুক, প্রশংসা না করলে খবর আছে।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ইহাই কঠিন সত্য।

৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি যেমন রসিক মানুষ। আপনার লেখার মধ্যে রস ব্যপক হারেই আছে।
আমার সাথে আমার যত ক্যাচাল হয়েছে, তার সব গুলোই রান্না নিয়ে। অবশ্য এখন সুরভির রান্না খাই। মন্দ হলেও ক্যাচাল করা হয় না।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা। আপনি একজন আদর্শ স্বামী!! ভাবীকে আমার শুভেচ্ছা। আমিও এখন আর ক্যাচাল করি না। তবে কৌতুক করার সুযোগ পেলে তা আর ছাড়ি না।

৯| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩১

রাকু হাসান বলেছেন:



শুভ সকাল কাভা ভাইয়া । ছেলেরা প্রথম জীবনে মায়ের কাছে রাজত্ব করে ,২য় জীবনে স্ত্রীর কাছে রাজত্ব বির্সজন দেয় । সুন্দর বলেছেন হাহাহাহা
আশা করছি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন । কারণ বানানটি আপনি কারন লিখেন । অনেক সময় ধরেই দেখে এসেছে তবে বলার সাহস পাইনি । আমার মতে কারন না লিখে কারণ লিখলে অধিকতর শুদ্ধ হয় । যদিও খুব বড় ভুল নয় তবে আামাদের কাভা হিসাবে বলতেই পারি যে কোনো কথা । :) ভালো থাকবেন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ বিষয়টি তুলে ধরার জন্য। এটা আমার একটি বড় ধরনের ত্রুটি। বিশেষ করে কিছু কিছু বানান নিয়ে আমি খুবই যন্ত্রনায় থাকি। কিভাবে যেন ভুল হয়ে যায়। আমি অবশ্যই চেষ্টা করব, এই সব বিষয়ে সর্তক হতে। আপনি আমার সহ ব্লগার, আমার সহযাত্রী বন্ধু। সুতরাং ভয় পাওয়ার কথা বললে খুবই হতাশ হবো।

১০| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫১

সাাজ্জাাদ বলেছেন: চুপচাপ খেয়ে হজম করতে পারাটাও একটা বড় গুন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: সত্য বলেছেন!! এটা বিশাল গুন।

১১| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আগে রান্না করা জানতাম বিয়ের পর ভুলে গেছি । ;)

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: যাক! ভাবী তাহলে আপনার খুব যত্ন নিচ্ছে!!

১২| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

মা.হাসান বলেছেন: ছাগল আর পাঁঠার পার্থক্য করতে না পারলে বাসায় অভিযোগ আসা স্বাভাবিক।

শীতের শুরুতে আলু, বেগুন, মূলা বা মসুর ডাল দিয়ে পালং শাক খেতে চমৎকার লাগে। টক পালংও খেয়েছি। তবে যেমনটা আরোগ্য ভাই বলেছেন, মাংসের সাথে খাবার উপযোগী যে পালং এর ভ্যারাইটি তা বিলাতে পাওয়া যায় শুনেছি, দেশে আছে জানা ছিলনা।

কলমি শাকের মত শুকনা করে পালং রান্নার পদ্ধতি জানা নেই। আপনার বুয়ার রান্নার রেসিপি পেলে চেষ্টা করে দেখতাম।
আপনি অল্পের উপর দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন, আমাজনের আগুনে ঝলসাতে হয়নি তা আমাদের সৌভাগ্য। এজন্য আপাতত একটা মুরগি সদকা করে দেন, ব্লগ ডে তে একটা ছাগল/খাসির ব্যবস্থা করলে আমাদের আপত্তি থাকবে না।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৪১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। তবে, ছাগল বা খাসি বা পাঠা ইদানিং খুব সহজলভ্য হয়ে পড়েছে। তাই সম্মানিত ব্লগারদের দুর্লভ কিছু দিয়ে আপ্যায়ন করা উচিত। দেখি কি পাওয়ায যায়। তবে, অঞ্চল ভেদে রান্নার অনেক প্রকারভেদ থাকে। এই বৈচিত্রময়টার প্রয়োজন আছে বৈকি। উপযুক্তভাবে রান্না করতে পারলে অধিকাংশ জিনিসই খাওয়ার যোগ্য হয়।

