![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভাল লাগে জোছনা রাতে মেঘ হয়ে আকাশে ভাসতে।
সিগনালে দাড়িয়েছি,জানালার গ্লাস নামানো হঠাৎ পাশ থেকে একজন লম্বা ছালাম দিতেই চেয়ে দেখি রোড ক্লিনার বাংলাদেশী একজন শ্রমিক।
ছালামের জবাব দিয়ে বললাম, কি ভাই খবর কি ?
সে ভাঙ্গা হিন্দি/বাংলায় কথা শুরু করতেই আমি বললাম বাংলায় বলেন ভাই, আমিও বাংলাদেশী।আপনি কি নুতন এসেছেন?
সে যেন প্রান ফিরে পেল হ্যা ভাই দুইমাস হলো এসেছি।বাড়ী কিশোরগঞ্জ।আমাকে পাল্টা প্রশ্ন করলো আপনার বাড়ী কুন ডিস্ট্রিক?
আমি তাকে আবারো জিজ্ঞেস করে জানলাম সে এখানে আসতে খরচ পড়েছে সর্বমোট ছয় লক্ষ টাকা।আর বেতন ৩০০ রিয়াল (৬,৬০০টাকা),কথা শুনে আমার মাথা ঘুড়তে লাগলো । তিনি যদি শুধুমাত্র এই কাজ করেই যায় তবে তার সব টাকা তুলতে আট বছর লেগে যাবে!আর যদি এই টাকা দেশে ফিক্স ডিপোজিট করতো তবে মাসে বিনা শ্রমে প্রায় ৬০০০টাকা ঘড়ে বসে পেয়ে যেত। পেছনের গাড়ী হর্ন বাজাতেই শুভেচ্ছা জানিয়ে চলে এলাম।
কিন্তু তার কথায় আমি ভাবতে লাগলাম, এতো কম বেতনেতো এখন নেপালিরাও আসছেনা।বাংলাদেশ সরকারের কাছে যেমন শ্রমিক রপ্তানি অত্যান্ত জরুরী তেমনি সৌদি আরবের নিকটও এই ক্যাটাগরীর শ্রমিক আমদানি খুবই প্রয়োজনীয়। আমি বড় একটি ক্লিনিং কোম্পানিতে (আল খোদারী) কর্মরত এক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করে এই স্বল্প বেতনের সত্যতা জানলাম। বর্তমানে তারাও নাকি এই বেতনেই আমাদের দেশ থেকে ক্লিনার ভিসায় নুতন শ্রমিক পাচ্ছে।অথচ সরকার একটু নজর দিলে অন্যান্য দেশের মতো কমপক্ষে ৭০০ রিয়ালে শ্রমিক রফতানি করতে পারতেন।
যদিও বর্তমানে বাংলাদেশিদের অবস্থা সৌদি আরবে খুবই নাজুক।এখানে ভিসা অফিসে সে সকল কাজগুলি সব দেশের জন্য চলে তা হচ্ছে
১।জব ভিসা ২।ফ্যামিলি ভিসা/ভিজিট ভিসা ৩।১৮ বছরের ছেলেদের বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকার ভিসা
৪।আকামা (রেসিডেন্স পারমিট) ট্রান্সফার ৫।প্রফেশন চেঞ্জ ৬।ওমরা ভিসা ৭।বিজনেস ভিসা ৮।এক্সিট ভিসা ইত্যাদি।
মোটামুটি এই ৮টি ক্যাটাগরির মধ্যে বাংলাদেশীদের জন্য অত্যান্ত সহজলভ্য ভিসা হচ্ছে এক্সিট ভিসা তারপর ওমরা ভিসা এবং সবশেষে বিজনেস ভিসা। বাকি ৫টি ক্যাটাগরির ভিসা দীর্ঘ ছয় বছর যাবত বন্ধ রয়েছে। লোকে বলে ভিসা অফিসের কম্পিউটারের বাটনে এন্টার মারলে যদি বাংলাদেশী দেখে তবে রেড এলার্ট দেখায়।
গুজব আছে এগুলো ঘটছে বর্তমান সরকারের কারনে এবং জামাত কানেকশনের জন্য।কিন্তু আমি মনে করি এই তথ্য সম্পূর্ন বানোয়াট।কারন এই সমস্ত কাজ ফকিরুদ্দিনের আমল থেকেই শুরু হয়েছে।আর এই কয়েক বছরে জামাতের অনেক স্থানীয় নেতাও এই আইনে কবলে পড়ে দেশে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।
