নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বহুদিন আগে কোন এক বারান্দায় শেষ বিকেলের আলোয় আলোকিত উড়ন্ত খোলা চুলের এক তীক্ষ্ণ হৃদয়হরনকারী দৃষ্টি সম্পন্ন তরুনীকে দেখে ভেবেছিলাম, আমি যাদুকর হব। মানুষ বশীকরণের যাদু শিখে, তাকে বশ করে নিশ্চিন্তে কাটিয়ে দিব সারাটি জীবন।

কাল্পনিক_ভালোবাসা

একদিন সব হাসির ময়নাতদন্ত হবে, ফরেনসিক রিপোর্টে লেখা থাকবে - সবই মিথ্যে।

কাল্পনিক_ভালোবাসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যার এবং সামহোয়্যারইন ব্লগের বন্ধু ও অভিভাবক হারানোর ব্যাথা। (ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে)

১৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৪৪

গত কয়েক দিন আগে সংবাদ পত্রের মাধ্যমে জানতে পারলাম ড. আনিসুজ্জামান স্যারকে ক্রমাগত শারিরিক অবস্থার অবনতির জন্য সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবরটা শুনেই মনের ভেতর কেমন যেন করে উঠল। সত্যি বলতে বর্তমান সময়ে আমরা এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, চারিদিকে এত খারাপ সংবাদ তাতে কেন যেন মনের শক্তি কমে যাচ্ছে। তাই সেদিনই কোন অজানা আশংকায় বুকটা দুরুদুরু করে উঠেছিলো। পরে কোন একটা সংবাদ মাধ্যমে শুনেছিলাম স্যারের অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল, কিছুটা স্বস্তি পেয়েছিলাম। কারন বর্তমানে আমরা ক্রমাগত অনুকরন বা অনুসরন করার মত মানুষগুলোকে হারিয়ে ফেলছি, আমাদের মাথার উপর বটবৃক্ষ হয়ে থাকা ছায়াগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।




আজ বিকেলে (১৪ই মে) আমি কি যেন একটা কাজে ব্যস্ত ছিলাম। হঠাৎ জানা আপুর ফোন পেলাম। ফোনের ওপাশে জানা আপুর কন্ঠস্বর শুনেই বুঝলাম কোন খারাপ সংবাদ অপেক্ষা করছে। যারা জানা আপাকে কিছুটা কাছ থেকে চেনেন তাঁরা জানেন, আপু কত শক্ত একজন মানুষ, কত হাজারো ঝড় তিনি একাই হাসিমুখে সামলেছেন, কেউ হয়ত কিছু বুঝতেও পারে নি। কিন্তু সেই মানুষটা যখন ফোনে বাচ্চাদের মত কাঁদেন এবং অসহায়ত্ব প্রকাশ করে, তখন সেটা ভীষন কঠিন একটি পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়ায়। আপু কান্নাজড়িত কন্ঠে বললেন, জাদিদ, আমরা আমাদের একজন বড় অভিভাবককে হারিয়েছি।

সাথে সাথে বুঝলাম, স্যার আনিসুজ্জামান স্যার আর আমাদের মাঝে নেই। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন চমৎকার একজন মানুষ। তিনি ছিলেন এই সামহোয়্যারইন ব্লগের একজন অকৃত্তিম বন্ধু ও অভিভাবক। স্যারের সাথে জানা আপার ভীষন আন্তরিক একটি সম্পর্ক ছিলো। যে কোন সমস্যায় তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, সাহস জুগিয়েছেন, অনুপ্রেরণাও দিয়েছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের, লড়াইয়ের। একটা সময় যখন কোন নিরাপত্তা জনিত সমস্যা না থাকার কারনে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্লগ দিবস উদযাপিত হতে বাঁধা ছিলো না, সেই সময় তিনি সময়ে তিনি সবগুলো ব্লগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতেন।


ব্লগ ডে উদ্বোধন করছেন স্যার। এই দিন স্যার ব্লগার হিসেবে নিবন্ধনও করেছিলেন। আমি আইডিটি খুঁজে পেলে সংযুক্ত করে দিবো।।