১৩| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫৮

নীল আকাশ বলেছেন: জাদিদ ভাই,
আপনি এখন খুব অনিয়মিত লেখেন এটা ঠিক না। আপনার এই পর্যন্ত যতগুলি লেখা পড়েছি সবগুলি খুব মজার।
আপনাকে অনুরোধ রইল নিয়মিত ব্লগে লেখালিখি করবেন। সবকিছুর উপরে আপনি একজন লেখক। আর একজন লেখকের কাছে এমন দাবী আমরা করতেই পারি।

আপনার রেস্তোরাঁর খবর আমি জানতাম না। ডার্ক ম্যান কি সাধে এই নাম রেখেছে। তো কবে ব্লগের সবাইকে এখানে দাওয়াত দিচ্ছেন। আমি সোজা চট্টগ্রাম থেকে চলে আসব, কথা দিলাম।

পালংশাক আমার খুব প্রিয় একটা সবজী। শাকের মধ্যে আমি শুধুই লালশাক আর পালংশাকই খাই। পালংশাকের মধ্যে ঝোল না থাকলে কি অবস্থা হয় সেটা বেশ ভাল ভাবেই বুঝতে পারছি। কি যে কষ্ট করে খেয়েছেন সেটা...
যাক ভাবী ছোট বাচ্চা নিতে মনে হয় খুব ব্যস্ত থাকেন। সেজন্যই এই অবস্থা!

বিয়ের পর সব ছেলেরাই নতুন বৌয়ের রান্নার গিনিপিগ হয়, এ আর নতুন কি?
শুভ কামনা রইল।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে নীল আকাশ। আমিও নিয়মিত লিখতে চাই। আশা করি ব্লগে এখন আগের চাইতে বেশি দেখতে পাবেন। :)

১৪| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় কাভাভাই,

গল্প হলেও মজাদার। হতে পারে আপনার কল্পনাপ্রসূত কিন্তু এমন আছে ঘটনা আমাদের গৃহস্থ জীবনে হয়েই থাকে। রস-বোধের তারতম্যের কারণে কখনো সংসার, সংসার হয় কখনোবা সংহারের রূপ ধারণ করে। আপনার রসবোধে পুলকিত হলাম।
তবে বুয়ার পালং এর রেসিপিটা শুরুতে আলোকবর্ষ কিছুক্ষণ পর কয়েক কিলোমিটার আর খাওয়ার টেবিলে অবশ্য মিলেমিশে একাকার হওয়াটাই কাম্য। আমরাও প্রায়শই ক্ষেত্রে গৃহ বিদ্রোহের আশঙ্কায় হাসিমুখে এমন আলোকবর্ষকে কাছাকাছি ধরে নেই।
আমরা এক সহকর্মীর এ প্রসঙ্গে একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার না করলেই নয়,
মাছের ঝোলের চেহারা দেখে উনি বৌদির কাছে,
- একটু মাসের জল হবে? বলতেই,
বৌদিরও রসবোধ কম নয়, উনি অমনি ভাতের থালায় দিলেন কিছু জল ঢেলে। যতক্ষণ মাছের ঝোলকে মাছের ঝোল না বললেন, ততক্ষণ অবশ্য উনার ভাগে মাছের ঝোলের দেখা মেলেনি।
শুভেচ্ছা নিয়েন।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। আসলে বিষয়টাকে গল্প বলে চালিয়ে কোন মতে পার পাবার চেষ্টা করেছি আর কি!
আপনার সহকর্মীর বৌদির রসবোধে আনন্দিত হলাম। ইদানিং সুস্থ রসবোধ আমাদের মধ্যে কমে গেছে।

১৫| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: হা হা। আপনি একজন আদর্শ স্বামী!! ভাবীকে আমার শুভেচ্ছা। আমিও এখন আর ক্যাচাল করি না। তবে কৌতুক করার সুযোগ পেলে তা আর ছাড়ি না।

আমি একজন রসিক মানূষ। অথচ লোকের ধারনা আমি রসকসহীন একজন মানুষ।

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: বাহ! জেনে খুবই প্রীত হইলাম।

১৬| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ব্লগার নিজেই যেখানে কাল্পনিক সেখানে গল্পকে কাল্পনিক ভাবতে আমাদের কোন অসুবিধা হচ্ছেনা।
আমি একবার স্যুপ কে ডাল ভেবে অল্পের জন্য মার খাইনি । =p~ =p~

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা হা! আহা! দেশী!! এইটা কি বললেন!!

১৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: রসতো সব লেখায় চলে এসেছে.....
তাই পালংশাক অমন ছিল ;)

হা হা হা

রসময় (ভিন্নার্থে নিজ দায়িত্বে নিবেন) রম্যরসে ব্লগারদের ভিজিয়ে দিলেন ভায়া ;)

লিটন ভায়ার স্যুপকে ডাল ভাবার রম্য জানতে চাই :)

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা! খাসা মন্তব্য হয়েছে!!! স্বীয় ভ্রাতারও দেখছি রসবোধ কম নয়!! ;)

১৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা,




দারুন হয়েছে। সাংসারিক দৃশ্যগুলো যথাযথ ভাবে রসে মাখানো । যেখানে যেমন সেখানে তেমন করেই রস ঢেলেছেন সুচারু ভাবে। এদিক ওদিক ছলকে পড়েনি।
তবে এই রসের ভেতর কঠিন যে সত্যটা "ষ্টাফ্টড" করে দিলেন সেটা হলো - "ছেলেরা প্রথম জীবনে মায়ের কাছে রাজত্ব করে আর দ্বিতীয় জীবনে স্ত্রীর কাছে রাজত্ব বিসর্জন করে।" ( মুল পোস্ট থেকে কপি করার অপশনটা বাতিল করে কি ঝামেলাতেই না ফেলেছেন.... পুরো লাইনটি টাইপ করতে হলো। :(( ) বোঝা গেলো, বিয়ের আগে রাজা ছিলেন, এখন প্রজা। ;)
অবশ্য আমরা সবাই প্রজা আমাদেরই বউয়ের রাজত্বে........... :(

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা! সম্মানিত অগ্রজরা যখন বিবাহিত জীবনের ব্যাপারে একই ধারনা পোষন করে, তখন মনে হয়, আসলেই পৃথিবীটা গোল।

এই লেখা প্রকাশিত হবার পর কিভাবে যেন ব্যাপারটা লিক হয়ে যায়। শুধু একটা হুমকিই শুনলাম, বেশি রস হইছে না?? দাঁড়াও দেখতাছি ব্যাপারটা।

যাইহোক দোয়া করবেন ভাই।

১৯| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



জীবন সংসারটা বুঝতে বুঝতেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করতে হয়। কতশত ঘটনা, মান-অভিমান সংসারকে বৈচিত্র্যময় করে। কখনো বুঝে আবার কখনো না বুঝে সংসার ভেঙে খানখান হয়ে যায়। আর বউ শ্বাশুড়ির নীরব যুদ্ধ তো কমন বিষয়।

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৪২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হাহা! আরে এত সিরিয়াস কেন??

২০| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৩৯

সোহানী বলেছেন: আরে ভাইজান, সাহস থাকে তো ওরকম এক বাটি রান্না করে দেখান

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৪

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপু, উহা সাহসের নয়, উহা রান্না করা একটি বিরল প্রতিভা! আমি এত বড় প্রতিভার অধিকারী নই!

২১| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৫

আমি তুমি আমরা বলেছেন: তাহলে কল্পনায় একটা মরূদ্যানও দিয়ে দিন :P

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা হা। অনেক দিন পর ব্লগে আপনাকে দেখলাম।!