আমাদের বাংলাদেশীদের সঙ্গে সৌদি আরবে যখন এই পরিস্থিতি, তখন গত ৩ এপ্রিল ২০১৩ থেকে সব বিদেশী অবৈধ শ্রমিকদের জন্য তিন মাসের সাধারন ক্ষমা ও কোম্পানি বদল করে কাজ যোগাড় করে নেয়ার এক বিশাল সুযোগ বা ছাড় দিয়েছেন। কিন্তু অবাক ব্যাপার এখানেও বাংলাদেশীদের জন্য কোন সুযোগ রাখা হয়নি।এই নিয়ে বাংলাদেশীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ দেখা দেয়।এমতবস্থায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী দিপুমনি গত ৬মে সৌদি আরবে আসেন।এবং তারপরই জানতে পারি বাংলাদেশীরাও এই সুযোগ পাবে।কিন্তু ইতিমেধ্যেই সাধারন ক্ষমার মেয়াদ একমাসেরও বেশী অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। আগামি ৪ জুলাই থেকে এই সুযোগ আর থাকবেনা। গত ১৬ই মে মাননীয় রাষ্ট্রদূত শহিদুল ইসলাম এখানে অর্থাৎ দাম্মাম শহরের সকল শ্রেণীর বাংলাদেশীদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।
উনি আমাদেরকে যে তথ্যগুলি দিয়েছেন এখানে তা তুলে দিচ্ছি।
১।আকামা ট্রান্সফার বা মালিক পরিবর্তনঃ রেড ক্যাটাগরির কোম্পানি থেকে ইচ্ছেমতো ট্রান্সফার হওয়া যাবে।গ্রিন ক্যাটাগরি হলে বর্তমান মালিকের অনুমতি সাপেক্ষে পরিবর্তন করা যাবে।যা এতদিন বন্ধ ছিল।
২। হজ্জ/ওমরা ভিসায় আগত অবৈধ শ্রমিকরা বৈধতা পাচ্ছেঃ যারা ৩ জুলাই ২০০৮ সালের পুর্বে হজ্জ/ওমরা ভিসায় এসে আর ফেরত যায়নি তারা যে কোন ব্যক্তির অধীনে আকামা বানিয়ে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
৩।কোম্পানি থেকে পালিয়ে (হুরুব) যাওয়া শ্রমিকরা কাজ করতে পারবেঃ পালিয়ে আসা শ্রমিকরা তার পূর্বেকার মালিকের অনুমতি ছাড়াই যে কোন কোম্পানিতে আকামা বানিয়ে বৈধভাবে কাজ করতে পারবে।
৪।যাদের মালিক(কফিল) নাইঃ অনেকের কফিল মৃত্যু/কোম্পানি দেউলিয়া বা বিদেশে গিয়ে না আসার কারন হলে কাগজপত্র ছাড়াই নুতন কোম্পানিতে কাজ নিতে পারবেন।
৫। পেশা পরিবর্তনঃ যোগ্যতা অনুযায়ী যারা সঠিক পেশার ভিসা পাননি অথবা সার্টিফিকেট না থাকা স্বত্বেও যারা ভূয়া ইঞ্জিনিয়ার বা একাউন্টেন্ট ভিসায় এতদিন কাজ করেছেন তারা ফ্রিতে পেশা পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন।
৬।দেশে প্রত্যাবর্তনঃ যারা এতদিন পালিয়ে কাজ করেছেন এখন দেশে ফাইনাল এক্সিটে যেতে চাচ্ছেন তারা বিনা শাস্তিতে(জেল/জরিমানা) ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে যেতে পারবেন।পরে নুতন ভিসাতে এলেও অসুবিদা হবেনা।
কিন্তু ৪জুলাই ২০১৩ তারিখের পর অবৈধ অবস্থানকারী প্রবাসী শ্রমিককে যিনি কাজে নেবেন/গাড়ীতে উঠাবেন/আশ্রয় প্রদান করবেন তাদের প্রত্যেকের শাস্তি ২ বছর জেলসহ সর্বোচ্চ ১লক্ষ রিয়াল জরিমানা হবে।