ব্লগকে কেন্দ্র করে যত অপপ্রচার হয়েছে, ব্লগারদের হয়রানী, নিরাপত্তার অভাব এবং সর্বপরি সাম্প্রতিক সময়ে ব্লগ বন্ধ করে দেয়ার বিরুদ্ধেও তিনি ছিলেন সোচ্চার। স্যার ভীষন ভালোবাসতেন জানা আপাকে। সময় পেলেই তাঁর খোঁজ খবর নিতেন, বাসায় বেড়াতে যেতেন। খুব পছন্দ করতেন জানা আপুর হাতের রান্না। এমন একজন প্রিয় মানুষের মৃত্যূর খবরে ভেঙ্গে পড়াই স্বাভাবিক। তাঁর এই বিদায় সত্যি এমন এক শূন্যস্থান তৈরী করল, যা হয়ত কখনই আর পুরণ হবে না।



স্যার ব্যক্তিজীবনে কি ছিলেন, এটা আর এই পোষ্টে নতুন করে উল্লেখ করে বলার কিছু নেই। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার শিক্ষক, সমাজ-মনস্ক মানুষ, প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী অনন্য এক ব্যক্তিত্ব। সাহিত্য- গবেষণা, লেখালেখি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য তাঁর ভূমিকা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তার আত্মজীবনীতে তিনি যে সমস্ত বিষয়গুলো রেখে গেছেন, সেগুলোকে বাঙালি জাতি চিরকাল স্মরণে রাখতে হবে।

এই জাতির প্রয়োজনেই তাঁর আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার প্রয়োজন ছিলো। আমরা এই মহান মানুষটির আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি যেখানেই থাকুক ভালো থাকুক, শান্তিতে থাকুক।

মন্তব্য ৪৯ টি রেটিং +২৫/-০

মন্তব্য (৪৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ১:৫৪

রাজীব নুর বলেছেন: একইদিনে বাঙালি হারালো দুই নক্ষত্র ।জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান স্যার ও কথাসাহিত্যিক দেবেশ রায়।
বিনম্র শ্রদ্ধা।

১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:২৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: খুব দুঃখজনক। ধীরে ধীরে আমরা আমাদের বটবৃক্ষগুলোকে হারিয়ে ফেলছি।

২| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৪

ডার্ক ম্যান বলেছেন: প্রথম লাইনে ডাঃ লিখেছেন
দ্বিতীয় প্যারায় ১৪ই নভেম্বর লিখেছেন

১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:২৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: ধন্যবাদ। লেখার সময় টাইপো হয়ে গেছে। দ্বিতীয় প্যারায় আমি যে দিনের কথা বলছিলাম, সেদিনের তারিখ উল্লেখ্য করে দিয়েছি।

৩| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:০৬

রাফা বলেছেন: ইন্নালিল্লাহি অ-ইন্না ইলাহি রাজিউন। আল্লাহ স্যারকে জান্নাতবাসী করুন। বড় অসময়ে চলে গেলেন দেশের একজন অভিবাবক তুল্য স্বজ্জন ব্যাক্তিত্ব।ব্লগে ঢুকেই হোচট খেলাম এই দুঃসংবাদটি দেখে।

ধন্যবাদ, কা. ভালোবাসা।আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হন এই কামনা রইলো।

১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:২৭

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আমিন। সেটাই, আমাদের এই দুঃসময়ে স্যারের মত মানুষদের ভীষন প্রয়োজন ছিলো।

৪| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:১৯

মা.হাসান বলেছেন: বড় কষ্টকর বিদায়।

১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৩০

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: হ্যাঁ। অনেক কষ্টকর একটি খবর। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলাম, দেশের একটা বিশেষ শ্রেনী এতে খুশি হয়েছে। এই অংশগুলো আনিসুজ্জামান স্যারের মত ব্যক্তিত্ব্বের মৃত্যুতে স্বাভাবিক শোক বা দুঃখ প্রকাশ করে নি।

৫| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ২:৪৮

সুপারডুপার বলেছেন: অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যারের চিরবিদায়ে খুবই ব্যথিত হলাম। সামহোয়্যারইন ব্লগের একজন অকৃত্তিম বন্ধু ও অভিভাবক, এই কীর্তমান মানুষের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি। একইসাথে তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। তাঁর বিশেষ অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে আজীবন স্মরণে রাখবে।

৬| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৩:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



একজন বুদ্ধিজীবীকে হতে হয় যুক্তিনির্ভর এবং মুক্তচিন্তার অধিকারী। তিনি একটি সমাজের সার্বজনীন আদর্শ। এসব মানুষ দেশ ও জাতির বাতিঘর। আমাদের সমাজে ডান-বাম, সাদা-নীল, দলবাজ বুদ্ধিজীবীদের আড়ালে 'স্যার' ছিলেন ব্যতিক্রম। স্যারের লেখা বেশ কিছু প্রবন্ধ পড়ার সুযোগ হয়েছে। দেশকে নিয়ে, এদেশের মানুষের অধিকার এবং এগিয়ে যাওয়া নিয়ে স্যারের জ্ঞানগর্ভ লিখনি আমাদের বুদ্ধিভিত্তিক সমাজ গঠনে কাজ লাগবে।

একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনে স্যারের প্রচেষ্টা ছিল সব সময়।

সাহিত্য-গবেষণা, লেখালেখি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য তাঁর ভূমিকা আমরা জানি। একজন শিক্ষক, একজন সমাজ-মনস্ক মানুষ, প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী অনন্য সাধারণ মানুষ হিসেবে স্যারকে আমরা সব সময় বিবেচনা করি। বাংলা ভাষার উপর অসীম দখল ছিল তাঁর। পুরো বাংলাদেশের স্পিরিট, মানুষের আশা-ভরসা, সংবিধানে ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দের তাৎপর্য এবং এর উৎপত্তি বোঝার মত যে ক্ষমতা থাকা দরকার সেটার অভাব মেটাতে পেরেছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যার।

আর 'সামহোয়্যারইন' ব্লগের সাথে স্যারের হৃদ্যতার যে কথাগুলো বললেন তা সত্যি মুগ্ধ করেছে আমাকে। সামুর প্রতি স্যারে এই টান এবং ব্লগিং কমিউনিটিকে এগিয়ে নিতে স্যারের ভূমিকা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। আমরা স্যারের এই ভালোবাসার কাছে ঋণী।

৭| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৩:১০

অন্তরন্তর বলেছেন: কাভা ভাই আজ খবরটা শুনে খুব কষ্ট পেয়েছি। এরকম ক্ষণজন্মা মানুষগুলো আমাদের ছেড়ে একে একে চলে যাচ্ছে। স্যার ব্লগ দিবসে আসতেন তার অনেক ছবি ব্লগে দেখেছি কিন্তু স্যার জানা আপুর এমন সম্পর্ক ছিল তা জানতাম না। সামু ব্লগের একজন অভিভাবক চলে গেলেন। তাঁর শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আর আপনার কমেন্টে দেখলাম কিছু ইতর, অমানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় উনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলছে শুনে বেশি কষ্ট পেলাম। ঐ শ্রেণীর মানুষ এখন সব জায়গায় পাবেন এমনকি সামু ব্লগেও ঘাপটি মেরে আছে। এদের আমি করুণাও করিনা। অনেক ধন্যবাদ স্যারকে নিয়ে এমন একটি লিখার জন্য। আল্লাহ পাক স্যারকে জান্নাত দান করুন।

৮| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৩৭

সোহানী বলেছেন: একজন আলোকিত মানুষ যার আলোয় আমরা আলোকিত ছিলাম। এ অভাব অপূরণীয়।

৯| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৪১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: স্যারের বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করি।
নিরন্তর শুভকামনা এবং শ্রদ্ধাঞ্জলী স্যারের জন্য।

১০| ১৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:০৪

আমি সাজিদ বলেছেন: অনেক বিস্তৃত জীবনের অধিকারী ছিলেন স্যার। এমন সোনার মানুষদের কই পাবে আর বাংলাদেশ!

১১| ১৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:০২

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভুথান, একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জনগণ পাশে পেয়েছে এই কিংবদন্তিকে । এই সংগ্রামী মহানায়কের অন্তিম প্রয়ানে বিনম্র শ্রদ্ধা । তার বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করি।

১২| ১৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
এক জন মহান মানুষের প্রস্থান।

১৩| ১৫ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৫৫

জাফরুল মবীন বলেছেন: আধুনিক চিন্তা চেতনা জগতের একটা বাতি নিভে গেল।

অট:উনার মৃত্যুর পর সংগৃহিত নমুনায় করোনা টেস্ট পজিটিভ আসছে কিন্তু বেঁচে থাকালীন নয়। নাক থেকে নেওয়া নমুনায় প্রায় ৩৮% ক্ষেত্রে করোনা থাকার পরও টেস্ট নেগেটিভ আসে। এই বাস্তবতাটুকু আমাদের ডাক্তাররা কবে বুঝবেন? X((

১৪| ১৫ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: নক্ষত্রের পতন।

১৫| ১৫ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:২৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমাদের দেশে নির্ভর করার মতো অভিভাবকের সংখ্যা এমনিতেই কম। এ অবস্থায় আরেকজন অভিভাবককে আমরা হারালাম। এটা একটা অপূরণীয় ক্ষতি। আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুন।