২২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাল লগল গল্পটি পাঠে । রাজত্ব বিসর্জনেও বেশীরভাগ ক্ষেত্রে অনেক অর্জনের থেকেও বেশী যদি না তা একনায়কতান্ত্রিকতার কবলে না পরে যায় । শাকের রস শুকিয়ে গেলেও লেখা রসে টই টুম্বুর ।
যাহোক, কল্পনা হলেও এতে জল্পনার অনেক অবকাশ আছে ।
রসবোধই হোক আর যে বোধেই হোক আমরা হয়তবা অনেকেই জানিনা যে পালং শাক
( যার মধ্যে ৯১% পানি থাকে , বাকি ৪% কার্বোহাইড্রেট , ৩% প্রোটিন ও ২% অন্যান্য উপাদান )
অনেক সময় সত্যিকার অর্থেই শাপান্ত হয়ে যায় । হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের হেল্‌থ পাবলিসিং পরিবেসিত
একটি ব্লগের লেখায় 5 steps for preventing kidney stones -Avoid stone-forming foods
দেখা যায় কিডনীতে স্টোন ফর্মের জন্য পালংশাক ভাল একটি ভুমিকা পালন করে । Spinach is rich in oxalate, Most stones occur when calcium combines with one of two substances: oxalate or phosphorous. তাই যাদের কিডনীতে কোন সমস্যা আছে তাদেরকে ডাক্তার পালং শাক খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলেন । আল্লাহ না করুন যদি সে রকম কোন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে রসকে নিরস বনিয়ে বুয়া মোহতারেমা কি উপকারটাই না করেছে ।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: সুপ্রিয় আলী ভাই! এইটা কি বললেন? আসলে এই পৃথিবীতে কি মন পছন্দ কিছুই খাইতে পারুম না? :( :( যে তথ্য দিলেন, তাতে তো ইহা খাইতে গেলেও গলায় কাটার মত বিঁধবে!

২৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৯

অন্তরন্তর বলেছেন: এত পছন্দের শাকের স্বাদ আর রসের মাঝে শ্রদ্ধেয় আলী সাহেব কি যে ঢেলে দিলেন তাতে মন খারাপ না হয়ে উপায় আছে কি জাদিদ ভাই? রান্না প্রবাসে থাকার কারণে অনেক অনেক দিন একা করতে করতে একজন রাধুনি হয়ে উঠেছিলাম। আমার স্ত্রী আসার পর আর রান্না করা হয় না বললেই চলে এবং উনার রান্নার হাত আসলেই চমৎকার। আমিও আপনার মত যদি কোনদিন রান্না একটু খারাপ হয় তবে কিছু না বলেই খেয়ে নেই। পরে কখনও একসময় তা কিভাবে কি করলে আরও ভাল হত বুঝিয়ে বললে উনি বেশ বুঝতে পারেন। এভাবে বিয়ের পর রাজত্ব আংশিক বিসর্জন দিয়ে দিনানিপাত আপনাদের দোয়ায় ভালই চলছে। আপনার অনেক বেশি লিখা উচিত। ব্লগে খুব দরকার আপনাদের মত যারা লিখতে পারেন তাদের লিখা বেশি বেশি আসার। শুভ কামনা। ভাল থাকুন সর্বদা।

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আলী ভাইয়ের কথায় বড়ই চিন্তায় পড়লাম। এখন থেকে সব কিছু হিসাব করে খেতে হবে। নইলে কপালে যে খারাপি আছে, সেটা আর বলতে হবে না।

আমিও আপনার মত! খাওয়ার পরে বুঝিয়ে বলি।আমি রান্না করতে পছন্দ করি, খারাপ লাগে না। আমার স্ত্রী বিয়ের আগে কখনও রান্না করেন নি, বিয়ের পর তিনি শুধুমাত্র আমার জন্যই রান্না করেন। আরো একটি দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে, আমার স্ত্রীর বাবা মা কেউই নেই, ফলে রান্নার ব্যাপার সব কিছু তার নিজের আগ্রহে শেখা এবং অনেক সময় আমার আম্মা এবং আমার কাছ থেকেই তিনি রান্নার ব্যাপারে আদৌপান্ত জেনেছেন। এবং আশ্চর্যের বিষয় এই অল্প সময়ে তিনি অনেক রান্না শিখেছেন। আমার একটাই সমস্যা, রান্না কেউ অবহেলা নিয়ে করলে আমি সেটা বুঝে ফেলি হা হা। ফলে আমি অধিকাংশ সময়ে বুয়াদের রান্না আমি খেতে পারি না।