সবদিক থেকে বিবেচনা করলে এটা একটা যুগান্তকারী সুযোগ।ইতিমধ্যেই অনেক বাংলাদেশী এই সকল সুবিদা থেকে বঞ্চিত থাকায় দেশে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।এই সুযোগ না পেলে আরো দেড় লক্ষ বাংলাদেশী শ্রমিক দেশে চলে যেতে বাধ্য হতেন।তাই এখানে চলছে খুশির উচ্ছ্বাস।এখানে এখন একই আলোচনা কে কোথায় নুতন চাকুরীতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকারের জন্যও এক বিশাল সুখবর কারন ১০লক্ষ প্রবাসিদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতি সুমজবুত করবে।
২০ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২০
মোঃমোজাম হক বলেছেন: ফি আমানুইল্লাহ
ধন্যবাদ শ।মসীর ভাই
২| ২০ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:০৭
কালীদাস বলেছেন: কঠিন জীবন দেখা যায়
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:০২
মোঃমোজাম হক বলেছেন: জন্মই আমাদের আজন্ম পাপ !!!
৩| ২০ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:১৩
কালোপরী বলেছেন:
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:০৩
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
৪| ২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১০:১৮
রাজীব নুর বলেছেন: দুঃখ হয়।
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:০৮
মোঃমোজাম হক বলেছেন: একটু দোয়া করবেন ভাই । এই লোকগুলি বাংলাদেশের সবচে বেশি রেমিটেনস পাঠায়
৫| ২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:১৩
অথৈ সাগর বলেছেন:
আকামা ট্রান্সফার সুবিধা এবং যারা অবৈধ তাদের আকামা দেয়া একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত । আমার জানা মতে অনেক বাংলাদেশী আকামা নেই বলে লুকিয়ে কাজ করত এবং অনেক বছর ধরে দেশে আসতে পারছিল না।
এরাই আমাদের মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম সোর্স অথচ কত তাচ্ছিল্য করা হয় এদেরকে। টিভি নাটকে কিংবা এয়ার পোর্টে সব জায়গাতেই একই দৃশ্য। সম্ভবত একেই সুশীলতা বলে।
২০ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:৫৩
মোঃমোজাম হক বলেছেন: অনেকেই হয়তো জানেননা এই প্রবাসীরা নির্ভেজাল ভাবে গার্মেন্টস ব্যবসা থেকেও বেশী বৈদেশিক মুদ্রা আমাদের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের শক্তি বৃদ্ধি করছে।
তুচ্ছ তাচ্ছিল্য শুধু একশ্রেনীর শিক্ষিত শ্রেনীই করছেনা, সব সরকারগুলিও করে থাকে।এই দেখুননা এই ঘটনাটি টিভিতে ফলাও করে প্রচার করা যেত যাতে ৯০%ভাগ অশিক্ষিত শ্রমিকরা বর্তমান পরিস্থিতিতে কোথায় কি করতে হবে জানতে পারতো।
কিন্তু হায় কেউ কোথাও একটু টু শব্দটি করছেনা!