১৬| ১৫ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: সামু'র সাথে এমন একজন বিদ্বান ব্যক্তির অভিভাবকসুলভ সম্পর্কের কথা জেনে ভাল লাগলো। ওনার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি।

১৭| ১৫ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:৪২

সোনালি কাবিন বলেছেন: খুব বেদনাদায়ক।

১৮| ১৫ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:১৪

রাকিব আর পি এম সি বলেছেন: এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের চির পতন ঘটল। ভাল থাকুন স্যার পরপারে।

১৯| ১৫ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৫৫

ইসিয়াক বলেছেন: # ইন্নালিল্লাহি অ-ইন্না ইলাহি রাজিউন।
শ্রদ্ধা সতত ।
# স্যারের আত্নার মাগফিরাত কামনা করি।

২০| ১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: স্যারের প্রয়াণে দেশ জাতির সঙ্গে সামু ব্লগও একজন অভিভাবককে হারালো।এ ক্ষত অপূরণীয়। ওনার মাগফিরাত কামনা করি।

২১| ১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:২৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।

দেশ একজন অতি বড়ো মাপের মানুষ হারালো। একজন নির্ভেজাল মানুষ; অত্যন্ত শক্তিশালী ব্যক্তিত্বসম্পন্ন।


অঃটঃ ১৪ নভেম্বর না হয়ে মনে হয় ১৪ মে হবে।

২২| ১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৪১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
'সামহোয়্যারইন' ব্লগের সাথে স্যারের হৃদ্যতার কথা আগেই জানতাম।
সম্ভববত ২০১১ ব্লগ দিবসে উনি প্রধান অতিথি ছিলেন। সেসময়ে অনেকের পোষ্টে জানা আপার সঙ্গে ছবি ছিল। কালেক্ট করে দিলে পোষ্টটি সমৃদ্ধ হোত।
স্যারের বিদেহী আত্নার মাগফিরাত কামনা করি

২৩| ১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যার একজন মাটির মানুষ ছিলেন। খুব সহজ সরল জীবন যাপন করেছেন। ছাত্র ছাত্রীদের খুব ভালোবাসতেন। দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি তার সীমাহীন ভালোবাসা ছিলো।

২৪| ১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেক ব্লগরই উনাকে চেনেন, উনার আধুনিক ভাবনা ও জীবন-দর্শন ব্লগারদের অনুপ্রাণিত করবেন, আশাকরি।

২৫| ১৫ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৪৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

২৬| ১৫ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৪৩

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: একজন সৎ,আধুনিক চিন্তা চেতনার মানুষ ছিলেন।

২৭| ১৫ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা,




সন্দেহ নেই সামু তা্র সবচেয়ে বড় এক সুহৃদকে হারিয়েছে। একজন আগামাথা মুক্তমনা মানুষ।
সমাজ সজাগ এই মানুষটিকে সামুর কোনও অনুষ্ঠানে অভিভাবকের জায়গাটিতে আর দেখবোনা এটা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে।

সৃষ্টিকর্তা তাঁর বেদেহী আত্মাকে অপার শান্তিতে রাখুন, এই প্রার্থনা।

২৮| ১৫ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন . . .
করোনা কতকিছূ কেড়ে নিচ্ছে আমাদের থেকে।

এক নজরে ড, আনিসুজ্জামান স্যারের ইতোবৃত্ত :
ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক, ভাষা সংগ্রামী, মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী, সংবিধানের অনুবাদক, দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রবর্তী মানুষ।

তিনি ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এ টি এম মোয়াজ্জেম ছিলেন বিখ্যাত হোমিও চিকিৎসক।

১৯৫৬ ও ১৯৫৭ সালে স্নাতক সম্মান এবং এমএ-তে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন আনিসুজ্জামান। অনার্সে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ার কৃতিত্বস্বরূপ ‘নীলকান্ত সরকার স্বর্ণপদক’ বৃত্তি লাভ করেন।

১৯৬৫ সালে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। ভাষা আন্দোলন, রবীন্দ্র উচ্ছেদবিরোধী আন্দোলন, রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী আন্দোলন এবং ঐতিহাসিক অসহযোগ আন্দোলনে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন।

১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ১৯৮৫ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন।

