নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পিলখানা বিডিআর সদর দপ্তর-সর্বশেষ বধ্যভূমি

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:০২

বধ্যভূমির শব্দটির উচ্চারণ কেউ করলে প্রথমেই মাথায় চলে আসে রায়েরবাজার বদ্ধ ভূমির কথা। কিন্তু স্বাধীনতা অর্জন করার পরেও স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে আরেকটি বদ্ধভূমি হবে তা কি কল্পনা করেছে কেউ? তাও আবার বিডিআর এর পিলখানা সদর দপ্তরে? ইউনিফর্ম পরিহিত নিরস্ত্র সামরিক কর্মকর্তাদের নিশংসভাবে হত্যার মাধ্যমে? একাত্তরের স্বাধীনতার পর রায়বাজারের বদ্ধভূমিতে আমরা পেয়েছিলাম অসামরিক বুদ্ধিজীবীদের লাশ আর স্বাধীনতার পরে আমাদেরকে পিলখানার বধ্যভূমিতে পেতে হলো সামরিক পোশাক পরিহিত সামরিক কর্মকর্তাদের লাশ। শুধু কি তাই? স্ত্রী, শিশু সন্তান এমনকি নিহত কর্মকর্তাদের মায়েরাও লাঞ্ছিত হয়েছেন। স্বাধীন হওয়ার পরেও নারীদের নিস্তার নেই, তাও আবার নারী শাসনের যুগে। এবার আমরা কাকে দোষারোপ করব? ব্রিটিশরা তো খুবই খারাপ আর পাকিস্তানিরা আরো আরো খারাপ, ‌কিন্তু এবার কি? এবার কি আমরা নিজেদের গায়ে নিজেরাই থুথু ছিটাবো?

বিডিআর বিদ্রোহকে কি কোনভাবেই বিদ্রোহের পর্যায়ে বিবেচনা করা যায়? আসলে একে বিদ্রোহ বলা আর এই অমানবিক নৃশংস ঘটনার কুৎসিত ভয়াবহ চেহারার ওপর পুরো এক স্তর মেক আপ চড়িয়ে দেয়া বা ধামাচাপা দেয়ারই নামান্তুর। বিডিআর পিলখানা সদর দপ্তরে ঘটে যাওয়া সে নৃশংসতার স্বীকার এক ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী তা ছিল এককথায় carnage, massacre।

ঐ ঘটনার মূল পরিকল্পক থেকে শুরু করে, ঐ ঘটনার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতাকারী এবং সর্বশেষ ঐ ঘটনার বাস্তবায়নকারী আমাদের যে মেসেজ দিয়েছে তা নিম্নরূপঃ

/তোমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা তাদের সর্বোচ্চ সুরক্ষিত স্থাপনায় নিরাপদ নয়।

/তোমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা তাদের নিজেদের পিঠ বাঁচাতে অক্ষম তারা তোমাদের মত সাধারণ মানুষকে রক্ষা করবে কিভাবে?

/আমরা তোমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার যে কোন স্তরেই আমাদের ইচ্ছে মাফিক প্রবেশ করতে পারি। আমরা আমাদের ইচ্ছে মত প্রভাবান্বিত কিংবা দুর্নীতিগ্রস্ত করতে পারি তাদের, যাদের ওপর তোমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরু দায়িত্ব দিয়েছ।

/আমরা অদম্য, আমরা অজেয়, আমরা অদৃশ্য। আমাদের অভিধানে নৈতিকতার দিকনির্দেশক/মানদন্ড, ন্যূনতম নৈতিক মূল্যবোধ, যে কোন অবস্থায় শত্রুপক্ষের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব এসব কোন বিষয়েরই অস্তিত্ব নেই। চূড়ান্ত অনাচারের অন্তঃহীন গহবরে আমরা নিশ্চিন্তে ডুবে যেতে পারি বলেই নিহত সামরিক কর্মকর্তাদের মা, তাদের স্ত্রী এমনকি তাদের শিশু সন্তানদেরও লাঞ্ছিত করতে আমাদের বাঁধে না। যেহেতু আমরা শূন্য বিবেকের অধিকারী তাই যত অনাচারই আমাদের হাত দিয়ে হোক না কেন দিন শেষে আমাদের তিল পরিমাণও আফসোস নেই, ওটাও একটা বড় শূন্য। আমরা দেখতে শুনতে মানুষের মত কিন্তু আদতে মানুষ নই অন্য কিছু।