১০লক্ষ প্রবাসিদের কথা না আছে দৈনিক প্রত্রিকায়,না টিভিতে না ব্লগে না ফেসবুকে!সেলুকাস
৬| ২১ শে মে, ২০১৩ রাত ১:১৮
অথৈ সাগর বলেছেন: আপনি তাদের মুখপাত্র হয়ে এই কাজ গুলো করে যান। আমরা সহযোগিতা করব। বৈদেশিক মুদ্রার ১৪% আসে মেরিনারদের থেকে কিন্তু দেখেন তারাও অবহেলিত। আমি চেষ্টা করছি এই কমিনিউটিটাকে সবার মাঝে তুলে ধরতে । আস্তে আস্তে হয়ত সঙ্গী কাউকে পাব।
২১ শে মে, ২০১৩ সকাল ১১:০৩
মোঃমোজাম হক বলেছেন: ওরে বাপ্স,এই ভাল আছি ভাইরে।
আপনি চালিয়ে যান পেছনে আছি
দেখুন এমন জনগুরুত্বপুর্ন লেখাটাও নির্বাচিত হবার যোগ্যতা রাখেনি!! এই হচ্ছে আমাদের দেশের মানুষ!
৭| ২১ শে মে, ২০১৩ রাত ১:৩২
ফরটি ইজ দা নিউ থারটি বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ এই মূল্যবান তথ্যের জন্য
২১ শে মে, ২০১৩ সকাল ১১:০৫
মোঃমোজাম হক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
বাই দ্য ওয়ে আপনার নিকটি চমকপ্রদ
৮| ২১ শে মে, ২০১৩ সকাল ১১:৩১
মধুমিতা বলেছেন: অনেক অনেক দিন পর আপনার লেখা পেলাম। যত লেখা জমিয়ে রেখেছেন, পোস্ট করে ফেলুন তাড়াতাড়ি।
২১ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৩:১৩
মোঃমোজাম হক বলেছেন: হাহহা , প্রায় সাড়েছয় মাস পর লিখলাম।তবুও আমাদের প্রবাসী এবং দেশের কথা চিন্তা করে।
কিন্তু জনগুরুত্বপূর্ন লেখাটিও সেই নির্বোধ/অবোধ মডুরা নির্বাচিত পাতায় স্থান দেয়নি।অথচ অন্যান্য কম গুরুত্বপূর্ন লেখাও মাসের পর মাস ষ্টিকি হয়ে থাকে।আমি সত্যিই এই মডুদের প্রতি আস্থা রাখতে পারছিনা।
৯| ২৯ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৫৬
সুরঞ্জনা বলেছেন: প্রবাসী অসহায় বাঙ্গালীদের আল্লাহ সহায় হোন।
৩১ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১০
মোঃমোজাম হক বলেছেন: অনেকদিন পর আসার জন্য ধন্যবাদ।
১০| ৩১ শে মে, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৯
মনিরা সুলতানা বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ ভাল খবর ...
সউদি প্রবাসী পরিচিত সবাই বেশ মন কস্টে ছিল ...