আনিসুজ্জামানের উল্লেখযোগ্য রচনাবলির মধ্যে ‘স্মৃতিপটে সিরাজুদ্দীন হোসেন’, ‘শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্মারকগ্রন্থ’, ‘নারীর কথা’, ‘মধুদা, ফতোয়া’, ‘ওগুস্তে ওসাঁর বাংলা-ফারসি শব্দসংগ্রহ’ ও আইন-শব্দকোষ অন্যতম।

বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, অলক্ত পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কারসহ নানা পুরস্কার ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রিতে ভূষিত হয়েছেন। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘পদ্মভূষণ’ পেয়েছেন।

সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাকে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়। ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

২৯| ১৫ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: অতি সংক্ষেপে, কিন্তু চমৎকারভাবে জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এর বর্ণিল জীবনের ইতোবৃত্ত তুলে ধরার জন্য বিদ্রোহী ভৃগু কে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

৩০| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৩৪

আহা রুবন বলেছেন: জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে কেমন ফাকা ফাকা লাগছে। তাঁর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা। খুব কম সময়ের ব্যবধানে আমরা বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, জামিলুর রেজা চৌধুরী আর একই দিনে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান-দেবেশ রায়ের বিদায়। ওনাদের আত্মা চির শান্তিতে থাকুন।

৩১| ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৪৯

পলাতক মুর্গ বলেছেন: বাংলাদেশের সেক্যুলার আন্দোলনের মুরুব্বিরা একে একে বিদায় নিচ্ছে। থিওরিটিক্যালি বিষয়টি সামু ব্লগের মডারেটর এবং সমমনাদের মনে অভিভাবক শুন্যতার একধরণের অনুভুতি তৈরি করার কথা, এবং এই পোষ্টখানা তার জলজ্যান্ত উদাহরন। আনিসুজ্জামনকে আমি আগে চিনতাম না, হয়তো নাম শুনেছি কিন্তু উল্লেখযোগ্য কেউ মনে করি নাই, পরে দেখি মানবজমিন বলতেছে একজন কিংবদন্তির বিদায়। উনার সম্পর্কে পড়াশুনা করে যা বুঝলাম উনি বাংলাদেশে সেক্যুলার আণ্দোলনের খুব হাই কোয়ালিটি একজন খুঁটি ছিলেন। বাংলাদেশে ভারতের সম্রাজ্যবাদী এজেন্ডা বাস্তবায়নে উনার সম্ভবত ভাল অংশগ্রহণ ছিল, অন্তত চেতনাগত ভাবে। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডি-লিট ডিগ্রি এবং উনার মৃত্যুর পর হর্ষবর্ধন শ্রীংলার শোক প্রকাশ সেটারই ইংগিত বহন করে বলে আমার ধারণা। একটু আগে দেখলাম উনার মৃত্যুনিয়ে ফেসবুকে অনেকেই বেশ আনন্দিত। এই ধরণের একজন মানুষের মৃত্যু নিয়ে লেখা সামুর ষ্টিকি পোষ্টে আমি নিরব থাকতে পারতাম, অথবা ভন্ডামি করে শোক প্রকাশ করতে পারতাম। কিন্তু আমি তা করলাম না।

ড. আনিসুজ্জামান অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন এবং খুব হাইকোয়ালিটি একজন বুদ্ধিজীবি ছিলেন। বাংলাদেশের সুশীল কমিউনিটির অধিকাংশের মত তিনিও সমাজের উপরতলার সুবিধাভোগী মানুষদের একজন ছিলেন। এইধরণের একজন মানুষ মারা গেলে বাংলাদেশের সাধারণ জনগনের কিছু আসে যায় না। বরং একজন জিয়াউর রহমান অথবা একজন মুফতি আমিনী মারা গেলে জানাজা পড়ার জন্য সাধারণ মানুষের ঢল নামে। সাধারণ মানুষের ন্যাচেরাল রেসপন্স বলে দেয় সদ্যমৃত মানুষটা কেমন ছিলেন।

এনিওয়েজ, এইধরণের একটা কমেন্ট করে অনেক সেক্যুলার ব্লগার এবং মডারেটরকে ধৈর্যের পরীক্ষায় ফেলেদিলাম মনে হয়।

৩২| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৫৯

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের মাথার উপর বটবৃক্ষ হয়ে থাকা ছায়াগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
.............................................................................................................
মনের বেদনা গুলি বেড়েই চলছে, আমি আমার পরিবার সকলে শোকাহত ।