আমি খুব সিম্পল খাবার খাই। আমার পছন্দের মেন্যু হচ্ছে ডাল, ভাত, সাথে কোন একটা সবজি বা ভর্তা। ব্যাস এর সাথে যদি একটা মাছ থাকে তাহলে সেটা আমার জন্য রাজভোগ! আপনি আমাকে ডাল ভাত আর আলুভাজি দেন। আমি কোন অভিযোগ ছাড়া দিনের পর দিন খেতে যেতে পারবো। হা হা হা। আপনার আর ভাবীর জন্য রইল শুভ কামনা।

আর লেখা ভালো লেগেছে জেনে খুব খুশি হলাম। পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল।

২৪| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:১০

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: কাভা ভাই, পোস্ট করতে গিয়ে বুঝতে পারলাম আমি সম্ভবত পোস্ট দেয়াতে ব্লক হয়ে গেছি | যদিও আমাকে নিরাপদ ব্লগার হিসাবে দেখাচ্ছে কিন্তু আমি কোনো নতুন পোস্ট দিতে পারছি না | একটু দেখবেন কি ?

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনার সমস্যা আগেই দেখেছি। দুঃখিত জবাব দেরীতে দেয়ার জন্য। আপনার কোন সমস্যা আমি দেখতে পাই নি।

২৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: সুন্দর একটি কাহিনী উপহার দিয়েছেন । ধন্যবাদ আপনাকে। শুভকামনা।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: পাঠে কৃতজ্ঞতা।

২৬| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:২৮

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ছেলেরা প্রথম জীবনে মায়ের কাছে রাজত্ব করে আর দ্বিতীয় জীবনে স্ত্রীর কাছে রাজত্ব বিসর্জন করে।
.........................................................................................................................................
আমাদের বাংলায় এর প্রভাব আছে,
কিন্ত ইউরোপ বা জাপান চীনে এধরনের ঘটনার সুযোগ কোথায় ?
তবে রান্নার ব্যাপারে আমার নির্দেশনা আছে এর ব্যতিক্রম হলে,
সেই খাবার সামনে আসে না ।
....................................................................................
কোন নারী তার রান্না খারাপ হয়েছে মেনে নিতে প্রস্তুত নয়,
সুতরাং বুদ্বিমান পুরুষরা একটু অভিনয় করবে, হা হা হা

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:১২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা!! বেঁড়ে বলেছেন!! বুদ্ধিমান পুরুষরা একটু অভিনয় করে। আমার সমস্যা, আমি অভিনয় পারি না। আর পারলেও সেটা জঘন্য হয়। তাই বিপদে পড়ি।

২৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

মাহের ইসলাম বলেছেন: যত যাই বলেন, স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করতে কেউ যাবে বলে মনে হয় না। তাও আবার সামু'র কাহিনী নিয়ে।

ডাল দিয়ে শাক কিন্তু সুস্বাদু হওয়ার কথা। আপনি ঠিকই প্রস্তাব করেছিলেন।

শুভ কামনা রইল। ভালো থাকবেন।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:১৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ :)

২৮| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:১১

খায়রুল আহসান বলেছেন: ৩৯ বছরের সংসার। এর মধ্যে একদিনের জন্যেও বলতে পারবো না, কোনদিন স্ত্রীর রান্না খেয়ে মেজাজ খারাপ হয়েছে।
তবে চুপি চুপি বলি, খারাপ লেগেছে যখন বাসায় কোন পার্টি দেয়ার পরের দিন থেকে লাগাতারভাবে বেঁচে যাওয়া রীচ ফুড খেতে বাধ্য হয়েছি, অথচ তখন ঐ পালং শাকের ঝোল জাতীয় কিছু খাবার জন্য মনটা আঁকুপাঁকু করতো। :)
আপনার এই রসালো পোস্টটি খুবই উপভোগ্য হয়েছে। + +

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হা হা হা। ধন্যবাদ ভাইয়া। আমার সাথে এই জাতীয় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভবনা দেখা দিলে আমি পালিয়ে যাই। আমার একটি ছোট দোকান পরিচিত আছে। সেখানে নানা রকম ডাল, ভর্তা ভাজি পাওয়া যায়। সেখান থেকে কোন মতে বেঁচে ফিরে আসি

২৯| ০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:৪৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
পালং শাক দিয়ে ছোট বাইম/বাইং মাছ ভালই লাগে।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৮

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আহা! সেটাও সুন্দর!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.