৩১ শে মে, ২০১৩ রাত ১১:৫৭
মোঃমোজাম হক বলেছেন: সত্যিই যারা মনকষ্টে ছিল তাদের জন্য বিশাল সুযোগ--
১১| ০১ লা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ২:২৩
মুহিব বলেছেন: [email protected]
আপনার ইমেইল আইডি পেতে পারি এই এড্রেসে প্লিজ।
০১ লা জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৫
মোঃমোজাম হক বলেছেন: পাঠাচ্ছি
১২| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৩ সকাল ১০:০৭
েবনিটগ বলেছেন: ফকিরুদ্দিনের আমল
৩১ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৩০
মোঃমোজাম হক বলেছেন:
১৩| ২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ১২:০৮
জুন বলেছেন: মর্মস্পর্ষী পোষ্ট। আমি পৃথিবীর অনেক দেশেই বাংলাদেশীদের দেখেছি কি কঠিন পরিশ্রম করে চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয় না। তারপর ও দালালদের হাতে, মালিকদের হাতে কি ভাবে প্রতারিত হচ্ছে দিনরাত। অনেক কষ্ট হয় এদের দেখলে। কিন্ত অন্যান্য দেশের মত আমাদের সরকার বা সেখানকার হাইকমিশনের এদের নিয়ে বিন্দু মাত্র মাথা ব্যাথা নেই। সত্যি আমরা এক দুর্ভাগা জাতি। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেই ভারত সরকার তাদের নাগরিকদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর জন্য কত তৎপর।
অটঃ আপনার পোষ্টের শিরোনাম পালটে ফেলুন মোজাম ভাই। না হলে কনফিউজড হয়ে যাই
৩১ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:২৯
মোঃমোজাম হক বলেছেন: অবশেষে ধুলি পড়লো।
সরি আপনার কথা মতো সিরিজের নাম পরিবর্তন করা যাচ্ছেনা।পর্ব দেখে মনে করতে না পারলে পড়বেন না একটু ভাবুন মাসুদ রানা সিরিজের কথা
১৪| ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:৫২
ম্যাকানিক বলেছেন: তুচ্ছ তাচ্ছিল্য শুধু একশ্রেনীর শিক্ষিত শ্রেনীই করছেনা, সব সরকারগুলিও করে থাকে।এই দেখুননা এই ঘটনাটি টিভিতে ফলাও করে প্রচার করা যেত যাতে ৯০%ভাগ অশিক্ষিত শ্রমিকরা বর্তমান পরিস্থিতিতে কোথায় কি করতে হবে জানতে পারতো।
কিন্তু হায় কেউ কোথাও একটু টু শব্দটি করছেনা!
ভাই তাও ত বাংলাদেশ এম্বেসী কিছুটা খোজ খবর নেয়।
সাংঘাতিক সাম্বাদিক ভাইয়েরা ওমরায় গেলে আপনাদের কাহিনি চোখে দেইখা কিছুটা কলমের পানি ফেলে।
অপর দিকে যারা ইউরোপ বা আফ্রিকার দিকে আছে অবৈধভাবে অথবা অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ডের মাঝামাঝী দ্বীপ দেশগুলিতে থাকে তারাও কিন্তু সৌদী প্রবাসীদের চাইতে দেশে কম টাকা পাঠায় না তাদের ত দেখারই কেউ নাই। খবর ত বহুত দুরের কথা ।
বাংলাদেশের প্রবাসীদের মধ্যে সবচাইতে অবহেলিত উপেক্ষিত হইল হুজুর বা আলীম বা ইসলামীক স্কলার লোকজন । উনারা আলহামদুলিল্লাহ দুনিয়ার সবচাইতে অড লোকেশনে অন্য সব প্রফেশনর লোকদের আগে যাইয়া ইমাম বা খতিব হইয়া বাংলাদেশের এমন সুনাম করছে যে ওই এলাকার লোকজন আপনি বাংলাদেশী শুইনা আপনারে ধইরা দুইটা ডাইল ভাত খাওয়া দিবে ।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:১৩
মোঃমোজাম হক বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার দেখা পাইলাম।ভাল আছেনতো?
আমাদের রাজাকার বেয়াই মন্ত্রী এখন প্রবাস মন্ত্রী। তিনিই আমাদের এখানে এসে বলে গিয়েছিলেন আমাদের মিডিল ইষ্টের রেমিটেন্স নাকি বাংলাদেশের প্রধান আয়ের উৎস ।তিনি ভুল করে থাকলে আমিও ভুল করেছি।তবে ব্যক্তিগত ভাবে কেউ কেউ বেশি টাকা পাঠালে পাঠাতেও পারে।সেটা জাতীয় হিসেবে গন্য নয় ম্যাকানিক ভাই।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৫:২৬
শ।মসীর বলেছেন: ভাল একটা খবর । আল্লাহ আমাদের সহায় হউন।