৩৩| ১৬ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৩৮

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: পলাতক মুর্গ বলেছেন:
ড আনিসুজ্জামান বাংলাদেশের সুশীল কমিউনিটির অধিকাংশের মত তিনিও সমাজের উপরতলার সুবিধাভোগী মানুষদের একজন ছিলেন। এইধরণের একজন মানুষ মারা গেলে বাংলাদেশের সাধারণ জনগনের কিছু আসে যায় না।


ড আনিসুজ্জামান যদি সুবিধাভোগী মানুষ হতেন তবে তিনি ৫২ থেকে শুরু করে ৭১ পর্যন্ত বাংলার জনগণের অধিকার আদায় ও স্বাধীনতার সংগ্রামের পক্ষ নিতেন না । অন্যান্য রাজাকার আলবদরদের মতো ফ্যাসিস্ট ও খুনি পাকি এস্টাব্লিশমেন্টের পদলেহী বুদ্ধিজীবী হিসাবেই সকল সুযোগসুবিধা নিতেন । ঠিক একইভাবে তিনি যদি সুবিধাভোগী হতেন তবে স্বৈরাচারী ও লম্পট এরশাদের পেইড বুদ্ধিজীবী হিসাবেও সুবিধা নিতে পারতেন ।

একটি জাতির স্বাধীনতার জন্য রাজনৈতিক সংগ্রামের নেপথ্যে বুদ্ধিজীবীদেরও বিশাল অবদান থাকে যা আপনার মতো ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে প্রবেশ করবে বলে মনে হয় না । ভাষা আন্দোলনের সূচনা থেকে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন দেশের সৃষ্টির পিছনে যে সকল বুদ্ধিজীবীর অবদান রয়েছে তাদেরই একজন হলেন ড আনিসুজ্জামান ।

আসলে সুবিধাভোগী ব্যক্তি হচ্ছেন আপনি । আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বলে আমরা নিজেদের রাজধানী থেকে সবুজ পাসপোর্টে ভিসা লাগিয়ে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়তে পারছি । অর্থনৈতিক দিক থেকেও আমাদের অবস্থা ভঙ্গুর রাষ্ট্র পাকিস্তান থেকে শত সহস্র গুন্ ভালো । এই সকল সুবিধাভোগের বেনিফিশিয়ারি জনগণের একজন আপনি । এই স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসাবে বাংলায় ব্লগে মন্তব্য লিখতে পাড়ার সুবিধাভোগী আপনিই ।

বাংলাদেশ স্বাধীন নাহলে আপনার মতো পাকিস্তানপন্থীদের অবস্থা কি হতো তা ভুট্টোর অবস্থা দেখে নিশ্চয় আঁচ করতে পারবেন।, পাঞ্জাবি সামরিক চক্র তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে আপনার মতো পদলেহীদের উচ্ছিষ্টের মতোই ছুড়ে ফেলে দিতো । দুর্ভাগ্য আমাদের যে, বাংলাদেশের জনগণের কষ্টার্জিত স্বাধীনতার বেনিফিশিয়ারি হচ্ছে আপনার মতো কিছু প্যারাসাইটরা ।

৩৪| ১৬ ই মে, ২০২০ সকাল ৭:৫৬

শেখ সাকিবুল ইসলাম বলেছেন: ইন্নালিল্লাহি অ-ইন্না ইলাহি রাজিউন।

৩৫| ১৬ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:০৫

নতুন নকিব বলেছেন:



মহান আল্লাহ তাআ'লার নিকট তাঁর মাগফিরাত কামনা করছি। তাঁকে জান্নাতে দাখিল করার প্রার্থনা জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত: পোস্ট শিরোনামের বাক্যটি সুন্দর। তবে এর সাথে প্রস্থান/ তিরোধান জাতীয় একটি শব্দ যোগ করে দিলে বাক্যটি আরেকটু যুতসই হত কি না, দয়া করে যদি একটু ভেবে দেখতেন! যেমন- অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যার এবং সামহোয়্যারইন ব্লগের বন্ধু ও অভিভাবক হারানোর ব্যাথা -এর স্থলে- অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্যারের প্রস্থান/ তিরোধান এবং সামহোয়্যারইন ব্লগের বন্ধু ও অভিভাবক হারানোর ব্যাথা

বরেণ্য এই গুণী ব্যক্তি সামহোয়্যারইন ব্লগের এমন অকৃত্রিম সুহৃদ ছিলেন এই পোস্ট পাঠেই প্রথম জানলুম। শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ করায় অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা। পোস্টে +++