/যদিও তোমরা সার্বভৌম জাতি, তোমরা সেই সার্বভৌম জাতির মনিব নও বরং তোমাদেরকে শর্তহীন ভাবে "অন্য কাউকে" মেনে চলতে হবে, নতজানু হয়ে মাথা ঝুকিয়ে বশ্যতা স্বীকার করে নিতে হবে। তোমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ঠাকুমার ঝুলি ছাড়া আর কিছুই নয়, শর্তহীন অধীনতাই তোমাদের একমাত্র বাস্তবতা।

হত্যাকারীদের এতটা ক্ষোভের কি কারণ থাকতে পারে যে জন্য তার দাবি দাওয়া আদায়ের স্বার্থে তাকে অফিসারকে হত্যার পর অফিসারের স্ত্রী ও কন্যাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে হয়। এই বিষয়টা বিশ্লেষণের দাবি রাখে। সৈনিক অফিসারের মধ্যে সম্পর্ক যদি ঘৃণা ও আস্থা হীনতার হয় তবে তো আর বহিঃশত্রুর প্রয়োজন নেই, বারোটা বাজানোর জন্য আমরা নিজেরাই যথেষ্ট।

জীবিত থাকা অবস্থায় মানুষগুলো যতটা না শক্তিশালী ছিল শহীদের মৃত্যুবরণ করে নেওয়ার পর তারা আরও শক্তভাবে আমাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে, অফুরন্ত অনুপ্রেরণা হিসেবে আমাদের মাঝে বেঁচে আছে। তারা সাহসী ছিলেন, তারা কাপুরুষ ছিলেন না। অবশ্যম্ভাবী পরিণতি জেনেও তারা হত্যাকারীদের কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাননি। মহান আল্লাহ তা'আলা তাদের সবাইকে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান নসিব করুক এই দোয়া করি।

ন্যায় বিচার তো হবেই। আজ, কাল বা পরশু এই জীবন কালেই। অন্তরে অন্তঃস্থল থেকে দোয়া করি যেন আল্লাহ সুবহানূওয়াতায়ালা মুখোশ পরা ষড়যন্ত্রীদের আসল চেহারা দিনের আলোয় উন্মুক্ত করে দিক, যেন সবাই তাদেরকে পুঙ্খানুপুঙ্খ চিনে নিতে পারে।

প্রকৃতি সর্বদাই একটা ভারসাম্য রক্ষা করে চলে। বিডিআর গণহত্যা সেই সূক্ষ্ম ভারসাম্য নষ্ট করে দিয়েছে। সমীকরণের ডান আর বাম হাত কিন্তু এখন পর্যন্ত সমান সমান নেই। কিন্তু তাই বলে ইতিহাস থেমে থাকে না। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয় এবং তার প্রভাব থেকে ওরা কেউই মুক্ত নয়। হ্যাঁ এমনকি ১৯৭৫ এর ১৫ ই আগস্টের হতাকারী ও ষড়যন্ত্রকারীরা বেশ একটা বড় সময় কি আরামেরই না পার করে ফেলেছিল কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। প্রকৃতিতে বিচরণকারী প্রত্যেকের প্রকৃতির বিচার এরকম নিরপেক্ষই হয়েছে, হতে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও হবে।

এ আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।

মন্তব্য ১৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:২৬

সোনাগাজী বলেছেন:




অনেক বিডিআর জোয়ানের প্রাণদন্ড হয়েছে, এই ব্যাপারে আপনার কোন বক্তব্য আছে?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:০৫

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: অনেক বিডিআর জোয়ানের প্রাণদন্ড হয়েছে। এখানে "অনেক" বলতে আপনি ঠিক কি বোঝাতে চাইছেন?

/প্রাণদণ্ডের সংখ্যাটা কত হলে আপনার কাছে যুক্তিযুক্ত হতো? ১০,১৫, ২০ বা ২৫ এরকম কিছু?