৩৬| ১৬ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:৩২

কলাবাগান১ বলেছেন: "বাংলাদেশ স্বাধীন নাহলে আপনার মতো পাকিস্তানপন্থীদের অবস্থা কি হতো তা ভুট্টোর অবস্থা দেখে নিশ্চয় আঁচ করতে পারবেন।, পাঞ্জাবি সামরিক চক্র তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে আপনার মতো পদলেহীদের উচ্ছিষ্টের মতোই ছুড়ে ফেলে দিতো । দুর্ভাগ্য আমাদের যে, বাংলাদেশের জনগণের কষ্টার্জিত স্বাধীনতার বেনিফিশিয়ারি হচ্ছে আপনার মতো কিছু প্যারাসাইটরা ।"

১০০% স হমত @স্বামী বিশুদ্ধানন্দ

৩৭| ১৬ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৩০

মো : শহিদুল আলম বলেছেন: আমাদের এই জন্মভূমি বাংলাদেশ থেকে এইসব জ্ঞান বিচক্ষন মানুষগুলো চির বিদায় নিয়ে নিচ্ছে। আমাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে।

৩৮| ১৬ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:১৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
@ স্বামী বিশুদ্ধানন্দ - মোক্ষম জবাব।

৩৯| ১৬ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৫৫

পলাতক মুর্গ বলেছেন: প্যারাসাইটের কথা যখন উঠলোই, একটু খারাপ কথা কই (খারাপ কথা না কইয়া আমি আবার থাকতে পারি না তো):

"বাংলাদেশে ভারতিয় দালালদের কাজকাম প্যারাসাইটের মত। একটা দুইটা প্যারাসাইট না, বরং পুরা একটা প্যারাসাইটের কলোনি, সেইটার মধ্যে আবার অনেক সাব-কলোনিও আছে, এবং কালচারাল সাব-কলোনিটাই সম্ভবত সবচেয়ে পরিপুষ্ট, কারণ আমার দেখামতে বড় আকৃতির প্যারাসাইটগুলা অধিকাংশই কালচারাল ব্যকগ্রাউন্ডের। সর্ব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার কারণ এই প্যারাসাইটিক কলোনি। এই কলোনির সদস্য সংখ্যা অলরেডি ক্রিটিক্যাল মাস ক্রস করে গেছে যা বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। তথাকথিত পাকিস্তান জুজু আর অর্ধশতবছর আগের একটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাঁশি বাজিয়ে এই প্যারাসাইটরা বাংলাদেশের সমস্ত সুবিধা আজকে ভোগদখল করে খাচ্ছে। এনিওয়েজ, প্যারাসাইটরা নিজেরাতো আর কখনো বুঝবে না যে তারা প্যারাসাইট, তাই সত্যকথা তিতা লাগলেও বলতে হয় আরকি, অন্তত স্বীকার না করলেও আপাতত তারা জানুক যে তাদের প্যারাসাইট হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে।"

৪০| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

অধীতি বলেছেন: قدر نعمة بعد زوا
নেয়ামত চলে যাবার পরে তার কদর বাড়ে।

৪১| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:২৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন . . .
আমরা একজন সত্যিকারের মানুষকে হারালাম।

৪২| ১৮ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:২৬

সায়েমুজজ্জামান বলেছেন: অনেকের মন্তব্য দেখে অবাক হলাম। মুফতি আমিনীর সাগরেদরাও ব্লগে আছে তাহলে! সকল মত পথের প্রকাশ হচ্ছে ব্লগে এটা ভালো ব্যাপার। তবে একজন মারা গেলেই এই শ্রেণির লোক নিজেকে আল্লাহর স্থানে বসিয়ে মরহুমের আমলনামার বিচার শুরু করে- এটা ভয়াবহ বিপদের আলামত।
যতটুকু পত্রিকায় দেখলাম, যদি ভুল না হয়, আনিসুজ্জামান স্যারের মৃত্যুর পর বিএনপি থেকেও তো শোক প্রকাশ করা হয়েছে। তাহলে এরা কারা? প্রতিক্রীয়াশীল গোষ্ঠি। এ গোষ্ঠি কারো আপন নয়- এটা বলতে পারি।
যাই হোক, আমি সাংবািদকতাকালে তার সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেতাম। এক সময় শিক্ষা বিট করতাম বলে বিভিন্ন বিষয়ে তার মতামত, কোন বিষয়টা না বুঝলে জানতে চাইতাম। তার কথা ছিল সাবলীল। সহজে, খুব ছোট বাক্যে, চমৎকারভাবে বুঝিয়ে দিতেন। তার একটা সাক্ষাৎকারও নেয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। অনেক বড় সাক্ষাৎকার ছিল। কিছু প্রকাশ করা হয়েছিল। অনেক কথাই প্রকাশ করা হয়নি। বিশেষ করে ভারতের ব্যাপারটা নিয়ে। যতটুকু তাঁকে দেখেছি, দেশপ্রেমিক ছাড়া অন্যকিছু মনে হয়নি। মানুষ কারো সাথে না মিশে, না জেনে কীভাবে মন্তব্য করে তা ভেবে পাইনা। স্যাররা সপরিবারে পূর্ব পাকিস্তানে মাইগ্রেট করেছিলেন। যারা ওপার থেকে এপারে এসেছেন, তারা অনেকেই তাদের মনস্তাস্তিক অবস্থান জানেন না। এজন্য যা খুশী তা বলে দেন।
যাই হোক, আমার নেয়ার সাক্ষাৎকারটা ২০১০ সালেই এই ব্লগে দিয়েছিলাম। কেউ পড়লে তাকে আরেকবার চিনতে পারবেন। কারো সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করার আগে তার সম্পর্কে জানতে পারেন। এখানে তিনি কোন দলের সমর্থন করেন, কেন করেন, কোন পর্যন্ত করবেন, কখন করবেন না- বিস্তারিত বলেছেন। পড়ে দেখতে পারেন। আমরা একজন মানুষ হারালাম। এমনিতেই বাংলাদেশে মানুষের সংখ্যা কম। বিশেষ করে বাংলা সাহিত্যের বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। কারণ বাংলা সাহিত্যে হয়ত উপন্যাসিক আছেন, কবি আছেন, প্রাবন্ধিক ও গবেষকের বড় অভাব। জানিনা তার অভাব কবে পূরণ হবে।
কেউ যদি মনে করেন আমার দল যত ভুল করুক সমর্থন দিয়ে যাবো- এটা বুদ্ধিজীবীদের দৃষ্টিভংগি হওয়া উচিত নয়- অধ্যাপক আনিসুজ্জামান

৪৩| ১৮ ই মে, ২০২০ বিকাল ৪:৪৮

সুপারডুপার বলেছেন:



স্বামী বিশুদ্ধানন্দ যথার্থ বলেছেন, "বাংলাদেশ স্বাধীন নাহলে আপনার মতো পাকিস্তানপন্থীদের অবস্থা কি হতো তা ভুট্টোর অবস্থা দেখে নিশ্চয় আঁচ করতে পারবেন।, পাঞ্জাবি সামরিক চক্র তাদের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে আপনার মতো পদলেহীদের উচ্ছিষ্টের মতোই ছুড়ে ফেলে দিতো । দুর্ভাগ্য আমাদের যে, বাংলাদেশের জনগণের কষ্টার্জিত স্বাধীনতার বেনিফিশিয়ারি হচ্ছে আপনার মতো কিছু প্যারাসাইটরা।" - ১০০% সহমত

@ব্লগার পলাতক মুর্গ, আপনার ও আপনার সমগোত্রীয় শ্রেণীদের জন্যই বিশেষভাবে এই পোস্ট : ধর্মের দোহাই দিয়ে বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকার - প্রফেসর সাহেব

ঐ পোস্টে আপনার ব্যাপারে প্রফেসর সাহেবের কথা অনুসারে, অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় এখন যদি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সাথে যুক্ত করে একটি রাষ্ট্র করার প্রস্তাব করা হয় তাহলে তারা সবার আগে ভোট দিবে। এই গোষ্ঠীই আমাদের দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। এদের থেকে সতর্কতা অবলম্বন করাই কাম্য, আর আপনি যদি নিজেকে এই দলের মধ্যে আবিস্কার করেন তাহলে নিজেকে শুধরে দেওয়ার এখনই সময়।

৪৪| ১৯ শে মে, ২০২০ সকাল ১১:৪১

নীল আকাশ বলেছেন: মানুষের ভালোবাসা যথেষ্ট পেয়েছি: আনিসুজ্জামান

যে কোন মন্তব্য করার আগে এটা পড়ে নিন।

৪৫| ২১ শে মে, ২০২০ রাত ১১:২২

আফনান আব্দুল্লাহ্ বলেছেন: আত্মার মাগ‌ফেরাত কামনা ক‌রি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.