/আপনার মানদন্ড অনুযায়ী প্রানদন্ডের সংখ্যাটা "অনেক" হয়ে যাওয়ার কারণে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা যায়নি। আপনি কি এটাই বলতে চাচ্ছেন?

*আমার বক্তব্য দেয়ার আগে আপনার মন্তব্যটা আমি বুঝতে চাচ্ছি।

২| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:০৬

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধেও এতো সংখ্যক সেনা কর্মকর্তা নিহত হননি। বিডিআর বিদ্রোহ অত্যন্ত দুঃখজনক একটা ঘটনা। বিডিআরের জওয়ানেরা বাড়াবাড়ি করেছিল।

তবে একটা বাহিনীকে দিয়ে আরেকটা বাহিনীর উপর কর্তৃত্ব করানো ঠিক না। ব্রিটিশ আমল থেকে বিডিআরের প্রায় ২ শত ২৫ বছরের একটা ঐতিহ্য আছে যেটা বেঙ্গল রেজিমেন্টের চেয়েও পুরানো।

বিডিআরের কাছে বি এস এফ একবার করুণভাবে পরাজিত হয়েছিল। সেটার বদলাও এই ঘটনা হতে পারে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:০৬

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: এই কর্তৃত্ব ফলানোর বিষয়টাও একটা ঐতিহ্যের ব্যাপার যা পাকিস্তান আমল থেকেই চলে আসছে।

তো ওই কর্তৃত্ব ফলানোর কারণে বিডিআর জওয়ানরা কি ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে তা কি দয়া করে বলবেন? যে ক্ষতির বদলা নিতে সামরিক অফিসারের জীবন কেড়ে নিতে হয়, সামরিক অফিসারের মা স্ত্রী ও তার তার শিশুসন্তান কেউ লাঞ্ছিত করতে হয়।

৩| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:১৩

কামাল১৮ বলেছেন: এটা মনে হয় মদিনার কোন যুদ্ধের বদলা।

৪| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:২০

সোনাগাজী বলেছেন:


২ নং মন্তব্য সম্পর্কে আপনার বক্তব্য কি? এই মন্তব্যটি করেছেন একজন মিলিটারী জেনারেল!

৫| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:৩১

সোনাগাজী বলেছেন:


আপনি "অনেক" শব্দটা না বুঝেই গরুর রচনা লিখে ফেলেছেন? "অনেক" শব্দের অর্থ হলো, বহু, প্রচুর, ...

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:০৬

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: আপনার বক্তব্যের আর কোন জবাব আমার তরফ থেকে দেয়া হবে না।

৬| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৮:৫০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ইতিহাসের জঘন্যতম নৃশংসতা, যা কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের বাঙালির পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব না।

বিডিআর-বিএসএফ যতবার সংঘর্ষ হয়েছে, বিজয়ী হয়েছে বিডিআর, যার নেতৃত্বে ছিলেন সেনাবাহিনীর কয়েকজন দুঃসাহসিক ও তেজোদ্দীপ্ত অফিসার।

ঘটনা ঘটবার পর থেকেই এ ঘটনার কারণসমূহ জনমুখে প্রচারিত হয়ে আসছে, যদিও অফিশিয়াল রিপোর্ট সে-রকম কোনো কিছু না। তবে, প্রকৃত ইতিহাস কোনোদিন চাপা থাকে না, ছাইচাপা আগুনের মতো তা বেরিয়ে আসবে।

ক্রিমিনালরা সবসময়ই ক্রিমিনালদের পক্ষে কথা বলবে, এটা বাঙালি কালচার। জনগণের দায়িত্ব ও ক্রিমিনালদের চিহ্নিত করা এবং সময়মতো আইনের কাছে সোপর্দ করা।

অফটপিক : প্রতিটি কমেন্টের ডানপাশে একটা হলুদ উলটো অ্যারো মার্ক আছে দেখুন, ওটাতে ক্লিক করলে একটা বক্স ওপেন হবে। সেখানে রিপ্লাই লিখে সাবমিট করুন। তাহলে প্রতিটি কমেন্টের নীচেই রিপ্লাই দেখা যাবে।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ বিকাল ৩:১৩

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: আস‌সালামু আলাইকুম।

আপনি আজও সামুতে আছেন। ভালো লাগল। পুরনো মানুষগুলোর উপস্হিতি আমার কাছে বৃষ্টির পর মুহুর্তের সোঁদা গন্ধের মতই। ভালো থাকবেন।

মন্তব্যের প্রত্তুত্তর সংশোধন করে নিয়েছি।

৭| ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ৯:২২

সোনাগাজী বলেছেন:



আপনার জবারের আমার কোন দরকার নেই; সেই ঘটনা আমি আপনার থেকে ১০০ গুণ সঠিকভাবে জানি। সেই ঘটনা ঘটার পর, ও বিচার চলাকালে আমি অনেক পোষ্ট লিখেছি, সেগুলো শতশত ব্লগার পড়েছেন। আপনার লেখা যারা পড়বেন, তারা ভুল ধারণা পাবেন।

৮| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ দুপুর ১২:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: বিডিআর ঘটনার জন্য আসলে কাকে দায়ী করা যেতে পারে? শেখ হাসিনা?

৯| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১০:৪৯

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আমি বিডিআর বিদ্রোহ সমর্থন করি না এটা আমি আগের মন্তব্যেই বলেছি। সেনা অফিসারদের পরিবারের উপর নির্যাতন একটা জঘন্য অপরাধ। কিন্তু বাংলাদেশের অতীত ইতিহাসে গেলে দেখবেন যে সামরিক ক্যুয়ের সময় অনেক ধরণের অপরাধ সঙ্ঘটিত হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সেনা বিদ্রোহের সময় জোয়ানরা অফিসার এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করে। এটাও একটা জঘন্য অপরাধ। ১৯৮১ সালে জিয়া হত্যার সময় সেনা বিদ্রোহের বিচারের সময় প্রহসনের বিচার করে কয়েকজন নিরপরাধ মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারকে ফাসি দেয়া হয়। এই বিচারের দায়িত্বে উঁচু পর্যায়ের সেনা কর্মকর্তারা ছিলেন। ব্রিগেডিয়ার সৈয়দ মোহাম্মাদ ইব্রাহীম একজন আসামীর সামরিক উকিল ছিলেন। তিনি আসামিদের উপর অমানুষিক নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সেনা অফিসাররাই হত্যা করেছিল। এগুলি সবই অপরাধ ছিল।

বিডিআর বিদ্রোহের বিচারের সময় প্রায় ৪০ জন বিডিআর জোয়ান জিজ্ঞাসাবাদের সময় অস্বাভাবিকভাবে মারা যায়। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সহ অনেক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এই ধরণের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তার ফলে মৃত্যুর নিন্দা জানিয়েছে। বিডিআর জোয়ানরা অন্যায় করেছে এটা ঠিক। কিন্ত তাদের বিচারের ক্ষেত্রে নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টার কারণে প্রায় ৪০ জন জওয়ান নিহত হয়েছে। বহু জওয়ান চির দিনের মত পঙ্গু হয়ে গেছে। এদের সবাই বিদ্রোহে জড়িত ছিল না। জিজ্ঞাসাবাদের এই পদ্ধতিও কোন বদলা নেয়ার তরিকা হতে পারে না। অপরাধীর বিচারও সুষ্ঠুভাবে করতে হয়। সিরাজ শিকদার অপরাধী হওয়া সত্ত্বেও যেভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছিল সেটা সমর্থন করা যায় না। আমাদের র‌্যাবের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের অভিযোগ ছিল। কাজেই একতরফাভাবে কোন কিছুকে চিন্তা করা ঠিক হবে না।

সর্বোপরি আমি কখনই আমার মন্তব্যে বিডিআর বিদ্রোহের পক্ষে বলি নাই। কিন্তু বিদ্রোহের কিছু কারণ ছিল। সামরিক গোয়েন্দাদের ব্যর্থতা ছিল। কিছু লক্ষণ আগে প্রকাশ পেলেও সেটাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল না। অস্ত্রধারী লোকেরা বিদ্রোহ করলে ভয়ংকর অবস্থা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.